ঢাকা    শনিবার, ০১ আগস্ট ২০২৬, ১৬ শ্রাবণ ১৪৩৩
The Campus Times online

২০১৯ সালের ইস্টার সানডেতে ভয়াবহ বোমা হামলা ঠেকাতে ব্যর্থতার দায়ে শ্রীলঙ্কার সাবেক পুলিশপ্রধান পুজিথ জয়সুন্দরাকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন দেশটির একটি আদালত। শুক্রবার (৩১ জুলাই) তিন সদস্যের হাইকোর্ট বেঞ্চ তাঁকে ‘অপরাধমূলক অবহেলার’ জন্য দোষী সাব্যস্ত করে এই সাজা দেন।

শ্রীলঙ্কার সাবেক পুলিশপ্রধানের মৃত্যুদণ্ড



শ্রীলঙ্কার সাবেক পুলিশপ্রধানের মৃত্যুদণ্ড
শ্রীলঙ্কার সাবেক পুলিশপ্রধান পুজিথ জয়সুন্দরা। ফাইল ছবি

তবে শ্রীলঙ্কায় ১৯৭৬ সাল থেকে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের ওপর একটি অনানুষ্ঠানিক স্থগিতাদেশ রয়েছে। ফলে আদালতের দেওয়া মৃত্যুদণ্ড সাধারণত যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে পরিণত হয়। দেশটির বর্তমান প্রেসিডেন্ট অনুরা কুমারা দিসানায়েকে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের ওপর এই স্থগিতাদেশ বহাল রাখার পক্ষে।

২০১৯ সালের ইস্টার সানডেতে প্রায় একই সময়ে শ্রীলঙ্কার তিনটি পর্যটন হোটেল ও তিনটি গির্জায় বোমা হামলা চালানো হয়। গির্জাগুলোর মধ্যে দুটি ছিল ক্যাথলিক এবং একটি প্রোটেস্ট্যান্ট। ভয়াবহ ওই হামলায় ২৬০ জনের বেশি মানুষ নিহত হন।

হামলার পর গঠিত একটি সংসদীয় তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনে বলা হয়, হামলার বিষয়ে গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর কাছ থেকে একাধিকবার সতর্কবার্তা পাওয়ার পরও পুলিশ ও গোয়েন্দা কর্মকর্তারা যথাযথ ব্যবস্থা নিতে ব্যর্থ হন। এই ব্যর্থতার জন্যই সাবেক পুলিশপ্রধান জয়সুন্দরাকে অপরাধমূলক অবহেলার দায়ে দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছে।

শুক্রবারের রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করার অধিকার রয়েছে জয়সুন্দরার। একই অভিযোগে দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের সাবেক সচিব হেমাসিরি ফার্নান্দোর বিরুদ্ধেও শুক্রবার পৃথক রায় দেওয়ার কথা ছিল।

২০১৯ সালের ওই হামলার জন্য শ্রীলঙ্কাভিত্তিক দুটি উগ্রপন্থী গোষ্ঠীকে দায়ী করা হয়েছিল। হামলার সঙ্গে সরাসরি জড়িত বলে যাদের শনাক্ত করা হয়েছিল, তাদের কেউই বর্তমানে জীবিত নেই। তবে হামলাকারীদের সঙ্গে সম্পৃক্ততার অভিযোগে আরও কয়েকজনের বিরুদ্ধে পৃথক বিচারপ্রক্রিয়া চলছে।

এদিকে শ্রীলঙ্কার ক্যাথলিক চার্চের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, এখন পর্যন্ত যাদের হামলার মূল হোতা বা হামলাকারী হিসেবে শনাক্ত করা হয়েছে, তারা প্রকৃতপক্ষে এই হামলার মূল পরিকল্পনাকারী নয়। তাদের দাবি, ইস্টার সানডের ওই ভয়াবহ হামলার নেপথ্যে আরও বড় কোনো ষড়যন্ত্র ছিল।

বিষয় : পুলিশ আইন ও বিচার ‍ আদালত মৃত্যুদণ্ড শ্রীলঙ্কা

The Campus Times online

শনিবার, ০১ আগস্ট ২০২৬


শ্রীলঙ্কার সাবেক পুলিশপ্রধানের মৃত্যুদণ্ড

প্রকাশের তারিখ : ৩১ জুলাই ২০২৬

featured Image

তবে শ্রীলঙ্কায় ১৯৭৬ সাল থেকে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের ওপর একটি অনানুষ্ঠানিক স্থগিতাদেশ রয়েছে। ফলে আদালতের দেওয়া মৃত্যুদণ্ড সাধারণত যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে পরিণত হয়। দেশটির বর্তমান প্রেসিডেন্ট অনুরা কুমারা দিসানায়েকে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের ওপর এই স্থগিতাদেশ বহাল রাখার পক্ষে।

২০১৯ সালের ইস্টার সানডেতে প্রায় একই সময়ে শ্রীলঙ্কার তিনটি পর্যটন হোটেল ও তিনটি গির্জায় বোমা হামলা চালানো হয়। গির্জাগুলোর মধ্যে দুটি ছিল ক্যাথলিক এবং একটি প্রোটেস্ট্যান্ট। ভয়াবহ ওই হামলায় ২৬০ জনের বেশি মানুষ নিহত হন।

হামলার পর গঠিত একটি সংসদীয় তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনে বলা হয়, হামলার বিষয়ে গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর কাছ থেকে একাধিকবার সতর্কবার্তা পাওয়ার পরও পুলিশ ও গোয়েন্দা কর্মকর্তারা যথাযথ ব্যবস্থা নিতে ব্যর্থ হন। এই ব্যর্থতার জন্যই সাবেক পুলিশপ্রধান জয়সুন্দরাকে অপরাধমূলক অবহেলার দায়ে দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছে।

শুক্রবারের রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করার অধিকার রয়েছে জয়সুন্দরার। একই অভিযোগে দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের সাবেক সচিব হেমাসিরি ফার্নান্দোর বিরুদ্ধেও শুক্রবার পৃথক রায় দেওয়ার কথা ছিল।

২০১৯ সালের ওই হামলার জন্য শ্রীলঙ্কাভিত্তিক দুটি উগ্রপন্থী গোষ্ঠীকে দায়ী করা হয়েছিল। হামলার সঙ্গে সরাসরি জড়িত বলে যাদের শনাক্ত করা হয়েছিল, তাদের কেউই বর্তমানে জীবিত নেই। তবে হামলাকারীদের সঙ্গে সম্পৃক্ততার অভিযোগে আরও কয়েকজনের বিরুদ্ধে পৃথক বিচারপ্রক্রিয়া চলছে।

এদিকে শ্রীলঙ্কার ক্যাথলিক চার্চের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, এখন পর্যন্ত যাদের হামলার মূল হোতা বা হামলাকারী হিসেবে শনাক্ত করা হয়েছে, তারা প্রকৃতপক্ষে এই হামলার মূল পরিকল্পনাকারী নয়। তাদের দাবি, ইস্টার সানডের ওই ভয়াবহ হামলার নেপথ্যে আরও বড় কোনো ষড়যন্ত্র ছিল।


The Campus Times online

সাধারণ সম্পাদক: মোঃ সেলিম রেজা
প্রকাশক: মোঃ সেলিম রেজা (বিএ, অনার্স, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়)

কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত ক্যাম্পাস টাইমস অনলাইন
শ্রীলঙ্কার সাবেক পুলিশপ্রধানের মৃত্যুদণ্ড
0:00 0:00
1.0x