ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের অন্তর্ভুক্ত লোক প্রশাসন বিভাগের সভাপতির দায়িত্ব নিয়েছেন বিভাগটির শিক্ষক অধ্যাপক ড. মুন্সি মুর্তজা আলী। মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) দুপুরে মীর মশাররফ ভবনে বিভাগটির সভাপতির কক্ষে নবাগত সভাপতির কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব হস্তান্তর করেন সদ্যবিদায়ী সভাপতি অধ্যাপক ড. ফকরুল ইসলাম।
এ সময় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ও বিভাগটির সিনিয়র অধ্যাপক ড. এ কে এম মতিনুর রহমান। এছাড়া ছিলেন সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. বেগম রোকসানা মিলি, বিভাগটির অধ্যাপক ড. রাকিবা ইয়াসমিন, অধ্যাপক মোঃ গিয়াসউদ্দিন, অধ্যাপক ড. মোহাম্মেদ আসাদুজ্জামান, অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ সেলিম, অধ্যাপক ড. জুলফিকার হোসাইন, অধ্যাপক ড. মোঃ লুৎফর রহমান, রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের সভাপতি মোঃ ওবায়দুল হক, অর্থনীতি বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক ড. পার্থ সারথি লস্কর, ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের সভাপতি আতিফা কাফী এবং অর্থনীতি বিভাগের সাবেক সভাপতি অধ্যাপক ড. কাজী মোস্তফা আরীফসহ অন্যরা।
এসময় প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য ও বিভাগটির সিনিয়র অধ্যাপক ড. এ কে এম মতিনূর রহমান বলেন, যেকোনো মূল্যে পরীক্ষার হলে সব ধরনের নকল বন্ধ করতে হবে। এ জন্য শিক্ষক ও পরিদর্শকদের কঠোরভাবে দায়িত্ব পালনের করতে হবে। অনেক ক্ষেত্রে পরীক্ষা কমিটির সভাপতির কাছে নম্বর জমা দেওয়া হলেও একই সময়ে পরীক্ষা নিয়ন্ত্রকের দফতরে তা পাঠানো হয় না, ফলে ফলাফলে অনাকাঙ্ক্ষিত পরিবর্তন বা ম্যানিপুলেশনের সুযোগ তৈরি হয়। এ ধরণের অনিয়ম বন্ধে পরীক্ষা কমিটির কাছে নম্বর জমা দেওয়ার দিনই পরীক্ষা নিয়ন্ত্রকের দফতরেও নম্বরপত্র জমা দিতে হবে। পাশাপাশি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তির অপব্যবহার যেমন—'ডিপফেক' ও অনাকাঙ্ক্ষিত গুজব বা অপপ্রচার থেকে শিক্ষার্থীদের রক্ষা করতে হবে। এ বিষয়ে শিক্ষার্থীদের দিকনির্দেশনা ও সহায়তা দিতে প্রতিটি বিভাগের 'স্টুডেন্ট কাউন্সিলর'দের কার্যকর ভূমিকা রাখতে হবে।