এর আগে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ডিবি পুলিশের মিরপুর জোনাল টিমের পরিদর্শক আব্দুল মালেক আসামিকে ১০ দিনের রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন করেছিলেন। শুনানিতে তদন্ত কর্মকর্তা জানান, আসামি আলভী তার স্ত্রী ইকরাকে বিভিন্নভাবে মানসিক নির্যাতন করতেন এবং ফেসবুকে উস্কানিমূলক পোস্ট দিতেন। বিবাহিত হওয়া সত্ত্বেও অন্য নারীর সঙ্গে ছবি যুক্ত করে ফেসবুকে পোস্ট দেওয়ার মাধ্যমে আলভী ইকরাকে মানসিকভাবে বিপর্যস্ত করে তুলেছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে। মামলার মূল রহস্য উদ্ঘাটন এবং অন্যান্য পলাতক আসামিদের গ্রেপ্তারের জন্য তাকে রিমান্ডে নেওয়া প্রয়োজন।
উল্লেখ্য, গত ১৮ জুন অভিনেতা আলভী আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করলে বিচারক তা নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
গত ১ মার্চ সকালে মিরপুরের বাসা থেকে সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ওড়না পেঁচানো অবস্থায় আলভীর স্ত্রী ইকরার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় ইকরার মামা শেখ তানভীর আহমেদ বাদী হয়ে আলভী ও তার মা নাসরিন সুলতানা শিউলিকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন। মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, দীর্ঘদিনের পারিবারিক কলহ ও নির্যাতনের কারণেই ইকরা আত্মহত্যা করতে বাধ্য হয়েছেন।