মৃত প্রেমিক এবায়দুল ইসলাম রাইয়ান (২২) ওই এলাকার মৃত মাহবুব রহমান সিকদারের ছেলে। তিনি বরিশাল টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন।
মৃতের চাচা বাবুল খাঁ জানান, রাইয়ানের সঙ্গে এক মেয়ের প্রেমের সম্পর্ক ছিল। গত চার-পাঁচ দিন ধরে রাইয়ানের সঙ্গে যোগাযোগ বন্ধ করে দেয় সেই মেয়ে।
তিনি বলেন, রাইয়ানের মা অসুস্থ। তিনি বুধবার রাতে ওষুধ খেয়ে ঘুমিয়ে পড়েন। বৃহস্পতিবার গভীর রাতে প্রেমিকার সঙ্গে ভিডিও কলে কথা বলে রাইয়ান। এরপর তাকে ভিডিও কলে রেখেই রাত ৩টা থেকে সাড়ে ৩টার মধ্যে ফ্যানের সঙ্গে লুঙ্গি বেঁধে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করে।
চাচা আরও জানান, রাইয়ান যখন গলায় ফাঁস নেয় তখন তার প্রেমিকা বিষয়টি অন্য বন্ধুদের জানায়। রাতে তারা রাইয়ানের বাসায় ছুটে গিয়ে দরজা ধাক্কাধাক্কি করলেও মা গভীর ঘুমে থাকায় তাৎক্ষণিক দরজা খোলেননি।
রাত পৌনে ৪টার দিকে মা সজাগ হয়ে দরজা খুলেন এবং রাইয়ানকে উদ্ধার করে মোটরসাইকেলযোগে শেরেবাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান বন্ধুরা। এ সময় জরুরি বিভাগের দায়িত্বরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
আত্মহত্যার বিষয়টি নিশ্চিত করে বরিশাল কোতোয়ালি মডেল থানার ওসি আল মামুন উল ইসলাম জানান, লাশ ময়নাতদন্ত শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এ ঘটনায় একটি অপমৃত্যু মামলা হয়েছে। তবে লিখিত অভিযোগ পেলে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।