ঢাকা    মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬, ১৬ আষাঢ় ১৪৩৩
The Campus Times online

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর নকআউট পর্ব শুরু হতেই মাঠে জমে উঠেছে তীব্র লড়াই। এখানে প্রতিটি মুহূর্তেই যেন অগ্নিপরীক্ষা—একটিমাত্র ভুল পদক্ষেপে ধূলিসাৎ হয়ে যেতে পারে বছরের পর বছর ধরে করা কঠোর পরিশ্রম। কেউ এখানে ট্র্যাজিক হিরো হয়ে বিদায় নেবেন, আবার কেউ নিজের নাম লিখিয়ে যাবেন অমরত্বের পাতায়।

র‍্যাঙ্কিংয়ের দুইয়ে মেসি, ৭৯-এ রোনালদো!



র‍্যাঙ্কিংয়ের দুইয়ে মেসি, ৭৯-এ রোনালদো!
লিওনেল মেসি ও ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো। ছবি: সংগৃহীত

এবারের গ্রুপ পর্বে ফুটবল বিশ্বের বাঘা বাঘা তারকাদের ছাপিয়ে একক আধিপত্য দেখিয়েছেন আর্জেন্টিনার মহানায়ক লিওনেল মেসি। ৩ ম্যাচে ৬ গোল করে তিনি টুর্নামেন্টে যেন বুড়ো হাড়ের ভেলকি দেখাচ্ছেন। এর মধ্য দিয়ে ফুটবল বিশ্বকাপের ইতিহাসে সর্বোচ্চ ১৯টি গোল করার অনন্য ও ঐতিহাসিক কীর্তি গড়েছেন এই কিংবদন্তি। 

বিশ্ব ফুটবলে এক যুগেরও বেশি সময় ধরে রাজত্ব করা ৩৯ বছর বয়সি এই ফুটবলারের গোলসংখ্যা বর্তমান বিশ্বের সেরা তিন তরুণ তুর্কি—কিলিয়ান এমবাপে (৪ গোল), ভিনিসিয়ুস জুনিয়র (৪ গোল) এবং আর্লিং হালান্ডের (৪ গোল) চেয়েও বেশি। 

মাঠের পারফরম্যান্সের ডাটা বা উপাত্তের ওপর ভিত্তি করে ফিফা এবার চালু করেছে নতুন খেলোয়াড় মূল্যায়ন পদ্ধতি ‘পাওয়ার র‍্যাঙ্কিং’। তবে অবাক করার বিষয়, গ্রুপ পর্ব শেষে এবং রাউন্ড অব ৩২ শুরুর আগে প্রকাশ পাওয়া এই তালিকায় দেখা যায়, ৬ গোল করলেও আউটফিল্ড খেলোয়াড়দের মধ্যে এক নম্বরে নেই আর্জেন্টিনা অধিনায়ক। এমনকি কিলিয়ান এমবাপ্পে বা ভিনিসিয়ুস জুনিয়রও শীর্ষস্থানে জায়গা করে নিতে পারেননি। 

ফিফার নিয়ম অনুযায়ী, এই পাওয়ার র‍্যাঙ্কিং মূলত পুরো টুর্নামেন্টে একজন খেলোয়াড়ের ম্যাচ প্রতি পারফরম্যান্সের সামগ্রিক মূল্যায়ন। এখানে আউটফিল্ড খেলোয়াড়দের তিনটি ক্যাটাগরিতে (আক্রমণ, সৃজনশীলতা এবং রক্ষণভাগ) ০ থেকে ১০-এর স্কেলে স্কোর দেওয়া হয়। (গোলরক্ষকদের ক্ষেত্রে বল পজেশন ও গোল বাঁচানোর দক্ষতার ওপর নম্বর দেওয়া হয়)। 

ফিফার সর্বশেষ এই পাওয়ার র‍্যাঙ্কিংয়ে সবাইকে চমকে দিয়ে ১ নম্বর স্থানটি দখল করেছেন জার্মানির দেনিজ উন্দাভ। রাউন্ড অব ৩২-র খেলায় প্যারাগুয়ের বিপক্ষে পেনাল্টি শ্যুটআউটে হেরে জার্মানি বিদায় নিলেও ভিএফবি স্টুটগার্টের এই তারকা উইঙ্গার আক্রমণভাগে ৮.৩৬, সৃজনশীলতায় ৬.৭৮ এবং রক্ষণে ৪.৭ স্কোর পেয়ে শীর্ষে স্থান করে নিয়েছেন। 

অপরদিকে, ৮.৩৪ (আক্রমণ), ৬.৪৩ (সৃজনশীলতা) এবং ৫.১৪ (রক্ষণ) স্কোর নিয়ে তালিকার ২ নম্বরে রয়েছেন লিওনেল মেসি।

এছাড়া ফ্রান্সের কিলিয়ান এমবাপ্পে (৮.১৩, ৭.২৫, ৪.৫৯) এবং ব্রাজিলের ভিনিসিয়ুস জুনিয়র (৭.৯২, ৬.৩) যথাক্রমে তৃতীয় ও চতুর্থ স্থানে রয়েছেন। অন্যদিকে পর্তুগালের ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো ৫.৭২, ৪.৯৮ ও ৪.৭৪ স্কোর নিয়ে তালিকার ৭৯ নম্বরে অবস্থান করছেন। 

আরও পড়ুনআরও পড়ুন২৪ বছর পর নকআউট ম্যাচে পিছিয়ে পড়েও জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ল ব্রাজিল

বিশ্বকাপের বিস্ময় তারকা দেনিজ উন্দাভ 

জার্মানির মতো শক্তিশালী দলের হয়ে এবারের বিশ্বকাপের অন্যতম বড় চমক হয়ে এসেছিলেন ২৯ বছর বয়সি স্ট্রাইকার দেনিজ উন্দাভ। তবে তার এই সাফল্যের পেছনে জড়িয়ে রয়েছে এক আবেগঘন মানবিক গল্প। ইয়াজিদি ও কুর্দি বংশোদ্ভূত এই ফুটবলার বিশ্বমঞ্চে এমন দুটি জনগোষ্ঠীর প্রতিনিধিত্ব করছেন, যাদের নিজস্ব কোনো দেশ বা ফুটবল দল হিসেবে বিশ্বকাপে খেলার বাস্তব কোনো সুযোগ নেই। 

গ্রুপ পর্বে জার্মানির হয়ে বদলি খেলোয়াড় হিসেবে মাঠে নেমে উন্দাভ নিজে ৩টি গোল করেছেন এবং সতীর্থদের দিয়ে আরও ২টি গোল করিয়েছেন। যার ফলে গোল ও অ্যাসিস্টের দিক থেকে তিনি লিওনেল মেসি, কিলিয়ান এমবাপ্পে এবং ভিনিসিয়ুস জুনিয়রের মতো মহাতারকাদের ঠিক পেছনেই অবস্থান করছেন। 

নিজে জার্মানিতে জন্মগ্রহণ করলেও উন্দাভ মূলত এক ইয়াজিদি শরণার্থী দম্পতির সন্তান। তার এই বৈশ্বিক সাফল্য উদযাপিত হচ্ছে যুগের পর যুগ ধরে নিপীড়ন, সহিংসতা ও বাস্তুচ্যুতির শিকার হওয়া একটি সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ঘরে ঘরে। বিশেষ করে ২০১৪ সালে ইরাকের সিঞ্জার অঞ্চলে জঙ্গি গোষ্ঠী আইএস (ইসলামিক স্টেট) কর্তৃক হাজার হাজার ইয়াজিদি মানুষকে হত্যা ও অপহরণের যে নৃশংসতা চলেছিল, সেই ক্ষত বুকে নিয়েই উন্দাভের এই উত্থানকে দেখছে তার শেকড়ের মানুষেরা। 

গত বুধবার এক সংবাদ সম্মেলনে উন্দাভ জানান, তার এই পারফরম্যান্স যেন বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে থাকা সমস্ত ফুটবল ভক্তদের, বিশেষ করে ইয়াজিদি সম্প্রদায়কে অনুপ্রাণিত করে। 

আবেগাপ্লুত হয়ে এই জার্মান ফুটবলার বলেন, ‘বাবা-মায়ের কাছ থেকে সবসময় খবর পাই যে আমাদের সম্প্রদায়ের মানুষ আমাকে কীভাবে দেখছে, কতটা ভালোবাসছে। এটা আমাকে ভীষণ গর্বিত করে। অবশেষে আমাদের নিজেদের বলার মতো কেউ একজন বিশ্বমঞ্চে দাঁড়িয়েছে।’ 

সিরিয়ার উত্তর-পূর্বাঞ্চলের খিরবেত আল-গাজাল গ্রামে বৃহস্পতিবার রাতে জার্মানি বনাম ইকুয়েডরের ম্যাচটি দেখতে জড়ো হয়েছিলেন একদল ইয়াজিদি মানুষ। স্থানীয় নেতা ইসমাইল দালাফের বাড়িতে বসে তারা উপভোগ করেন উন্দাভের যাদু। এই গ্রামের অনেকেই উন্দাভের মায়ের আত্মীয়। সিরিয়ার গৃহযুদ্ধের কারণে বা অর্থনৈতিক সংকটে পড়ে এই অঞ্চলের বহু মানুষ একসময় দেশ ছাড়তে বাধ্য হয়েছিলেন।

সমাজকর্মী ইসমাইল দালাফ বলেন, ‘বিশ্বকাপে উন্দাভের এই পারফরম্যান্স তাকে আমাদের কাছে একটি প্রতীকে পরিণত করেছে। সে প্রমাণ করেছে যে, শত প্রতিকূলতার মাঝেও ইয়াজিদিরা সর্বোচ্চ শিখরে পৌঁছাতে পারে এবং বিশ্বজুড়ে সম্মান আদায় করে নিতে পারে।’ 

বিষয় : ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো ফুটবল বিশ্বকাপ ২০২৬ লিওনেল মেসি জার্মানি ফুটবল দল

The Campus Times online

মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬


র‍্যাঙ্কিংয়ের দুইয়ে মেসি, ৭৯-এ রোনালদো!

প্রকাশের তারিখ : ৩০ জুন ২০২৬

featured Image

এবারের গ্রুপ পর্বে ফুটবল বিশ্বের বাঘা বাঘা তারকাদের ছাপিয়ে একক আধিপত্য দেখিয়েছেন আর্জেন্টিনার মহানায়ক লিওনেল মেসি। ৩ ম্যাচে ৬ গোল করে তিনি টুর্নামেন্টে যেন বুড়ো হাড়ের ভেলকি দেখাচ্ছেন। এর মধ্য দিয়ে ফুটবল বিশ্বকাপের ইতিহাসে সর্বোচ্চ ১৯টি গোল করার অনন্য ও ঐতিহাসিক কীর্তি গড়েছেন এই কিংবদন্তি। 

বিশ্ব ফুটবলে এক যুগেরও বেশি সময় ধরে রাজত্ব করা ৩৯ বছর বয়সি এই ফুটবলারের গোলসংখ্যা বর্তমান বিশ্বের সেরা তিন তরুণ তুর্কি—কিলিয়ান এমবাপে (৪ গোল), ভিনিসিয়ুস জুনিয়র (৪ গোল) এবং আর্লিং হালান্ডের (৪ গোল) চেয়েও বেশি। 

মাঠের পারফরম্যান্সের ডাটা বা উপাত্তের ওপর ভিত্তি করে ফিফা এবার চালু করেছে নতুন খেলোয়াড় মূল্যায়ন পদ্ধতি ‘পাওয়ার র‍্যাঙ্কিং’। তবে অবাক করার বিষয়, গ্রুপ পর্ব শেষে এবং রাউন্ড অব ৩২ শুরুর আগে প্রকাশ পাওয়া এই তালিকায় দেখা যায়, ৬ গোল করলেও আউটফিল্ড খেলোয়াড়দের মধ্যে এক নম্বরে নেই আর্জেন্টিনা অধিনায়ক। এমনকি কিলিয়ান এমবাপ্পে বা ভিনিসিয়ুস জুনিয়রও শীর্ষস্থানে জায়গা করে নিতে পারেননি। 

ফিফার নিয়ম অনুযায়ী, এই পাওয়ার র‍্যাঙ্কিং মূলত পুরো টুর্নামেন্টে একজন খেলোয়াড়ের ম্যাচ প্রতি পারফরম্যান্সের সামগ্রিক মূল্যায়ন। এখানে আউটফিল্ড খেলোয়াড়দের তিনটি ক্যাটাগরিতে (আক্রমণ, সৃজনশীলতা এবং রক্ষণভাগ) ০ থেকে ১০-এর স্কেলে স্কোর দেওয়া হয়। (গোলরক্ষকদের ক্ষেত্রে বল পজেশন ও গোল বাঁচানোর দক্ষতার ওপর নম্বর দেওয়া হয়)। 

ফিফার সর্বশেষ এই পাওয়ার র‍্যাঙ্কিংয়ে সবাইকে চমকে দিয়ে ১ নম্বর স্থানটি দখল করেছেন জার্মানির দেনিজ উন্দাভ। রাউন্ড অব ৩২-র খেলায় প্যারাগুয়ের বিপক্ষে পেনাল্টি শ্যুটআউটে হেরে জার্মানি বিদায় নিলেও ভিএফবি স্টুটগার্টের এই তারকা উইঙ্গার আক্রমণভাগে ৮.৩৬, সৃজনশীলতায় ৬.৭৮ এবং রক্ষণে ৪.৭ স্কোর পেয়ে শীর্ষে স্থান করে নিয়েছেন। 

অপরদিকে, ৮.৩৪ (আক্রমণ), ৬.৪৩ (সৃজনশীলতা) এবং ৫.১৪ (রক্ষণ) স্কোর নিয়ে তালিকার ২ নম্বরে রয়েছেন লিওনেল মেসি।

এছাড়া ফ্রান্সের কিলিয়ান এমবাপ্পে (৮.১৩, ৭.২৫, ৪.৫৯) এবং ব্রাজিলের ভিনিসিয়ুস জুনিয়র (৭.৯২, ৬.৩) যথাক্রমে তৃতীয় ও চতুর্থ স্থানে রয়েছেন। অন্যদিকে পর্তুগালের ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো ৫.৭২, ৪.৯৮ ও ৪.৭৪ স্কোর নিয়ে তালিকার ৭৯ নম্বরে অবস্থান করছেন। 

আরও পড়ুনআরও পড়ুন২৪ বছর পর নকআউট ম্যাচে পিছিয়ে পড়েও জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ল ব্রাজিল

বিশ্বকাপের বিস্ময় তারকা দেনিজ উন্দাভ 

জার্মানির মতো শক্তিশালী দলের হয়ে এবারের বিশ্বকাপের অন্যতম বড় চমক হয়ে এসেছিলেন ২৯ বছর বয়সি স্ট্রাইকার দেনিজ উন্দাভ। তবে তার এই সাফল্যের পেছনে জড়িয়ে রয়েছে এক আবেগঘন মানবিক গল্প। ইয়াজিদি ও কুর্দি বংশোদ্ভূত এই ফুটবলার বিশ্বমঞ্চে এমন দুটি জনগোষ্ঠীর প্রতিনিধিত্ব করছেন, যাদের নিজস্ব কোনো দেশ বা ফুটবল দল হিসেবে বিশ্বকাপে খেলার বাস্তব কোনো সুযোগ নেই। 

গ্রুপ পর্বে জার্মানির হয়ে বদলি খেলোয়াড় হিসেবে মাঠে নেমে উন্দাভ নিজে ৩টি গোল করেছেন এবং সতীর্থদের দিয়ে আরও ২টি গোল করিয়েছেন। যার ফলে গোল ও অ্যাসিস্টের দিক থেকে তিনি লিওনেল মেসি, কিলিয়ান এমবাপ্পে এবং ভিনিসিয়ুস জুনিয়রের মতো মহাতারকাদের ঠিক পেছনেই অবস্থান করছেন। 

নিজে জার্মানিতে জন্মগ্রহণ করলেও উন্দাভ মূলত এক ইয়াজিদি শরণার্থী দম্পতির সন্তান। তার এই বৈশ্বিক সাফল্য উদযাপিত হচ্ছে যুগের পর যুগ ধরে নিপীড়ন, সহিংসতা ও বাস্তুচ্যুতির শিকার হওয়া একটি সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ঘরে ঘরে। বিশেষ করে ২০১৪ সালে ইরাকের সিঞ্জার অঞ্চলে জঙ্গি গোষ্ঠী আইএস (ইসলামিক স্টেট) কর্তৃক হাজার হাজার ইয়াজিদি মানুষকে হত্যা ও অপহরণের যে নৃশংসতা চলেছিল, সেই ক্ষত বুকে নিয়েই উন্দাভের এই উত্থানকে দেখছে তার শেকড়ের মানুষেরা। 

গত বুধবার এক সংবাদ সম্মেলনে উন্দাভ জানান, তার এই পারফরম্যান্স যেন বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে থাকা সমস্ত ফুটবল ভক্তদের, বিশেষ করে ইয়াজিদি সম্প্রদায়কে অনুপ্রাণিত করে। 

আবেগাপ্লুত হয়ে এই জার্মান ফুটবলার বলেন, ‘বাবা-মায়ের কাছ থেকে সবসময় খবর পাই যে আমাদের সম্প্রদায়ের মানুষ আমাকে কীভাবে দেখছে, কতটা ভালোবাসছে। এটা আমাকে ভীষণ গর্বিত করে। অবশেষে আমাদের নিজেদের বলার মতো কেউ একজন বিশ্বমঞ্চে দাঁড়িয়েছে।’ 

সিরিয়ার উত্তর-পূর্বাঞ্চলের খিরবেত আল-গাজাল গ্রামে বৃহস্পতিবার রাতে জার্মানি বনাম ইকুয়েডরের ম্যাচটি দেখতে জড়ো হয়েছিলেন একদল ইয়াজিদি মানুষ। স্থানীয় নেতা ইসমাইল দালাফের বাড়িতে বসে তারা উপভোগ করেন উন্দাভের যাদু। এই গ্রামের অনেকেই উন্দাভের মায়ের আত্মীয়। সিরিয়ার গৃহযুদ্ধের কারণে বা অর্থনৈতিক সংকটে পড়ে এই অঞ্চলের বহু মানুষ একসময় দেশ ছাড়তে বাধ্য হয়েছিলেন।

সমাজকর্মী ইসমাইল দালাফ বলেন, ‘বিশ্বকাপে উন্দাভের এই পারফরম্যান্স তাকে আমাদের কাছে একটি প্রতীকে পরিণত করেছে। সে প্রমাণ করেছে যে, শত প্রতিকূলতার মাঝেও ইয়াজিদিরা সর্বোচ্চ শিখরে পৌঁছাতে পারে এবং বিশ্বজুড়ে সম্মান আদায় করে নিতে পারে।’ 



The Campus Times online

সাধারণ সম্পাদক: মোঃ সেলিম রেজা
প্রকাশক: মোঃ সেলিম রেজা (বিএ, অনার্স, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়)

কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত ক্যাম্পাস টাইমস অনলাইন
র‍্যাঙ্কিংয়ের দুইয়ে মেসি, ৭৯-এ রোনালদো!
0:00 0:00
1.0x