প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০১৫ সালে পিত্তথলিতে ১১ সেন্টিমিটারের একটি পাথর ধরা পড়ে দিলজিতের। পিত্তথলিতে এমন সমস্যা যন্ত্রণার। দীর্ঘ সময় এটি শরীরে থাকলে ইনফেকশনসহ নানা জটিলতা দেখা দিতে পারে। তাই চিকিৎসক ও কাছের মানুষরা গায়ককে অস্ত্রোপচারের কথা বলেন। তবে অভিনেতা এতেও রাজি হননি।
গায়ক বলেন, আমাকে সকলেই বলেছিলেন অস্ত্রোপচার করিয়ে নিতে। কিন্তু পিত্তথলিতে পাথরের জন্য আমার কোনও সমস্যা হচ্ছে না। তাই শুধু শুধু কেন অস্ত্রোপচার করাবো?
আমার বিশ্বাস, ওই জিনিসটা চলে গিয়েছে উল্লেখ করে দিলজিৎ বলেন, কিন্তু তার পরও নিজের সুবিধার্থে ওষুধটা সঙ্গে নিয়ে ঘুরি। যদিও ব্যবহার করতে হয় না। আমি আমার পরিবারকে বলিনি, বন্ধুদের বলিনি, কাউকেই বলিনি-এটা গোপনই ছিল যা আপনাদের সঙ্গে ভাগ করে নিলাম।
সুস্থতার পাশাপাশি জীবনের এক গভীর দর্শন নিয়েও কথা বলেন দিলজিৎ। তিনি জানান, তার শৈশব কেটেছে চরম অভাব ও দারিদ্রের মধ্যে। সেই কারণেই একটা সময় শুধু টাকার পেছনে অন্ধের মতো ছুটেছিলেন। কিন্তু আজ সাফল্যের চূড়ায় দাঁড়িয়ে তার উপলব্ধি সম্পূর্ণ আলাদা।
অর্থ সম্পর্কে নিজের নতুন চিন্তাধারা শেয়ার করে দিলজিৎ বলেন, দিনশেষে এই টাকা তো এখানেই পড়ে থাকবে। কেউ তো আর মৃত্যুর পর সঙ্গে করে টাকা নিয়ে যেতে পারবে না। আমি জানি, এখন অনেকে বলবেন যে পকেটে টাকা থাকলে এই ধরনের কথা বলা সহজ, আমি সেটা বুঝি। কিন্তু এটাও তো সত্যি যে, পৃথিবীর অধিকাংশ অশান্তি আর ক্ষমতার লড়াইয়ের মূলে রয়েছে এই অর্থ।