প্রিন্ট এর তারিখ : ২৫ জুলাই ২০২৬ ||
প্রকাশের তারিখ : ২৫ জুলাই ২০২৬
লন্ডনের হোটেলকক্ষে সৌদি রাজপুত্রের মরদেহ, মৃত্যুর কারণ মাত্রাতিরিক্ত মাদক
আন্তর্জাতিক ডেস্ক ||
গত বছরের ১৯ নভেম্বর পশ্চিম লন্ডনের কেনসিংটনে অবস্থিত ম্যারিয়ট হোটেলের প্রতি রাতে ৬০০ পাউন্ড ভাড়ার ওই হোটেলকক্ষে উঠেছিলেন সৌদি যুবরাজ। এর আগে তিনি লন্ডনের প্রাইওরি ক্লিনিকে মাদক ও অ্যালকোহলাসক্তি নিরাময়ের চিকিৎসা নিয়েছিলেন। এরপর ২৫ নভেম্বর বাথরুম থেকে তাঁর মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
সম্প্রতি ইনার ওয়েস্ট লন্ডন করোনার্স কোর্টে আয়োজিত শুনানিতে এসব তথ্য জানানো হয়।
সিসিটিভি ফুটেজ পরীক্ষা করে মৃত্যুর আগের দিন সন্ধ্যায় তাঁকে শেষবারের মতো হোটেলের বাইরে গিয়ে সিগারেট খেতে দেখা যায়। পরদিন এক পরিচ্ছন্নতাকর্মী হোটেলের পঞ্চম তলার ওই কক্ষটির তালা খুলে ভেতরে ঢোকেন এবং বাথরুমের মেঝেতে পোশাক পরিহিত অবস্থায় তাঁর মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। এরপর হোটেলের নিরাপত্তাকর্মী ও অ্যাম্বুলেন্স ডাকা হয়। তবে চেষ্টা করেও তাঁর জ্ঞান ফেরানো সম্ভব হয়নি। পরে তাঁকে মৃত ঘোষণা করা হয়।
সৌদি যুবরাজের শরীরে স্বাভাবিকের চেয়ে তিন গুণ বেশি অ্যালকোহল ছিল। এর সঙ্গে তিনি ‘পার্টি ড্রাগ’ নামে পরিচিত জিএইচবি মাদক গ্রহণ করেছিলেন।
আদালতে পেশ করা প্রতিবেদনে বলা হয়, সৌদি প্রিন্সের শরীরে প্রতি ১০০ মিলিলিটার রক্তে অ্যালকোহলের মাত্রা ছিল ২২২ মিলিগ্রাম। যুক্তরাজ্যে মদ্যপ অবস্থায় গাড়ি চালানোর আইনি সীমা প্রতি ১০০ মিলিলিটারে ৮০ মিলিগ্রাম। তাঁর শরীরে অ্যালকোহলের মাত্রা এতটাই বেশি ছিল যে, তাতে সংজ্ঞাহীন বা কোমায় যাওয়ার প্রবল ঝুঁকি থাকে।
এ ছাড়া তাঁর শরীরে বিপজ্জনক মাত্রায় পার্টি ড্রাগ ‘গামা-হাইড্রক্সিবিউটারেট’ (জিএইচবি) পাওয়া যায়। পাশাপাশি গাঁজা, উদ্বেগ কমানোর ওষুধ অ্যালপ্রাজোলাম, যা জ্যানাক্স নামে বেশি পরিচিত এবং আরও কিছু উদ্বেগনাশক ওষুধের উপস্থিতি পাওয়া গেছে।
আদালতকে জানানো হয়, সৌদি যুবরাজ দীর্ঘদিন ধরে অ্যালকোহল ও জ্যানাক্স সেবনের আসক্তিতে ভুগছিলেন।
সাধারণ সম্পাদক: মোঃ সেলিম রেজা
প্রকাশক: মোঃ সেলিম রেজা (বিএ, অনার্স, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়)
কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত ক্যাম্পাস টাইমস অনলাইন