ইয়েমেনের তথ্যমন্ত্রী মোয়াম্মার আল-রিয়ানির মতে, এটি অত্যন্ত বিপজ্জনক উসকানি হতে যাচ্ছে। পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হলে বিশ্বের কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ জলপথটি সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর তহবিলের উৎসে পরিণত হবে।
আল-রিয়ানির এই দাবির বিপরীতে হুতিদের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক মন্তব্য পাওয়া যায়নি।
হুতিদের সমর্থনকারী ইরানও যুদ্ধ শুরুর পর থেকে হরমুজ প্রণালিতে ফি আরোপের চেষ্টা চালাচ্ছে। এই বিরোধের জেরে যুদ্ধবিরতি ভেঙে ইরানের বিভিন্ন স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। অন্যদিকে হরমুজে অচলাবস্থা দীর্ঘায়িত হওয়ায় সৌদি আরব তাদের তেল রপ্তানির কার্যক্রম লোহিত সাগরের উপকূলবর্তী ইয়ানবু বন্দরে স্থানান্তর করে। এরপর হুতিরা সৌদির বন্দরগুলোর ওপর অবরোধের ঘোষণা দেয়।
মঙ্গলবার লোহিত সাগরে সৌদির একটি তেলবাহী ট্যাংকার লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়ে হুতিরা। রিয়াদ তাৎক্ষণিকভাবে এর প্রতিক্রিয়া দেখায়নি। তবে বুধবার ইরাকে ইরান সমর্থিত গোষ্ঠীর ঘাঁটি লক্ষ্য করে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যৌথভাবে হামলা করেছে সৌদি আরব।
অভিযানটির কারণ হিসেবে ওয়াশিংটন ও রিয়াদ জানিয়েছে, এটি মার্কিন বাহিনী আর সৌদির তেল স্থাপনায় হামলার জবাব।