সালমান শাহর মামা আলমগীর কুমকুম জানান, ‘সালমান শাহকে হত্যা করা হয়েছে। এই মামলায় তার বাসার পরিচারিকা ডলি, মনোয়ারা ও আবুলের সাক্ষ্য নেওয়া হয়নি। তাদের গ্রেফতার করে জিজ্ঞাসাবাদ করলেই হত্যার মূল রহস্য বের হয়ে আসবে। অথচ পুলিশ বলছে, সালমান শাহ আত্মহত্যা করেছেন।’
কুমকুম বলেন, ‘এই মামলায় পুলিশ সালমান শাহর বন্ধু ও মিডিয়ার অনেকের সাক্ষ্য নিয়েছে। বাসার পরিচারিকা ডলি, মনোয়ারা ও আবুলকে জিজ্ঞাসাবাদ করেনি পুলিশ। বিষয়টি আমার কাছে রহস্যজনক। এতে মনে হয় হত্যার রহস্য ধামাচাপা দেওয়া হয়েছে। আমার প্রশ্ন- আবুল ডলি মনোয়ারাকে কেন গ্রেফতার করা হয় না?’
সালমান শাহর হত্যা মামলার বাদী আলমগীর কুমকুম আরও বলেন, আদালতে জবানবন্দিতে ডন বলেছেন, ‘সালমান শাহ যেদিন মারা যান। সেদিন হরতাল ছিল, এজন্য তিনি তার জানাজায় অংশ নিতে পারেননি। এরপর তিনি সিলেটে মাজারে যান। সেখানে গিয়ে প্রিয় বন্ধুর মাকে দেখতে যায়নি ডন। বন্ধু হলে এমন হওয়ার কথা নয়।’
গতকাল রোববার সকালে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ইমিগ্রেশন পুলিশ ডনকে গ্রেফতার করে। পরে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) কাছে হস্তান্তর করা হয়। তিনি সালমান শাহ হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত আসামি। বিকেলে তাকে আদালতে হাজির করা হয়। এরপর ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জুয়েল রানার আদালত ডনকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
আদালতে সিআইডির আবেদনে বলা হয়, ডনসহ অন্য আসামিরা পরিকল্পিতভাবে সালমান শাহকে হত্যা করেছে বলে বাদী এজাহারে বলেছে। মামলার তদন্ত চলছে। এ আসামি দীর্ঘদিন পলাতক ছিলেন। ডনকে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করা হয়েছে।
প্রসঙ্গত, ১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর রাজধানীর নিউ ইস্কাটনের বাসা থেকে চিত্রনায়ক সালমান শাহর লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।