ঢাকা    মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট ২০২৬, ২৭ শ্রাবণ ১৪৩৩
The Campus Times online

পিরোজপুরের নেছারাবাদ (স্বরূপকাঠি) উপজেলার মৈশানী বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ১২ জন শিক্ষার্থী এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়ে মাত্র একজন উত্তীর্ণ হয়েছে। ওই বিদ্যালয়ে ১১ জন শিক্ষক কর্মরত থাকার পরও এমন শোচনীয় ফলাফলে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন অভিভাবকরা।

১২ পরীক্ষার্থীর জন্য ১১ শিক্ষক, পাশ এক শিক্ষার্থী



১২ পরীক্ষার্থীর জন্য ১১ শিক্ষক, পাশ এক শিক্ষার্থী

এর আগে ২০২৫ সালের এসএসসি পরীক্ষায়ও বিদ্যালয়টি থেকে আটজন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিয়ে মাত্র একজন পাশ করেছিল।

অভিভাবকদের অভিযোগ, বছরের পর বছর বিদ্যালয়টির শিক্ষার মান নিম্নগামী হচ্ছে। শিক্ষার্থীদের নিয়মিত ক্লাশে উপস্থিতি যেমন কম, তেমনি শিক্ষকদের উপস্থিতি ও পাঠদান নিয়েও রয়েছে নানা প্রশ্ন। কাগজ-কলমে বিদ্যালয়ে অর্ধশতাধিক শিক্ষার্থীর কথা বলা হলেও বাস্তবে নিয়মিত ১৫-২০ জনের বেশি শিক্ষার্থীকে ক্লাশে দেখা যায় না।

বিদ্যালয়টিতে গত এক যুগেরও বেশি সময় ধরে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক দিয়ে পরিচালিত হয়ে আসছে। বর্তমানে ১১ জন শিক্ষক, একজন ক্লার্ক ও একজন চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী রয়েছেন। শিক্ষক-কর্মচারী মিলিয়ে মোট ১৩ জন। তাদের বেতন-ভাতা বাবদ সরকারের প্রতি মাসে তিন লাখ টাকারও বেশি ব্যয় হচ্ছে বলে বিদ্যালয় সূত্র জানিয়েছে।

বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষিকা পর্ষিয়া রানী হালদার বলেন, চলতি বছর বিদ্যালয় থেকে ১২ জন শিক্ষার্থী এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়েছে। তাদের মধ্যে একজন পাশ করেছে। গত বছর আটজন পরীক্ষা দিয়ে একজন পাশ করেছিল।

এ বছর পাশ করা শিক্ষার্থীর নাম ও কোন গ্রেডে পাশ করেছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এখন মনে নেই, পরে জানাব।

১১ জন শিক্ষক থাকার পরও ১২ জন শিক্ষার্থীর মধ্যে মাত্র একজন পাশ করায় তিনি দুঃখিত কিনা, এমন প্রশ্নের জবাবে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষিকা বলেন, দুঃখ কিসের। শিক্ষার্থীদের চেষ্টা করেও স্কুলে আনা যাচ্ছে না। তারা ঠিকমতো না পড়লে আমাদের দোষ কী?

বিষয় : এসএসসি পরীক্ষার ফল ২০২৬

The Campus Times online

মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট ২০২৬


১২ পরীক্ষার্থীর জন্য ১১ শিক্ষক, পাশ এক শিক্ষার্থী

প্রকাশের তারিখ : ১০ আগস্ট ২০২৬

featured Image

এর আগে ২০২৫ সালের এসএসসি পরীক্ষায়ও বিদ্যালয়টি থেকে আটজন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিয়ে মাত্র একজন পাশ করেছিল।

অভিভাবকদের অভিযোগ, বছরের পর বছর বিদ্যালয়টির শিক্ষার মান নিম্নগামী হচ্ছে। শিক্ষার্থীদের নিয়মিত ক্লাশে উপস্থিতি যেমন কম, তেমনি শিক্ষকদের উপস্থিতি ও পাঠদান নিয়েও রয়েছে নানা প্রশ্ন। কাগজ-কলমে বিদ্যালয়ে অর্ধশতাধিক শিক্ষার্থীর কথা বলা হলেও বাস্তবে নিয়মিত ১৫-২০ জনের বেশি শিক্ষার্থীকে ক্লাশে দেখা যায় না।

বিদ্যালয়টিতে গত এক যুগেরও বেশি সময় ধরে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক দিয়ে পরিচালিত হয়ে আসছে। বর্তমানে ১১ জন শিক্ষক, একজন ক্লার্ক ও একজন চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী রয়েছেন। শিক্ষক-কর্মচারী মিলিয়ে মোট ১৩ জন। তাদের বেতন-ভাতা বাবদ সরকারের প্রতি মাসে তিন লাখ টাকারও বেশি ব্যয় হচ্ছে বলে বিদ্যালয় সূত্র জানিয়েছে।

বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষিকা পর্ষিয়া রানী হালদার বলেন, চলতি বছর বিদ্যালয় থেকে ১২ জন শিক্ষার্থী এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়েছে। তাদের মধ্যে একজন পাশ করেছে। গত বছর আটজন পরীক্ষা দিয়ে একজন পাশ করেছিল।

এ বছর পাশ করা শিক্ষার্থীর নাম ও কোন গ্রেডে পাশ করেছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এখন মনে নেই, পরে জানাব।

১১ জন শিক্ষক থাকার পরও ১২ জন শিক্ষার্থীর মধ্যে মাত্র একজন পাশ করায় তিনি দুঃখিত কিনা, এমন প্রশ্নের জবাবে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষিকা বলেন, দুঃখ কিসের। শিক্ষার্থীদের চেষ্টা করেও স্কুলে আনা যাচ্ছে না। তারা ঠিকমতো না পড়লে আমাদের দোষ কী?


The Campus Times online

সাধারণ সম্পাদক: মোঃ সেলিম রেজা
প্রকাশক: মোঃ সেলিম রেজা (বিএ, অনার্স, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়)

কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত ক্যাম্পাস টাইমস অনলাইন
১২ পরীক্ষার্থীর জন্য ১১ শিক্ষক, পাশ এক শিক্ষার্থী
0:00 0:00
1.0x