ঢাকা    মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট ২০২৬, ২৭ শ্রাবণ ১৪৩৩
The Campus Times online

পাঁচজন পরীক্ষার্থী, অথচ পাস করেনি একজনও। কোথাও ২১ জন শিক্ষক থাকার পরও একজন শিক্ষার্থীও উত্তীর্ণ হয়নি। এবারের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফলে বগুড়ার নয়টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের চিত্র এমনই। এসব প্রতিষ্ঠানের সব পরীক্ষার্থীই ফেল করেছে।

বগুড়ার ৯ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সবাই ফেল, কারণ খুঁজতে ইউএনওদের নির্দেশ



বগুড়ার ৯ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সবাই ফেল, কারণ খুঁজতে ইউএনওদের নির্দেশ

শূন্য পাসের তালিকায় থাকা নয়টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে আটটি দাখিল মাদ্রাসা এবং একটি কারিগরি প্রতিষ্ঠান। ফল বিপর্যয়ের কারণ অনুসন্ধানে সংশ্লিষ্ট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের (ইউএনও) নির্দেশ দিয়েছে জেলা প্রশাসন।

আজ সোমবার এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রকাশের পর বগুড়ার এসব প্রতিষ্ঠানের ফলাফল সামনে আসে।

জেলা শিক্ষা বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, শূন্য পাসের তালিকায় রয়েছে গাবতলী উপজেলার কামারচট্ট বাঠাতন নেছা আলিম মাদ্রাসা, শিবগঞ্জ উপজেলার বালা বত্রিশ দাখিল মাদ্রাসা, ধাড়িয়া গাংগইট দাখিল মাদ্রাসা ও দুদাহার রহমানিয়া দাখিল মাদ্রাসা। এ ছাড়া শেরপুর উপজেলার কল্যাণী বালিকা দাখিল মাদ্রাসা ও মধ্যভাগ বালিকা দাখিল মাদ্রাসা, ধুনট উপজেলার হাজী কাজেম জোবেদা টেকনিক্যাল বিএম কলেজ এবং রাঙ্গামাটি বালিকা দাখিল মাদ্রাসা এবং সোনাতলা উপজেলার তেকানী চুকাইনগর পিএম দাখিল মাদ্রাসার কোনো পরীক্ষার্থীই এবার পাস করতে পারেনি।

গাবতলীর কামারচট্ট বাঠাতন নেছা আলিম মাদ্রাসার সুপার আব্দুল জলিল বলেন, ‘আমার ৫০ বছরের কর্মজীবনে এটি সবচেয়ে দুর্বল ব্যাচ। শিক্ষার্থীদের ভালো ফলের জন্য অনেক চেষ্টা করেছি। এক বা দুটি বিষয়ে ফেল করায় কেউ পাস করতে পারেনি।’

আব্দুল জলিল জানান, ওই মাদ্রাসায় ২১ জন শিক্ষক রয়েছেন। এত শিক্ষক থাকার পরও এমন ফল কেন হলো, সেটি তাঁরাও বুঝতে পারছেন না।

শিবগঞ্জের বালা বত্রিশ দাখিল মাদ্রাসার সুপার জুয়েলুর রহমান বলেন, এবার তাঁর প্রতিষ্ঠান থেকে পাঁচজন শিক্ষার্থী দাখিল পরীক্ষায় অংশ নেয়। তাদের কেউ পাস করেনি। তিনি বলেন, প্রতিষ্ঠানটি নন-এমপিওভুক্ত। শিক্ষার্থীদের অনিয়মিত উপস্থিতি ও পড়াশোনায় অনাগ্রহের কারণে ফল খারাপ হয়ে থাকতে পারে।

বগুড়ার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) সালমা আক্তার বলেন, নয়টি প্রতিষ্ঠানের ফল বিপর্যয়ের কারণ খুঁজে দেখা হবে। প্রতিষ্ঠানপ্রধানদের সঙ্গে কথা বলে বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে। ইতিমধ্যে সংশ্লিষ্ট ইউএনওদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

সালমা আক্তার বলেন, ‘প্রতিষ্ঠানগুলোতে শিক্ষক সংকট আছে কি না, কিংবা অন্য কোনো সহযোগিতার প্রয়োজন রয়েছে কি না, সেগুলোও দেখা হবে। কারণ চিহ্নিত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

বিষয় : বগুড়া এসএসসি পরীক্ষা ইউএনও

The Campus Times online

মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট ২০২৬


বগুড়ার ৯ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সবাই ফেল, কারণ খুঁজতে ইউএনওদের নির্দেশ

প্রকাশের তারিখ : ১০ আগস্ট ২০২৬

featured Image

শূন্য পাসের তালিকায় থাকা নয়টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে আটটি দাখিল মাদ্রাসা এবং একটি কারিগরি প্রতিষ্ঠান। ফল বিপর্যয়ের কারণ অনুসন্ধানে সংশ্লিষ্ট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের (ইউএনও) নির্দেশ দিয়েছে জেলা প্রশাসন।

আজ সোমবার এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রকাশের পর বগুড়ার এসব প্রতিষ্ঠানের ফলাফল সামনে আসে।

জেলা শিক্ষা বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, শূন্য পাসের তালিকায় রয়েছে গাবতলী উপজেলার কামারচট্ট বাঠাতন নেছা আলিম মাদ্রাসা, শিবগঞ্জ উপজেলার বালা বত্রিশ দাখিল মাদ্রাসা, ধাড়িয়া গাংগইট দাখিল মাদ্রাসা ও দুদাহার রহমানিয়া দাখিল মাদ্রাসা। এ ছাড়া শেরপুর উপজেলার কল্যাণী বালিকা দাখিল মাদ্রাসা ও মধ্যভাগ বালিকা দাখিল মাদ্রাসা, ধুনট উপজেলার হাজী কাজেম জোবেদা টেকনিক্যাল বিএম কলেজ এবং রাঙ্গামাটি বালিকা দাখিল মাদ্রাসা এবং সোনাতলা উপজেলার তেকানী চুকাইনগর পিএম দাখিল মাদ্রাসার কোনো পরীক্ষার্থীই এবার পাস করতে পারেনি।

গাবতলীর কামারচট্ট বাঠাতন নেছা আলিম মাদ্রাসার সুপার আব্দুল জলিল বলেন, ‘আমার ৫০ বছরের কর্মজীবনে এটি সবচেয়ে দুর্বল ব্যাচ। শিক্ষার্থীদের ভালো ফলের জন্য অনেক চেষ্টা করেছি। এক বা দুটি বিষয়ে ফেল করায় কেউ পাস করতে পারেনি।’

আব্দুল জলিল জানান, ওই মাদ্রাসায় ২১ জন শিক্ষক রয়েছেন। এত শিক্ষক থাকার পরও এমন ফল কেন হলো, সেটি তাঁরাও বুঝতে পারছেন না।

শিবগঞ্জের বালা বত্রিশ দাখিল মাদ্রাসার সুপার জুয়েলুর রহমান বলেন, এবার তাঁর প্রতিষ্ঠান থেকে পাঁচজন শিক্ষার্থী দাখিল পরীক্ষায় অংশ নেয়। তাদের কেউ পাস করেনি। তিনি বলেন, প্রতিষ্ঠানটি নন-এমপিওভুক্ত। শিক্ষার্থীদের অনিয়মিত উপস্থিতি ও পড়াশোনায় অনাগ্রহের কারণে ফল খারাপ হয়ে থাকতে পারে।

বগুড়ার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) সালমা আক্তার বলেন, নয়টি প্রতিষ্ঠানের ফল বিপর্যয়ের কারণ খুঁজে দেখা হবে। প্রতিষ্ঠানপ্রধানদের সঙ্গে কথা বলে বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে। ইতিমধ্যে সংশ্লিষ্ট ইউএনওদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

সালমা আক্তার বলেন, ‘প্রতিষ্ঠানগুলোতে শিক্ষক সংকট আছে কি না, কিংবা অন্য কোনো সহযোগিতার প্রয়োজন রয়েছে কি না, সেগুলোও দেখা হবে। কারণ চিহ্নিত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’


The Campus Times online

সাধারণ সম্পাদক: মোঃ সেলিম রেজা
প্রকাশক: মোঃ সেলিম রেজা (বিএ, অনার্স, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়)

কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত ক্যাম্পাস টাইমস অনলাইন
বগুড়ার ৯ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সবাই ফেল, কারণ খুঁজতে ইউএনওদের নির্দেশ
0:00 0:00
1.0x