অতিবৃষ্টিতে রেললাইনে পানি উঠে যাওয়ায় চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) দুটি শাটল ট্রেন ষোলশহর রেলস্টেশনে আটকে থাকার পর চলাচল স্বাভাবিক হয়েছে । সোমবার (১৭ আগস্ট) দুপুরে স্টেশন স্টেশন ইনচার্জ আরিফুল ইসলাম সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
ষোলশহর স্টেশনমাস্টার মো. মাঈন উদ্দিন জানান, চট্টগ্রাম বটতলা রেলস্টেশন থেকে সকাল ৭টা ১৫ মিনিট ও ৭টা ৪০ মিনিটে ছেড়ে আসা চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের দুটি শাটল ট্রেন ষোলশহর স্টেশনে এসে আটকে যায়। রেললাইনের ওপর এখনো প্রায় ৮ ইঞ্চি পানি রয়েছে। পানি না কমা পর্যন্ত ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক হওয়ার সম্ভাবনা নেই।
দীর্ঘ সময় ট্রেন দুটি আটকে থাকায় অধিকাংশ শিক্ষার্থী স্টেশন ছেড়ে চলে গেছেন। তবে কিছু শিক্ষার্থী এখনো ট্রেনের ভেতরে অবস্থান করছেন বলে জানান স্টেশনমাস্টার।
শাটল ট্রেন চলাচল বন্ধ থাকায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন শিক্ষার্থীরা। তাদের অভিযোগ, শাটল ট্রেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের প্রধান ও নির্ভরযোগ্য যাতায়াতের মাধ্যম হলেও ট্রেন বন্ধ থাকায় বিকল্প বাসের ব্যবস্থা করা হয়নি। এর মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ে ক্লাস ও পরীক্ষা চলমান থাকায় দুর্ভোগ আরও বেড়েছে।
চাকসুর যোগাযোগ ও আবাসনবিষয়ক সম্পাদক ওবায়দুল সালমান বলেন, শাটল ট্রেন বন্ধ থাকলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে ক্লাস ও পরীক্ষা বন্ধ রাখা উচিত। শিক্ষার্থীদের ক্যাম্পাসে যাতায়াতের অন্যতম প্রধান মাধ্যম শাটল ট্রেন। এটি বন্ধ থাকলে বিকল্প লোকাল পরিবহনে সব শিক্ষার্থীর পক্ষে ক্যাম্পাসে আসা সম্ভব নয়।
তিনি আরও বলেন, কিছু শিক্ষার্থী নানা ভোগান্তি পেরিয়ে ক্যাম্পাসে পৌঁছাতে পারলেও অনেকেই ইচ্ছা থাকা সত্ত্বেও আসতে পারবেন না। শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা চালিয়ে যাওয়ার নামে বৃহত্তর একটি অংশকে বঞ্চিত করার অধিকার প্রশাসনের নেই।