ঢাকা    মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬, ২ আষাঢ় ১৪৩৩
The Campus Times online

বিশ্বকাপের আমেজে জড়ো হওয়া হাজারো মানুষের মাঝে হঠাৎ এই মারামারি শুরু হলে মুহূর্তের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এবং সাধারণ পর্যটকরা প্রাণভয়ে দিগ্বিদিক ছুটে পালাতে শুরু করেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায় নিউইয়র্ক পুলিশ। ৩ লাখ ৯৩ হাজার ফলোয়ারের জনপ্রিয় এক্স (টুইটার) অ্যাকাউন্ট ‘ফুটবল অ্যাওয়ে ডেইজ’-এ এই সংঘর্ষের একটি ভিডিও পোস্ট করা হয় যা ইতোমধ্যেই ৪৫ হাজারেরও বেশি মানুষ দেখে ফেলেছেন। এবারের বিশ্বকাপের প্রথম বড় ধরনের ফ্যান-ভায়োলেন্স বা সমর্থক সহিংসতার ঘটনা হিসেবে ভিডিওটি বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে পড়েছে।

ম্যাচ শুরুর আগে আর্জেন্টিনা-আলজেরিয়া সমর্থকদের তুমুল সংঘর্ষ



ম্যাচ শুরুর আগে আর্জেন্টিনা-আলজেরিয়া সমর্থকদের তুমুল সংঘর্ষ
ছবি: সংগৃহীত

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর নিজেদের উদ্বোধনী ম্যাচের মাত্র কয়েক ঘণ্টা আগে নিউইয়র্কের টাইমস স্কয়ারে সহিংস সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েছেন আর্জেন্টিনা ও আলজেরিয়ার সমর্থকরা। সেমবার (১৫ জুন) দিবাগত রাতে বিশ্বের অন্যতম ব্যস্ত এবং জনপ্রিয় এই পর্যটন কেন্দ্রে দুই পক্ষের মধ্যে তুমুল কিল-ঘুষি ও লাথি ছোঁড়াছুঁড়ির ঘটনা ঘটে। 

বিশ্বকাপের আমেজে জড়ো হওয়া হাজারো মানুষের মাঝে হঠাৎ এই মারামারি শুরু হলে মুহূর্তের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এবং সাধারণ পর্যটকরা প্রাণভয়ে দিগ্বিদিক ছুটে পালাতে শুরু করেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায় নিউইয়র্ক পুলিশ। ৩ লাখ ৯৩ হাজার ফলোয়ারের জনপ্রিয় এক্স (টুইটার) অ্যাকাউন্ট ‘ফুটবল অ্যাওয়ে ডেইজ’-এ এই সংঘর্ষের একটি ভিডিও পোস্ট করা হয় যা ইতোমধ্যেই ৪৫ হাজারেরও বেশি মানুষ দেখে ফেলেছেন। এবারের বিশ্বকাপের প্রথম বড় ধরনের ফ্যান-ভায়োলেন্স বা সমর্থক সহিংসতার ঘটনা হিসেবে ভিডিওটি বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে পড়েছে।

গ্রুপ ‘জে’-এর উদ্বোধনী ম্যাচের আগে আর্জেন্টিনার সমর্থকরা তাদের ঐতিহ্যবাহী ‘বান্দেরাজো’ (ফিফা বা বড় টুর্নামেন্টের আগে পতাকা উড়িয়ে বিশাল গণজমায়েত) করার জন্য টাইমস স্কয়ারে জড়ো হয়েছিলেন। ফলে পুরো এলাকা নীল-সাদা পতাকায় ছেয়ে যায়। একই সময়ে সেখানে উল্লেখযোগ্য সংখ্যায় আলজেরিয়ার সমর্থকরাও উপস্থিত ছিলেন, যাদের সঙ্গে ফ্রান্স এবং সেনেগালের কিছু সমর্থকও যোগ দেন। একপর্যায়ে উৎসবমুখর এই পরিবেশ রূপ নেয় চরম উত্তেজনায়। 

আরও পড়ুনআরও পড়ুন৩০০ বিলিয়ন ডলারের তহবিল পাচ্ছে ইরান?

ফরাসি সংবাদমাধ্যম ‘ল্য পারিসিয়ান’-এর বরাত দিয়ে আর্জেন্টাইন গণমাধ্যম ‘ইনফোবাই’ জানিয়েছে, দুই দেশের সমর্থকরা একে অপরকে লক্ষ্য করে অশ্লীল অঙ্গভঙ্গি এবং আপত্তিকর স্লোগান দিতে শুরু করেন। মৌখিক এই বাগবিতণ্ডা দ্রুতই শারীরিক সংঘর্ষে রূপ নেয় এবং রাস্তা জুড়ে শুরু হয় উন্মুক্ত মারামারি। 

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ফুটেজে দেখা যায়, অপ্রাপ্তবয়স্ক এবং সাধারণ পথচারীরা ওপর থেকে ছুড়ে মারা বিভিন্ন বস্তু থেকে বাঁচতে দৌড়াদৌড়ি করছেন, আর কিছু মানুষ দুই পক্ষকে শান্ত করার চেষ্টা করছেন। স্প্যানিশ সংবাদমাধ্যম ‘দিয়ারিও এএস’ এই দৃশ্যকে একটি ‘উন্মুক্ত যুদ্ধক্ষেত্র’ হিসেবে আখ্যায়িত করেছে এবং এটিকে ‘বিশ্বকাপের প্রথম কুৎসিত ছবি’ বলে মন্তব্য করেছে।

ফরাসি সংবাদমাধ্যম ‘ল্য ফিগারো’ এবং ‘ইনফোবাই’ জানায়, সংঘর্ষ থামাতে পুলিশ দ্রুত ব্যবস্থা নেয় এবং বেশ কয়েকজন সমর্থককে গ্রেফতার করে। নিউইয়র্কের সবচেয়ে ব্যস্ততম স্থানে এই প্রকাশ্য মারামারির ঘটনাটি সত্যি হলেও, এখন পর্যন্ত পুলিশের পক্ষ থেকে কতজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে বা কতজন আহত হয়েছেন, তার কোনো আনুষ্ঠানিক পরিসংখ্যান প্রকাশ করা হয়নি। 

ইনফোবাই তাদের প্রতিবেদনে স্পষ্ট করে উল্লেখ করেছে, এই সংঘর্ষের আসল কারণ সম্পর্কে এখনো কোনো ‘অফিসিয়াল সংস্করণ’ বা আনুষ্ঠানিক বিবৃতি পাওয়া যায়নি। নিউইয়র্ক পুলিশ এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেয়নি এবং তাদের অভিযানের পূর্ণাঙ্গ বিবরণ এখনো স্পষ্ট নয়। তবে এই ঘটনা নিয়ে বিশ্বজুড়ে সমালোচনা শুরু হয়েছে। ভারতের শীর্ষস্থানীয় গণমাধ্যম ‘টাইমস অব ইন্ডিয়া’ তাদের শিরোনামে লিখেছে, ‘ফিফার জন্য কী এক লজ্জাজনক বিষয়!’ যা এই ঘটনার পর আন্তর্জাতিক মহলের ক্ষোভ ও হতাশার চিত্রটিই ফুটিয়ে তোলে।

বিশ্বকাপের শুরুর দিনগুলোতে টাইমস স্কয়ার মূলত প্রতিদ্বন্দ্বী দলগুলোর সমর্থকদের একটি অনানুষ্ঠানিক মিলনমেলায় পরিণত হয়েছিল। আন্তর্জাতিক সংবাদসংস্থা রয়টার্স এর আগে জানিয়েছিল, সেখানে ফ্রান্স, আর্জেন্টিনা এবং আলজেরিয়ার সমর্থকরা অত্যন্ত বন্ধুত্বপূর্ণ পরিবেশে একে অপরকে ছাড়িয়ে যাওয়ার স্লোগান দিচ্ছিল। কিন্তু কোনো আনুষ্ঠানিক ফ্যান-জোনের ব্যবস্থা না থাকায় এবং কঠোর নিরাপত্তা বেষ্টনী বা সমর্থকদের আলাদা করার কোনো গাইডলাইন না থাকায়, ঘনবসতিপূর্ণ এই শহুরে এলাকায় দুই পক্ষের মেলবন্ধন শেষ পর্যন্ত বিস্ফোরক রূপ নেয়। তা ছাড়া, আর্জেন্টিনা বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হিসেবে এই টুর্নামেন্টে প্রবেশ করায় প্রতিটি ম্যাচকে ঘিরে সমর্থকদের আবেগ ও মানসিক চাপ বহুগুণ বাড়িয়ে দিয়েছে।

আজ পূর্বদেশীয় সময় রাত ৯টায় কানসাস সিটির অ্যারোহেড স্টেডিয়ামে গ্রুপ জে-এর বহুল প্রতীক্ষিত ম্যাচে মুখোমুখি হতে যাচ্ছে আর্জেন্টিনা ও আলজেরিয়া।

টাইমস স্কয়ারের এই অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার পর এখন সবার নজর কর্তৃপক্ষ কীভাবে কানসাস সিটির ম্যাচের নিরাপত্তা নিশ্চিত করে এবং নিউইয়র্ক অঞ্চলের পরবর্তী ম্যাচগুলোতে দুই দেশের সমর্থকদের কীভাবে সামাল দেয় তার ওপর। 

বিষয় : নিউইয়র্ক

The Campus Times online

মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬


ম্যাচ শুরুর আগে আর্জেন্টিনা-আলজেরিয়া সমর্থকদের তুমুল সংঘর্ষ

প্রকাশের তারিখ : ১৬ জুন ২০২৬

featured Image

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর নিজেদের উদ্বোধনী ম্যাচের মাত্র কয়েক ঘণ্টা আগে নিউইয়র্কের টাইমস স্কয়ারে সহিংস সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েছেন আর্জেন্টিনা ও আলজেরিয়ার সমর্থকরা। সেমবার (১৫ জুন) দিবাগত রাতে বিশ্বের অন্যতম ব্যস্ত এবং জনপ্রিয় এই পর্যটন কেন্দ্রে দুই পক্ষের মধ্যে তুমুল কিল-ঘুষি ও লাথি ছোঁড়াছুঁড়ির ঘটনা ঘটে। 

বিশ্বকাপের আমেজে জড়ো হওয়া হাজারো মানুষের মাঝে হঠাৎ এই মারামারি শুরু হলে মুহূর্তের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এবং সাধারণ পর্যটকরা প্রাণভয়ে দিগ্বিদিক ছুটে পালাতে শুরু করেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায় নিউইয়র্ক পুলিশ। ৩ লাখ ৯৩ হাজার ফলোয়ারের জনপ্রিয় এক্স (টুইটার) অ্যাকাউন্ট ‘ফুটবল অ্যাওয়ে ডেইজ’-এ এই সংঘর্ষের একটি ভিডিও পোস্ট করা হয় যা ইতোমধ্যেই ৪৫ হাজারেরও বেশি মানুষ দেখে ফেলেছেন। এবারের বিশ্বকাপের প্রথম বড় ধরনের ফ্যান-ভায়োলেন্স বা সমর্থক সহিংসতার ঘটনা হিসেবে ভিডিওটি বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে পড়েছে।

গ্রুপ ‘জে’-এর উদ্বোধনী ম্যাচের আগে আর্জেন্টিনার সমর্থকরা তাদের ঐতিহ্যবাহী ‘বান্দেরাজো’ (ফিফা বা বড় টুর্নামেন্টের আগে পতাকা উড়িয়ে বিশাল গণজমায়েত) করার জন্য টাইমস স্কয়ারে জড়ো হয়েছিলেন। ফলে পুরো এলাকা নীল-সাদা পতাকায় ছেয়ে যায়। একই সময়ে সেখানে উল্লেখযোগ্য সংখ্যায় আলজেরিয়ার সমর্থকরাও উপস্থিত ছিলেন, যাদের সঙ্গে ফ্রান্স এবং সেনেগালের কিছু সমর্থকও যোগ দেন। একপর্যায়ে উৎসবমুখর এই পরিবেশ রূপ নেয় চরম উত্তেজনায়। 

আরও পড়ুনআরও পড়ুন৩০০ বিলিয়ন ডলারের তহবিল পাচ্ছে ইরান?

ফরাসি সংবাদমাধ্যম ‘ল্য পারিসিয়ান’-এর বরাত দিয়ে আর্জেন্টাইন গণমাধ্যম ‘ইনফোবাই’ জানিয়েছে, দুই দেশের সমর্থকরা একে অপরকে লক্ষ্য করে অশ্লীল অঙ্গভঙ্গি এবং আপত্তিকর স্লোগান দিতে শুরু করেন। মৌখিক এই বাগবিতণ্ডা দ্রুতই শারীরিক সংঘর্ষে রূপ নেয় এবং রাস্তা জুড়ে শুরু হয় উন্মুক্ত মারামারি। 

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ফুটেজে দেখা যায়, অপ্রাপ্তবয়স্ক এবং সাধারণ পথচারীরা ওপর থেকে ছুড়ে মারা বিভিন্ন বস্তু থেকে বাঁচতে দৌড়াদৌড়ি করছেন, আর কিছু মানুষ দুই পক্ষকে শান্ত করার চেষ্টা করছেন। স্প্যানিশ সংবাদমাধ্যম ‘দিয়ারিও এএস’ এই দৃশ্যকে একটি ‘উন্মুক্ত যুদ্ধক্ষেত্র’ হিসেবে আখ্যায়িত করেছে এবং এটিকে ‘বিশ্বকাপের প্রথম কুৎসিত ছবি’ বলে মন্তব্য করেছে।

ফরাসি সংবাদমাধ্যম ‘ল্য ফিগারো’ এবং ‘ইনফোবাই’ জানায়, সংঘর্ষ থামাতে পুলিশ দ্রুত ব্যবস্থা নেয় এবং বেশ কয়েকজন সমর্থককে গ্রেফতার করে। নিউইয়র্কের সবচেয়ে ব্যস্ততম স্থানে এই প্রকাশ্য মারামারির ঘটনাটি সত্যি হলেও, এখন পর্যন্ত পুলিশের পক্ষ থেকে কতজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে বা কতজন আহত হয়েছেন, তার কোনো আনুষ্ঠানিক পরিসংখ্যান প্রকাশ করা হয়নি। 

ইনফোবাই তাদের প্রতিবেদনে স্পষ্ট করে উল্লেখ করেছে, এই সংঘর্ষের আসল কারণ সম্পর্কে এখনো কোনো ‘অফিসিয়াল সংস্করণ’ বা আনুষ্ঠানিক বিবৃতি পাওয়া যায়নি। নিউইয়র্ক পুলিশ এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেয়নি এবং তাদের অভিযানের পূর্ণাঙ্গ বিবরণ এখনো স্পষ্ট নয়। তবে এই ঘটনা নিয়ে বিশ্বজুড়ে সমালোচনা শুরু হয়েছে। ভারতের শীর্ষস্থানীয় গণমাধ্যম ‘টাইমস অব ইন্ডিয়া’ তাদের শিরোনামে লিখেছে, ‘ফিফার জন্য কী এক লজ্জাজনক বিষয়!’ যা এই ঘটনার পর আন্তর্জাতিক মহলের ক্ষোভ ও হতাশার চিত্রটিই ফুটিয়ে তোলে।

বিশ্বকাপের শুরুর দিনগুলোতে টাইমস স্কয়ার মূলত প্রতিদ্বন্দ্বী দলগুলোর সমর্থকদের একটি অনানুষ্ঠানিক মিলনমেলায় পরিণত হয়েছিল। আন্তর্জাতিক সংবাদসংস্থা রয়টার্স এর আগে জানিয়েছিল, সেখানে ফ্রান্স, আর্জেন্টিনা এবং আলজেরিয়ার সমর্থকরা অত্যন্ত বন্ধুত্বপূর্ণ পরিবেশে একে অপরকে ছাড়িয়ে যাওয়ার স্লোগান দিচ্ছিল। কিন্তু কোনো আনুষ্ঠানিক ফ্যান-জোনের ব্যবস্থা না থাকায় এবং কঠোর নিরাপত্তা বেষ্টনী বা সমর্থকদের আলাদা করার কোনো গাইডলাইন না থাকায়, ঘনবসতিপূর্ণ এই শহুরে এলাকায় দুই পক্ষের মেলবন্ধন শেষ পর্যন্ত বিস্ফোরক রূপ নেয়। তা ছাড়া, আর্জেন্টিনা বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হিসেবে এই টুর্নামেন্টে প্রবেশ করায় প্রতিটি ম্যাচকে ঘিরে সমর্থকদের আবেগ ও মানসিক চাপ বহুগুণ বাড়িয়ে দিয়েছে।

আজ পূর্বদেশীয় সময় রাত ৯টায় কানসাস সিটির অ্যারোহেড স্টেডিয়ামে গ্রুপ জে-এর বহুল প্রতীক্ষিত ম্যাচে মুখোমুখি হতে যাচ্ছে আর্জেন্টিনা ও আলজেরিয়া।

টাইমস স্কয়ারের এই অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার পর এখন সবার নজর কর্তৃপক্ষ কীভাবে কানসাস সিটির ম্যাচের নিরাপত্তা নিশ্চিত করে এবং নিউইয়র্ক অঞ্চলের পরবর্তী ম্যাচগুলোতে দুই দেশের সমর্থকদের কীভাবে সামাল দেয় তার ওপর। 


The Campus Times online

সাধারণ সম্পাদক: মোঃ সেলিম রেজা
প্রকাশক: মোঃ সেলিম রেজা (বিএ, অনার্স, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়)

কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত ক্যাম্পাস টাইমস অনলাইন
ম্যাচ শুরুর আগে আর্জেন্টিনা-আলজেরিয়া সমর্থকদের তুমুল সংঘর্ষ
0:00 0:00
1.0x