ঢাকা    মঙ্গলবার, ১৮ আগস্ট ২০২৬, ২ ভাদ্র ১৪৩৩
The Campus Times online

দেশের ক্রমাগত হ্রাস পাওয়া জন্মহার বাড়াতে এক অভিনব উদ্যোগ নিয়েছে ফ্রান্স সরকার। দেশটির প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁর ‘জনসংখ্যাগত পুনর্গঠন’ পরিকল্পনার অংশ হিসেবে বুধবার (১ জুন) থেকে নতুন এই অতিরিক্ত বেতনসহ অভিভাবকত্ব ছুটি কার্যকর করা হয়েছে। নতুন এই নিয়ম অনুযায়ী সন্তানের মা এবং বাবা—উভয়ই এই ছুটির সুবিধা ভোগ করতে পারবেন।

জন্মহার বাড়াতে মা-বাবার জন্য ফ্রান্সে বিশেষ ছুটি



জন্মহার বাড়াতে মা-বাবার জন্য ফ্রান্সে বিশেষ ছুটি
প্রতীকী ছবি

এর আগে ফ্রান্সে প্রথম সন্তানের ক্ষেত্রে মায়েদের জন্য প্রায় চার মাসের বেতনসহ মাতৃত্বকালীন ছুটি এবং বাবাদের জন্য ২৮ দিনের পিতৃত্বকালীন ছুটির বিধান ছিল। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী, পূর্বের বিদ্যমান ছুটির পাশাপাশি বাবা-মা চাইলে অতিরিক্ত আরও এক বা দুই মাসের ছুটি ভাগাভাগি করে নিতে পারবেন। 

এই অতিরিক্ত ছুটির প্রথম মাসে অভিভাবকেরা তাদের মূল বেতনের ৭০ শতাংশ এবং দ্বিতীয় মাসে ৬০ শতাংশ অর্থ ভাতা হিসেবে পাবেন। ২০২৬ সালের ১ জানুয়ারি বা তার পরে জন্ম নেওয়া শিশুদের মা-বাবা এবং দত্তক গ্রহণকারী অভিভাবকেরা এই নতুন সুবিধার আওতাভুক্ত হবেন।

পুরো ইউরোপীয় ইউনিয়ন জুড়েই বর্তমানে জন্মহার কমছে। ফ্রান্সের জাতীয় পরিসংখ্যান ইনস্টিটিউটের তথ্য অনুসারে, গত বছর দেশটিতে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর এই প্রথমবার মানুষের মৃত্যুর সংখ্যার চেয়ে শিশুর জন্মহার কম রেকর্ড করা হয়েছে। ২০২৪ সালেই প্রেসিডেন্ট ম্যাক্রোঁ দেশের এই নিম্নমুখী জন্মহার এবং বন্ধ্যাত্ব সমস্যার বিরুদ্ধে লড়াইয়ের জন্য একটি বিশেষ পরিকল্পনা উন্মোচন করেছিলেন, যারই ধারাবাহিকতায় এই নতুন নীতি বাস্তবায়ন করা হলো।

তবে সরকারের এই সংস্কার উদ্যোগকে পুরোপুরি স্বাগত জানাতে পারছে না দেশটির নারী অধিকারবাদী সংগঠনগুলো। ফেমিনিস্ট গ্রুপগুলোর মতে, এই সংস্কার লিঙ্গ সমতা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে খুব একটা ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে না। 

তাদের দাবি, সাধারণত পরিবারগুলোতে পুরুষের তুলনায় নারীদের আয় কম থাকে। ফলে অর্থনৈতিক হিসাব-নিকাশের কারণে এই অতিরিক্ত ছুটি নেওয়ার ক্ষেত্রে নারীরাই বেশি এগিয়ে থাকবেন, যা কর্মক্ষেত্রে তাদের আরও পিছিয়ে দিতে পারে।

বিষয় : ফ্রান্স

The Campus Times online

মঙ্গলবার, ১৮ আগস্ট ২০২৬


জন্মহার বাড়াতে মা-বাবার জন্য ফ্রান্সে বিশেষ ছুটি

প্রকাশের তারিখ : ০৩ জুলাই ২০২৬

featured Image

এর আগে ফ্রান্সে প্রথম সন্তানের ক্ষেত্রে মায়েদের জন্য প্রায় চার মাসের বেতনসহ মাতৃত্বকালীন ছুটি এবং বাবাদের জন্য ২৮ দিনের পিতৃত্বকালীন ছুটির বিধান ছিল। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী, পূর্বের বিদ্যমান ছুটির পাশাপাশি বাবা-মা চাইলে অতিরিক্ত আরও এক বা দুই মাসের ছুটি ভাগাভাগি করে নিতে পারবেন। 

এই অতিরিক্ত ছুটির প্রথম মাসে অভিভাবকেরা তাদের মূল বেতনের ৭০ শতাংশ এবং দ্বিতীয় মাসে ৬০ শতাংশ অর্থ ভাতা হিসেবে পাবেন। ২০২৬ সালের ১ জানুয়ারি বা তার পরে জন্ম নেওয়া শিশুদের মা-বাবা এবং দত্তক গ্রহণকারী অভিভাবকেরা এই নতুন সুবিধার আওতাভুক্ত হবেন।

পুরো ইউরোপীয় ইউনিয়ন জুড়েই বর্তমানে জন্মহার কমছে। ফ্রান্সের জাতীয় পরিসংখ্যান ইনস্টিটিউটের তথ্য অনুসারে, গত বছর দেশটিতে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর এই প্রথমবার মানুষের মৃত্যুর সংখ্যার চেয়ে শিশুর জন্মহার কম রেকর্ড করা হয়েছে। ২০২৪ সালেই প্রেসিডেন্ট ম্যাক্রোঁ দেশের এই নিম্নমুখী জন্মহার এবং বন্ধ্যাত্ব সমস্যার বিরুদ্ধে লড়াইয়ের জন্য একটি বিশেষ পরিকল্পনা উন্মোচন করেছিলেন, যারই ধারাবাহিকতায় এই নতুন নীতি বাস্তবায়ন করা হলো।

তবে সরকারের এই সংস্কার উদ্যোগকে পুরোপুরি স্বাগত জানাতে পারছে না দেশটির নারী অধিকারবাদী সংগঠনগুলো। ফেমিনিস্ট গ্রুপগুলোর মতে, এই সংস্কার লিঙ্গ সমতা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে খুব একটা ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে না। 

তাদের দাবি, সাধারণত পরিবারগুলোতে পুরুষের তুলনায় নারীদের আয় কম থাকে। ফলে অর্থনৈতিক হিসাব-নিকাশের কারণে এই অতিরিক্ত ছুটি নেওয়ার ক্ষেত্রে নারীরাই বেশি এগিয়ে থাকবেন, যা কর্মক্ষেত্রে তাদের আরও পিছিয়ে দিতে পারে।


The Campus Times online

সাধারণ সম্পাদক: মোঃ সেলিম রেজা
প্রকাশক: মোঃ সেলিম রেজা (বিএ, অনার্স, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়)

কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত ক্যাম্পাস টাইমস অনলাইন
জন্মহার বাড়াতে মা-বাবার জন্য ফ্রান্সে বিশেষ ছুটি
0:00 0:00
1.0x