নিহত রুবেল ওই এলাকার আব্দুল হামিদের ছেলে। রুবেল মাদকসেবী হিসেবে এলাকায় পরিচিত ছিলেন।
হত্যাকাণ্ডের খবর পেয়ে পুলিশ সুপার মোহাম্মদ কামরুল হাসান ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। তিনি জানান, রহস্য উদঘাটনে সন্দেহভাজন তিনজনকে আটক করা হয়েছে। জিজ্ঞাসাবাদের পর প্রকৃত ঘটনা জানা যাবে।
এদিকে ঘটনার পর পুরো এলাকায় থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে। গ্রেফতার আতঙ্কে ওই কলোনির মাদকসেবী ও বখাটেরা অনেকেই গা-ঢাকা দিয়েছেন।
কোতোয়ালি মডেল থানার ওসি শিবিরুল ইসলাম জানান, নিহত রুবেল এলাকার চিহ্নিত সন্ত্রাসী, নেশাখোর, ছিনতাইকারী ও বখাটে। তার বিরুদ্ধে একাধিক মাদক ও ছিনতাই মামলা রয়েছে। এছাড়া নারীঘটিত বিষয় জড়িত রয়েছে বলেও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।
তিনি বলেন, বাসার মালিক এক নারীর (৪০) সঙ্গে রুবেলের পরকীয়ার ঘটনা রয়েছে বলেও প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। ওই নারীর চার ছেলেকে আটক করতে পারলে হত্যার রহস্য বেরিয়ে আসবে বলে ধারণা করছে পুলিশ। ঘটনার পর ওই নারী ও তার ছেলেরা পলাতক রয়েছেন।
তিনি আরও জানান, হত্যার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে তিনজনকে আটক করা হয়েছে।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, রোববার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে রুবেল নগরীর রামকৃষ্ণ মিশন ছত্রিশবাড়ী এলাকায় একটি ভাড়া বাড়িতে অবস্থান করছিলেন। ওই সময় কয়েকজন দুর্বৃত্ত তার ঘরে ঢুকে প্রথমে তাকে বাঁশ দিয়ে পেটায় এবং একপর্যায়ে গলা কেটে ঘরে ফেলে রেখে পালিয়ে যায়। পরে রুবেলকে উদ্ধার করে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।