ঢাকা    বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬, ১ শ্রাবণ ১৪৩৩
The Campus Times online

বঙ্গোপসাগরের মিয়ানমার উপকূলে দু’টি নৌকাডুবির ঘটনা ঘটেছে। এতে ৫৩০ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) জাতিসঙ্ঘের অভিবাসন বিষয়ক সংস্থা আইওএম এবং শরণার্থী বিষয়ক সংস্থা ইউএনএইচসিআর এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানিয়েছে।

বঙ্গোপসাগরের মিয়ানমার উপকূলে নৌকাডুবি : ৫৩০ জনের মৃত্যুর আশঙ্কা



বঙ্গোপসাগরের মিয়ানমার উপকূলে নৌকাডুবি : ৫৩০ জনের মৃত্যুর আশঙ্কা
প্রতীকী ছবি

বিবৃতিতে বলা হয়েছে, জুন মাসের শেষের দিকে নৌকা দু’টি মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্য থেকে যাত্রা শুরু করে। যাত্রীদের মধ্যে মিয়ানমারের রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠী এবং বাংলাদেশের শরণার্থী শিবির থেকে আসা কয়েকজনও ছিলেন বলে জানা গেছে। এতে ৫০০ জনেরও বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

সংস্থাগুলো জানিয়েছে, প্রায় ২৫০ জন যাত্রীসহ প্রথম নৌকাটি যাত্রা শুরু করে। এর কিছুক্ষণ পরেই যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায় এবং প্রায় ২৮০ জন যাত্রীসহ দ্বিতীয় একটি নৌকা ৮ জুলাই মিয়ানমারের ইরাবতী উপকূলের কাছে ডুবে গেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

তবে এই ঘটনা এবং হতাহতের সংখ্যা এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করা হয়নি।

২০১৭ সালে মিয়ানমারের সামরিক বাহিনী সীমান্ত প্রদেশ রাখাইনে অভিযান শুরু করার পর সেখান থেকে রোহিঙ্গাদের দেশত্যাগ শুরু হয়, যার ফলে কমপক্ষে সাত লাখ ৩০ হাজার মানুষ প্রতিবেশী দেশ বাংলাদেশে আশ্রয় নেন।

জাতিসঙ্ঘের মতে, গত বছর আন্দামান সাগর ও বঙ্গোপসাগরে প্রায় ৯০০ রোহিঙ্গা শরণার্থীর মৃত্যু হয়েছে বা নিখোঁজ হয়েছেন। এতে পানিপথটি শরণার্থী ও অভিবাসীদের জন্য বিশ্বের সবচেয়ে প্রাণঘাতী সামুদ্রিক পথে পরিণত হয়েছে।

বিষয় : মৃত্যু বাংলাদেশ মিয়ানমার বঙ্গোপসাগর রোহিঙ্গা নৌকাডুবি

The Campus Times online

বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬


বঙ্গোপসাগরের মিয়ানমার উপকূলে নৌকাডুবি : ৫৩০ জনের মৃত্যুর আশঙ্কা

প্রকাশের তারিখ : ১৬ জুলাই ২০২৬

featured Image

বিবৃতিতে বলা হয়েছে, জুন মাসের শেষের দিকে নৌকা দু’টি মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্য থেকে যাত্রা শুরু করে। যাত্রীদের মধ্যে মিয়ানমারের রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠী এবং বাংলাদেশের শরণার্থী শিবির থেকে আসা কয়েকজনও ছিলেন বলে জানা গেছে। এতে ৫০০ জনেরও বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

সংস্থাগুলো জানিয়েছে, প্রায় ২৫০ জন যাত্রীসহ প্রথম নৌকাটি যাত্রা শুরু করে। এর কিছুক্ষণ পরেই যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায় এবং প্রায় ২৮০ জন যাত্রীসহ দ্বিতীয় একটি নৌকা ৮ জুলাই মিয়ানমারের ইরাবতী উপকূলের কাছে ডুবে গেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

তবে এই ঘটনা এবং হতাহতের সংখ্যা এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করা হয়নি।

২০১৭ সালে মিয়ানমারের সামরিক বাহিনী সীমান্ত প্রদেশ রাখাইনে অভিযান শুরু করার পর সেখান থেকে রোহিঙ্গাদের দেশত্যাগ শুরু হয়, যার ফলে কমপক্ষে সাত লাখ ৩০ হাজার মানুষ প্রতিবেশী দেশ বাংলাদেশে আশ্রয় নেন।

জাতিসঙ্ঘের মতে, গত বছর আন্দামান সাগর ও বঙ্গোপসাগরে প্রায় ৯০০ রোহিঙ্গা শরণার্থীর মৃত্যু হয়েছে বা নিখোঁজ হয়েছেন। এতে পানিপথটি শরণার্থী ও অভিবাসীদের জন্য বিশ্বের সবচেয়ে প্রাণঘাতী সামুদ্রিক পথে পরিণত হয়েছে।


The Campus Times online

সাধারণ সম্পাদক: মোঃ সেলিম রেজা
প্রকাশক: মোঃ সেলিম রেজা (বিএ, অনার্স, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়)

কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত ক্যাম্পাস টাইমস অনলাইন
বঙ্গোপসাগরের মিয়ানমার উপকূলে নৌকাডুবি : ৫৩০ জনের মৃত্যুর আশঙ্কা
0:00 0:00
1.0x