বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) উপজেলার খোন্তাকাটা ইউনিয়নের রাজৈর গ্রাম থেকে তাদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
নিহতরা হলেন- কবির হাওলাদার (৩০) ও তার স্ত্রী হালিমা বেগমের (২৫)। উদ্ধারের পর মরদেহ দুটি ময়নাতদন্তের জন্য বাগেরহাট জেলা হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
প্রতিবেশীদের ভাষ্য, দীর্ঘদিন ধরে পারিবারিক কলহের কারণে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে বিরোধ চলছিল। ওই বিরোধের জেরেই স্ত্রী হালিমা বেগমকে হত্যার পর কবির হাওলাদার আত্মহত্যা করেছেন। হালিমার গলায় আঘাতের চিহ্ন দেখা গেছে।
তবে ঘটনাস্থল থেকে একটি হাতে লেখা চিরকুট উদ্ধার করেছে পুলিশ। সেখানে লেখা রয়েছে, ‘এই মৃত্যুর জন্য কেউ দায়ী নয়।’ চিরকুটটির সত্যতা এবং এটি কে লিখেছেন, তা তদন্ত করে দেখছে পুলিশ।
নিহত দম্পতির সাত বছর ও দুই মাস বয়সী দুটি সন্তান রয়েছে। বাবা-মায়ের মরদেহের পাশেই শিশুটিকে কান্নারত অবস্থায় দেখতে পান স্বজন ও প্রতিবেশীরা।
শরণখোলার থানার পরিদর্শক (তদন্ত) রোকেয়া খানম বলেন, বৃহস্পতিবার সকালে স্থানীয়দের কাছে খবর পেয়ে পুলিশের একটি দল কবিরের বাড়িতে যায়। সেখানে গিয়ে খাটের ওপর থেকে দম্পতির মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ সময় তাদের পাশাপাশি শোয়া অবস্থায় পাওয়া যায়।
তিনি জানান, ঘটনাস্থল থেকে একটি চিরকুট উদ্ধার করা হয়েছে। পাশাপাশি মরদেহে পাওয়া আলামতও গুরুত্বের সঙ্গে খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এ ঘটনায় থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা রেকর্ড করা হয়েছে এবং মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য বাগেরহাট মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে।