ঢাকা    শনিবার, ০৪ জুলাই ২০২৬, ১৯ আষাঢ় ১৪৩৩
The Campus Times online

খামেনিকে হত্যার নিন্দা জানাল বাংলাদেশ

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, মহামান্য আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির মর্মান্তিক মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন। খামেনিকে নৃশংসভাবে হত্যার নিন্দা জানিয়েছেন তিনি। ইরানে শুক্রবার শুরু হয়েছে খামেনির শেষ বিদায়ের অনুষ্ঠান। দেশটিতে চলা জাতীয় শোকের এই সময়ে ইরানের সরকার ও জনগণের প্রতি বাংলাদেশের সরকার ও জনগণের সহমর্মিতা জানানো হয়েছে। ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের আগ্রাসনের প্রথম দিন গত ২৮ ফেব্রুয়ারি নিজ বাসভবনে নিহত হন খামেনি। তখন ইরানও পশ্চিম এশিয়ার আরব দেশগুলোতে পাল্টা হামলা চালায়। মার্কিন ঘাঁটি থাকার কারণে ওই দেশগুলোকে হামলার বৈধ লক্ষ্য হিসেবে দাবি করে আসছে তেহরান। সে সময় বাংলাদেশের অবস্থান ঘিরে সমালোচনা হয়। হামলার শুরুর পরদিন এক বিবৃতিতে পশ্চিম এশিয়ার দেশগুলোর ‘সার্বভৌমত্ব লঙ্ঘনের’ নিন্দা জানালেও তাতে ইরানের ওপর হামলার প্রসঙ্গ রাখেনি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। খামেনিসহ শীর্ষ নেতাদের হত্যার বিষয়েও কিছু বলা হয়নি ওই বিবৃতিতে। এ নিয়ে সমালোচনার মুখে পরদিন ২ মার্চ আরেক বিবৃতিতে খামেনির মৃত্যুতে ‘মর্মাহত’ হওয়ার কথা উল্লেখ করে ঢাকা। তবে সেখানে খামেনিকে হত্যার নিন্দা জানানো হয়নি। সরকারের এমন অবস্থানের মধ্যে ঢাকায় ইরানের রাষ্ট্রদূত জলিল রাহিমি জাহানাবাদী বলেছিলেন, ঢাকার কাছে তেহরান কোনো ‘যুদ্ধের রসদ’ চায় না, কেবল ‘আক্রান্ত হিসেবে সমর্থন’ চায়। এরপর ত্রয়োদশ সংসদের প্রথম অধিবেশনে খামেনির মৃত্যুতে শোক প্রস্তাব আনা হয়েছিল। ইরানের পাল্টা হামলার মধ্যে ‘সংহতি’ জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের লেখা চিঠি নিয়ে উপসাগরীয় আরব দেশগুলোতে গেছেন তাঁর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির। ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির রাষ্ট্রীয় শেষ বিদায়ের অনুষ্ঠানে অংশ নিতে গত বৃহস্পতিবার তেহরানে পৌঁছান স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ। শুক্রবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে বলা হয়, বৈঠকে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন ইরান ও বাংলাদেশের মধ্যে ‘কয়েক শতাব্দীর বন্ধুত্ব’ এবং দুই দেশের মধ্যে ‘গভীর সাংস্কৃতিক ও মানুষে মানুষে বন্ধনের’ কথাও তুলে ধরেছেন।

খামেনিকে হত্যার নিন্দা জানাল বাংলাদেশ