চীনের দিকে ধেয়ে আসছে টাইফুন ‘বাভি’, নিরাপদ আশ্রয়ে সরানো হলো ৬ লাখের বেশি মানুষ
এর আগে শক্তিশালী এই টাইফুন জাপানের দক্ষিণাঞ্চলের সাকিশিমা দ্বীপপুঞ্জে ভারী বৃষ্টি ও ঝড়ো হাওয়া নিয়ে আসে এবং তাইওয়ানের উত্তরাঞ্চল ঘেঁষে চলে যায়। বর্তমানে ঠান্ডা সমুদ্রের ওপর দিয়ে উত্তর-পশ্চিম দিকে যাওয়ার কারণে এর গতি ও শক্তি কিছুটা কমলেও, এখনও বড় ধরনের ঝুঁকি রয়ে গেছে। কারণ এর বিশাল বৃষ্টির মেঘে প্রচুর জলীয় বাষ্প জমে আছে। পুরো বৃষ্টির এলাকাটি আয়তনে প্রায় ফ্রান্সের সমান বলে জানিয়েছেন আবহাওয়াবিদরা।
পূর্বাভাস অনুসারে, রোববার (১২ জুলাই) ভোরে প্রায় এক কোটি মানুষের শহর ওয়েনঝৌতে আঘাত হানতে পারে টাইফুনটি।
চীনের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে, ঝেজিয়াং প্রদেশ থেকে ৫ লাখের বেশি এবং পার্শ্ববর্তী ফুজিয়ান প্রদেশ থেকে আরও ১ লাখের বেশি মানুষকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।
ওয়েনঝৌয়ের ৫০ বছর বয়সী বাসিন্দা হুয়াং শিংহুয়ান বলেন, কিছুটা চিন্তা তো আছেই। তবে আমার মনে হয় সব ঠিক থাকবে। আমরা আগেও অনেক টাইফুন দেখেছি, এবারও সামলে নেব।
টাইফুন আসার আগে বাজার বন্ধ হয়ে যাওয়ার আগেই তিনি পরিবারের জন্য প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র কিনে এনেছেন। পরিবারের সদস্যরা দু-তিন দিনের জন্য পর্যাপ্ত পানি মজুত করেছেন। তিনি আরও বলেন, এখন প্রয়োজনীয় জিনিসের সরবরাহ ভালোই আছে। তাই অতিরিক্ত আতঙ্কিত হয়ে বাড়তি খাবার মজুত করার দরকার নেই।
এদিকে জাপান ও তাইওয়ানে এখন পর্যন্ত টাইফুনের কারণে কোনো প্রাণহানির খবর পাওয়া যায়নি। তবে ফিলিপাইনে ‘বাভি’র প্রভাবে শক্তিশালী হওয়া ও মৌসুমি বৃষ্টিতে অন্তত ১৭ জনের মৃত্যু হয়েছে।