দিনাজপুর বোর্ডে জিপিএ-৫ বেশি বিজ্ঞানে, এগিয়ে মেয়েরা
মানবিক বিভাগ থেকে জিপিএ-৫ পেয়েছে ২২৮ এবং ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগ থেকে ৪২ জন। তবে সামগ্রিক জিপিএ-৫ পাওয়ার সংখ্যা আগের বছরের তুলনায় কম। গত বছর এই সংখ্যা ছিল ১৫ হাজার ১১৯ জন। পাঁচ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ ২৫ হাজার ৬২১ জন জিপিএ-৫ পেয়েছিল ২০২২ সালে।
কমেছে পাসের হারও। অংশ নেওয়া প্রতি ১০ জনের মধ্যে প্রায় ৪ জনই উত্তীর্ণ হতে পারেনি। মোট ১ লাখ ৮০ হাজার ৭৭১ শিক্ষার্থীর মধ্যে পাস করেছে ১ লাখ ৪ হাজার ৯২৫ জন। অকৃতকার্য ৭৫ হাজার ৮৪৬ জন। পাসের হার ৫৮ দশমিক ০৪।
গত বছরের তুলনায় এবার পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারীর সংখ্যা কমেছে ১ হাজার ৫২৬ জন। ২০২৫ সালে অংশ নিয়েছিল ১ লাখ ৮২ হাজার ২৯৭ জন। তাদের মধ্যে পাস করে ১ লাখ ২২ হাজার ২৫৯ শিক্ষার্থী (৬৭ দশমিক ০৭ শতাংশ)। ২০২৪ সালে পাসের হার ছিল ৭৮ দশমিক ৪৩, ২০২৩ সালে ৭৬ দশমিক ৯০ এবং ২০২২ সালে ছিল ৮১ দশমিক ১৯।
এগিয়ে মেয়েরা
পরীক্ষায় মোট অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে ছাত্ররা ছিল সবচেয়ে বেশি- ৯২ হাজার ৫৮৫ জন। তবে পাস ও জিপিএ-৫ দুই ক্ষেত্রেই ছাত্রীরা এগিয়ে। মোট উত্তীর্ণ ১ লাখ ৪ হাজার ৯২৫ জনের মধ্যে মেয়ে ৫৫ হাজার ৫৫৮ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৭ হাজার ১৫০ জন। বিপরীতে জিপিএ-৫ প্রাপ্ত ছাত্রের সংখ্যা ৬ হাজার ৪৮৯।
উত্তীর্ণদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি সংখ্যাক- ৪২ হাজার ৯৯৯ জন জিপিএ-৩ পেয়েছে। জিপিএ-৪ পেয়েছে ৩১ হাজার ৭৬০ জন। অর্থাৎ, পাস করা শিক্ষার্থীদের বড় একটি অংশ মাঝারি ফলাফল অর্জন করেছে।