ঢাকা    বৃহস্পতিবার, ০৯ জুলাই ২০২৬, ২৫ আষাঢ় ১৪৩৩
The Campus Times online

আর্জেন্টিনা-মিসর ম্যাচে রেফারির সিদ্ধান্ত সঠিক ছিল, বলছে ফিফা

আর্জেন্টিনার কাছে ৩-২ গোলে হেরে যাওয়া ওই ম্যাচে দুটি সিদ্ধান্ত নিয়ে তীব্র আপত্তি তোলে মিসর ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন (ইএফএ)। তারা রেফারি ফ্রাঁসোয়ো লেতেক্সিয়ের বিরুদ্ধে পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ এনে তদন্তের দাবি জানায়। বড় কোনো টুর্নামেন্ট চলাকালে সাধারণত নির্দিষ্ট ঘটনা নিয়ে মন্তব্য না করলেও এবার ব্যতিক্রমীভাবে সিদ্ধান্তগুলোর ব্যাখ্যা দিলেন কলিনা। ম্যাচের দ্বিতীয়ার্ধে মোস্তাফা জিকোর করা একটি গোল ভিএআর পর্যালোচনার পর বাতিল করা হয়। আক্রমণ গড়ে ওঠার শুরুতে মারওয়ান আতিয়া আর্জেন্টিনার ডিফেন্ডার লিসান্দ্রো মার্তিনেসের পায়ে পা দিয়েছিলেন বলেই সেই গোল বাতিল করা হয়। এ প্রসঙ্গে কলিনা বলেন, ‘প্রতিটি গোলের পরই ভিএআর আক্রমণাত্মক পজেশন পর্ব (এপিপি) পরীক্ষা করে। আক্রমণ গড়ে ওঠার সময় কোনো ফাউল শনাক্ত হলে এবং সেটি গোলে প্রভাব ফেললে ভিএআর মাঠের রেফারিকে অন-ফিল্ড রিভিউয়ের পরামর্শ দেয়। গোল থেকে ঘটনার দূরত্ব বা সময়ের ব্যবধানের কোনো নির্দিষ্ট সীমা নেই।’ এই প্রসঙ্গে কলিনা আরও বলেন, ‘মিসরের ১৯ নম্বর জার্সিধারী মারওয়ান আতিয়া স্পষ্টভাবেই আর্জেন্টিনার ৬ নম্বর জার্সিধারী লিসান্দ্রো মার্তিনেসের পায়ে পা দিয়েছিলেন। আমাদের বিশ্বাস, ফাউল মানেই ফাউল। মাঠের রেফারি সেটি না দেখলে ভিএআর হস্তক্ষেপ করতে পারে।’ ম্যাচের শেষ দিকে আর্জেন্টিনার বক্সে মোহাম্মদ সালাহকে নিয়ে সম্ভাব্য ফাউলের আবেদনও নাকচ করা হয়। সেই সিদ্ধান্তের ব্যাখ্যায় কলিনা বলেন, ‘প্রতিপক্ষের পায়ে পা দেওয়া ফাউল, কিন্তু কোনো ডিফেন্ডার যদি আগে বলে স্পর্শ করেন এবং এরপর স্বাভাবিক ফুটবলীয় সংস্পর্শ ঘটে, তাহলে সেটিকে ফাউল বলা যাবে না। একই ম্যাচের শেষ দিকে রেফারি ও ভিএআর মনে করেছেন, মোহাম্মদ সালাহ এবং হুলিয়ান আলভারেসের মধ্যে যা হয়েছে, তা ছিল স্বাভাবিক ফুটবলীয় সংস্পর্শ।’

আর্জেন্টিনা-মিসর ম্যাচে রেফারির সিদ্ধান্ত সঠিক ছিল, বলছে ফিফা