ঢাকা    বুধবার, ২৬ আগস্ট ২০২৬, ১০ ভাদ্র ১৪৩৩
The Campus Times online

আর্কাইভ দেখুন

নোবিপ্রবিতে শিক্ষা মন্ত্রণালয় কর্তৃক এনটিআরসিএ বিষয়ক সিদ্ধান্তে বিক্ষোভ সমাবেশ

নোবিপ্রবিতে শিক্ষা মন্ত্রণালয় কর্তৃক এনটিআরসিএ বিষয়ক সিদ্ধান্তে বিক্ষোভ সমাবেশ

নোবিপ্রবি প্রতিনিধি নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে কর্তৃক এনটিআরসিএ (NTRCA) এর নিয়োগ বেসরকারি স্কুল-কলেজের ম্যানেজিং কমিটির উপর ন্যস্ত করায় বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। আজ সোমবার (১০ আগস্ট) রাত সাড়ে নয়টায় নোবিপ্রবির কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে এ বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়।বিক্ষোভ মিছিলটি কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার এলাকা থেকে নোবিপ্রবির সালাম হল, মালেক হল , শান্তিনিকেতন, গ্যারেজ হয়ে পুরো ক্যাম্পাস প্রদক্ষিন করে। এ সময় শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন স্লোগান দেয়। তার মধ্যে, "টাকা না মেধা, মেধা মেধা","নিয়োগ বানিজ্যের বিরুদ্ধে ডাইরেক্ট একশন" , "কোটা গেছে যেই পথে, কমিটি যাবে সেই পথে","চাচা না চাকরি? চাকরি চাকরি","মামা না চাকরি? চাকরি চাকরি","২৪ এর হাতিয়ার গর্জে ওঠো আরেকবার","জালোরে জালো, আগুন জালো","ইনকিলাব ইনলিলাব জিন্দাবাদ জিন্দাবাদটাকা না মধা, মেধা মেধা","আবু সাইদ মুদ্ধ , শেষ হয়নি যুদ্ধ ","নিয়োগ বানিজ্যের বিরুদ্ধে ডাইরেক্ট একশন", ইত্যাদি।বিক্ষোভের এক পর্যায়ে সমুদ্রবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী জিহাদুল ইসলাম রাফি বলেন, আমরা আমাদের মামা-খালুদের সময় দেখেছি টাকা বা কমিটির মাধ্যমে স্কুল-কলেজ গুলোতে নিয়োগ দিতে। যা পরবর্তীতে এনটিআরসিএর মাধ্যমে নিয়োগ হতো। তবে এখন আবার কথা উঠেছে যে নিয়োগ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর ম্যানেজিং কমিটি দিবে। সারা বাংলাদেশের শিক্ষক-শিক্ষার্থী এগুলো মেনে নিবেনা। এনটিআরসিএ এর মাধ্যমেই নিয়োগ দিতে হবে।নোবিপ্রবি ছাত্রশিবিরের সেক্রেটারি ও এসিসিই বিভাগের শিক্ষার্থী আব্দুর রহমান বলেন, শিক্ষক বিষয়টি কোন ছিনিমিনি খেলা নয়, তাই নিয়োগের জন্য এনটিআরসিএ শিক্ষকরা যাতে কারো কাছে ধর্না না দেয়। এই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন হলে মেধাবি শিক্ষার্থীরা রাজনৈতিক নেতাদের কাছে ধর্না দিবে, চাকরির জন্য মেধাবী শিক্ষার্থীরা কারো কাছে ধর্না দেওয়াটা জাতির জন্য লজ্জাজনক।সরকারকে বলবো এগুলো থেকে বের হয়ে আসুন। আমরা জানিনা আপনাদের এ বুদ্ধি কে দেয়। যদি এ থেকে সরে না আসেন, তাহলে আমরা যেভাবে ২৪ এ জেগে উঠেছিলাম সেভাবে আবার জাগ্রত হবো। উল্লেখ্য, আজ শিক্ষা মন্ত্রণালয় কর্তৃক বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষক নিয়োগের ক্ষমতা এনটিআরসিএ (NTRCA)-র থেকে সরিয়ে গভর্নিং বডি বা ম্যানেজিং কমিটির কাছে ফিরিয়ে দেওয়া হচ্ছে এমন সিদ্ধান্তের একটি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ হয়। পরবর্তীতে , বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা এ বিক্ষোভ মিছিল করে।


শতভাগ ফেলের দায় সিসি ক্যামেরার ওপর চাপালেন শিক্ষক

শতভাগ ফেলের দায় সিসি ক্যামেরার ওপর চাপালেন শিক্ষক

রংপুরের পীরগঞ্জ উপজেলার চতড়া ইউনিয়নের কুমারপুর উচ্চবিদ্যালয়ে গত বছর এসএসসি পরীক্ষায় ৫৪ শিক্ষার্থীর মধ্যে ২৯ জন পাস করেছিল। এক বছরের ব্যবধানে এ বছর সেই বিদ্যালয়ের ১৮ পরীক্ষার্থীর কেউই উত্তীর্ণ হতে পারেনি। ফলাফল নেমে এসেছে শূন্যে। বিদ্যালয়ের এমন চরম ফলাফল বিপর্যয় এবং শতভাগ অকৃতকার্য হওয়ার কারণ হিসেবে বিদ্যালয়ের এক শিক্ষক বলেন, সিসি ক্যামেরার ভয়ে শিক্ষার্থীরা এমন ফল করেছে। আরও এক শিক্ষক দায় চাপালেন অভিভাবকদের অসচেতনতা ও সিসি ক্যামেরার ওপর। বিদ্যালয়টির এমন ফলাফল নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে প্রশ্ন উঠেছে বিদ্যালয়ের পাঠদান ও শিক্ষা ব্যবস্থাপনা নিয়ে। কারণ, বর্তমানে বিদ্যালয়টিতে নয়জন শিক্ষক ও ছয়জন কর্মচারী কর্মরত রয়েছেন। অথচ এত শিক্ষক-কর্মচারী থাকার পরও ১৮ জন পরীক্ষার্থীর সবাই অকৃতকার্য হওয়ায় বিষয়টি খতিয়ে দেখার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। বিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, ১৯৯২ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় কুমারপুর উচ্চবিদ্যালয়। ২০২৫ সালের এসএসসি পরীক্ষায় বিদ্যালয়টি থেকে ৫৪ জন শিক্ষার্থী অংশ নেয়। তাদের মধ্যে ২৯ জন উত্তীর্ণ হয়েছিল। অর্থাৎ, গত বছর অর্ধেকের বেশি শিক্ষার্থী পাস করলেও এবার একজনও পাস করতে পারেনি। সোমবার (১০ আগস্ট) বেলা আড়াইটার দিকে বিদ্যালয়ে গিয়ে প্রধান শিক্ষক কহিনুর বেগমকে পাওয়া যায়নি। বিদ্যালয়ের অফিসকক্ষে কয়েকজন শিক্ষককে বসে থাকতে দেখা যায়। এ সময় শ্রেণিকক্ষগুলোতে ১৫ থেকে ১৬ জন শিক্ষার্থী ছিল। প্রধান শিক্ষক কহিনুর বেগমের মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও নম্বরটি বন্ধ পাওয়া যায়। তবে বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক আব্দুল খালেক বলেন, এবারের শিক্ষার্থীরা কিছুটা ভীতু ছিল। পরীক্ষাকেন্দ্রে সিসি ক্যামেরা থাকায় তারা ভয় পেয়েছে এবং এ কারণেই এমন ফল হয়েছে বলে তার দাবি। আব্দুল খালেক বলেন, ‘এবার আমাদের বাচ্চারা একটু ভীতু ছিল। সিসি ক্যামেরা ছিল, ভয়ে শিক্ষার্থীরা এমন ফল করেছে। আশা রাখি, আগামী দিনে ভালো করবে।’ বিদ্যালয়ের আরেক সহকারী শিক্ষক মুশফিকুর রহমান বলেন, আমাদের বিদ্যালয়টি প্রত্যন্ত এলাকায় হওয়ায় শিক্ষার্থী ও অভিভাবকেরা অসচেতন। তার ওপর সিসি ক্যামেরার ভয়ে শিক্ষার্থীরা আতঙ্কিত হয়ে পরীক্ষা ভালো দিতে পারেনি। এটাই হচ্ছে মূলত তাদের ফেল করার কারণ। ইতিপূর্বে কোনো সমস্যা ছিল না। তারা সুন্দরভাবে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে পরীক্ষা দিয়েছে, পরীক্ষায় পাসও আছে।’ তবে বিদ্যালয়ের এমন ফলাফল নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন স্থানীয়রাও। স্থানীয় যুবক সবুজ মিয়া বলেন, ‘৯ জন শিক্ষক থাকার পরও ১৮ জন পরীক্ষার্থীর একজনও পাস না করার কারণ কী? শিক্ষার্থীদের পাঠদানে কোথাও ঘাটতি ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখা দরকার। আমরা চাই, কারও গাফিলতির কারণে বিদ্যালয়টি যেন ধ্বংস হয়ে না যায়।’ পীরগঞ্জ উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আব্দুর রহিম বলেন, ‘যে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে কেউ পাস করেনি, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। শোকজ করা হবে। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে বিস্তারিত লিখে পাঠাব, যেন তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া যায়।’


গাড়ি দুর্ঘটনায় আহত এ আর রহমানের ছেলে আমিন

গাড়ি দুর্ঘটনায় আহত এ আর রহমানের ছেলে আমিন

প্রাথমিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, ভোর সাড়ে ৩টার দিকে অলিম্পিয়া টেক পার্কের সিগন্যালের কাছে দুর্ঘটনাটি ঘটে। আমিন এক বন্ধুকে সঙ্গে নিয়ে পোর্শে গাড়িতে করে কোয়েম্বেডু থেকে গুইন্ডির দিকে যাচ্ছিলেন। এ সময় একটি ওয়াগনআর ক্যাবের সঙ্গে তাঁদের গাড়ির সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষে দুটি গাড়িই উল্লেখযোগ্যভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। দুর্ঘটনার পর আমিন ও তাঁর বন্ধুকে দ্রুত স্থানীয় কাওভেরি হাসপাতালে নেওয়া হয়। চিকিৎসকেরা তাদের শারীরিক পরীক্ষা ও প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দেওয়ার পর দুজনকেই ছেড়ে দেন। অন্যদিকে, ক্যাবের এক যাত্রীকে কালাইনার সেন্টেনারি সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসা শেষে তাঁকেও হাসপাতাল থেকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। দুর্ঘটনার খবর পেয়ে আদিয়ার ট্রাফিক ইনভেস্টিগেশন উইংয়ের পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে দুর্ঘটনাকবলিত দুটি গাড়ি জব্দ করে। দুর্ঘটনার কারণ ও ঠিক কীভাবে সংঘর্ষটি ঘটেছে, তা জানতে তদন্ত শুরু হয়েছে। এ ঘটনায় একটি মামলাও করা হয়েছে।


এসএসসির ফল জানার আগেই বিদায় নিল মারুফ

এসএসসির ফল জানার আগেই বিদায় নিল মারুফ

নাটোরের বড়াইগ্রামে এসএসসি পরীক্ষার ফল ঘোষণার মাত্র এক ঘণ্টা আগে না ফেরার দেশে চলে গেলেন বড়াইগ্রাম কারিগরি অ্যান্ড বিএম কলেজের ছাত্র মারুফ আহমেদ (১৬)।  সোমবার (১০ আগস্ট) সকালে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।  নিহত মারুফ উপজেলার বড়াইগ্রাম সদর ইউনিয়নের তারানগর গ্রামের মিলন হোসেনের ছেলে। তিনি কারিগরি শিক্ষাবোর্ডের অধীনে এবারের এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিল।  পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত শনিবার মারুফ হঠাৎ করেই আন্ত্রিক রোগে আক্রান্ত হয়ে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়ে। পরে তাকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করলে সোমবার সকাল ৯টার দিকে তার মৃত্যু হয়।  এদিকে একই দিনে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রকাশ হয়। যদিও পরীক্ষার ফলাফলে দেখা যায়, যে তিনি গণিত বিষয়ে অকৃতকার্য হয়েছেন। কিন্তু ফলাফল ঘোষণার দিনেই তার এমন আকস্মিক মৃত্যুতে পরিবারসহ সহপাঠীদের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। আরও পড়ুনআরও পড়ুনসিংড়ায় দুই প্রতিষ্ঠানে পাশ করেনি কেউ    মারুফের বাবা মিলন হোসেন কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, আমার ছেলেটা যে রেজাল্টই করুক, তাতেই আমি খুশি। বেঁচে থাকলে আগামীতে এই বিষয়ের পরীক্ষা দিয়ে পাশ করতে পারত, কিন্তু আল্লাহ তাকে নিয়ে গেল।  বড়াইগ্রাম ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মমিন আলী জানান, বিষয়টি খুবই দুঃখজনক। জীবনের প্রথম বোর্ড পরীক্ষার ফলাফল জানার আগমূহুর্তে এ রকম একটি সংবাদ বড়ই বেদনাদায়ক।    


তোরাও পুড়াবি আয়, আমরাও পুড়াব: শেখ হাসিনা

তোরাও পুড়াবি আয়, আমরাও পুড়াব: শেখ হাসিনা

জুলাই গণ–অভ্যুত্থানের সময় সেতু ভবনসহ বিভিন্ন স্থাপনায় যারা আগুন দিয়েছিল, তাদের বাড়ি, গাড়ি ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে হামলা চালিয়ে আগুন দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিলেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল–২–এ সোমবার (১০ আগস্ট) প্রসিকিউটর গাজী মোনাওয়ার হুসাইন জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় চতুর্থ দিনের মতো যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের সময় শেখ হাসিনার একটি ফাঁস হওয়া অডিও কথোপকথনের লিখিত সংস্করণ তুলে ধরেন। ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই তৎকালীন সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রী ও নেতাদের সঙ্গে শেখ হাসিনার টেলিফোন আলাপ সরকারি সংস্থায় রেকর্ড হয়েছিল, যা পরে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) ফরেনসিকে সত্য বলে প্রমাণিত হয়। ট্রাইব্যুনালে উপস্থাপিত রেকর্ড অনুযায়ী, তৎকালীন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাছান মাহমুদের সঙ্গে আলাপে শেখ হাসিনা বলেন, কথোপকথনে আরও উঠে আসে যে, তৎকালীন মন্ত্রী হাছান মাহমুদ এই নির্দেশের জবাবে একে ‘টিট ফর ট্যাট’ বলে মন্তব্য করেছিলেন এবং মহল্লায় মহল্লায় নেতাকর্মীদের প্রতিরোধের নির্দেশ দেওয়ার কথা বলেছিলেন। অন্যদিকে ওবায়দুল কাদেরের সঙ্গে ফোনালাপে শেখ হাসিনা র‌্যাব ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে আন্দোলনকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে হেলিকপ্টার ব্যবহারের নির্দেশ দেওয়ার পাশাপাশি হামলাকারীদের ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান খুঁজে বের করে প্রতিহত করার কথা বলেন। এছাড়া আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি কঠোরভাবে মোকাবিলা এবং গণমাধ্যমের ওপর সেন্সরশিপ আরোপের বিষয়েও বিভিন্ন নির্দেশনা দেন তৎকালীন শীর্ষ নেতারা। এই মামলায় ওবায়দুল কাদের ছাড়াও তৎকালীন তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত, আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, যুবলীগের চেয়ারম্যান শেখ ফজলে শামস পরশ, সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হোসেন খান, ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সভাপতি সাদ্দাম হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক শেখ ওয়ালী আসিফ আসামি হিসেবে রয়েছেন। মামলার সব আসামিই বর্তমানে পলাতক রয়েছেন।


এক যুগের সাফল্যের ধারাবাহিকতা রক্ষা করল দারুন্নাজাত

এক যুগের সাফল্যের ধারাবাহিকতা রক্ষা করল দারুন্নাজাত

২০২৬ সালের দাখিল পরীক্ষায়ও সেই ধারাবাহিকতার ব্যত্যয় ঘটেনি—বরং আরও উজ্জ্বল হয়ে উঠেছে প্রতিষ্ঠানটির সাফল্যের গল্প।  সোমবার (১০ আগস্ট) প্রকাশিত ফলাফলে দেখা যাচ্ছে, ১ হাজার ২৯৯ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে জিপিএ-৫ পেয়েছে ৬১৭ জন প্রাথমিক তুলনামূলক চিত্রে যা দেশের মাদ্রাসাগুলোর মধ্যে সর্বোচ্চ বলে প্রতীয়মান হচ্ছে। পরিসংখ্যান বলছে, এবার দারুন্নাজাত থেকে দাখিল পরীক্ষায় অংশ নেয় ১ হাজার ২৯৯ জন শিক্ষার্থী। তাদের মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছে ১ হাজার ২৬৮ জন, অকৃতকার্য মাত্র ৩১ জন পাসের হার দাঁড়িয়েছে ৯৭ দশমিক ৬১ শতাংশে।   মোট পরীক্ষার্থীর নিরিখে জিপিএ-৫ অর্জনের হার ৪৭ দশমিক ৫০ শতাংশ অর্থাৎ প্রতি ১০০ জনের মধ্যে প্রায় ৪৮ জনই ছুঁয়েছে সর্বোচ্চ ফল। এই সাফল্য নিছক সংখ্যার আধিক্য নয়, বড় পরীক্ষার্থীসংখ্যার মধ্যেও তা টিকিয়ে রাখা একটি উল্লেখযোগ্য অর্জন। প্রতিষ্ঠানের চারটি শাখার মধ্যে তিনটিতেই এসেছে শতভাগ পাসের সাফল্য।  দারুন্নাজাত তাখসিসি শাখায় ১২৭ জনের মধ্যে জিপিএ-৫ পেয়েছে ৯৬ জন। দারুন্নাজাত মাদ্রাসা কিতাব বিভাগে অংশ নেওয়া ৭১ জনের সবাই যেমন উত্তীর্ণ হয়েছে, তেমনি তাদের মধ্যে ৬১ জনই অর্জন করেছে সর্বোচ্চ ফল। দারুন্নাজাত আইডিয়াল শাখাতেও ৮৭ জনের সবাই কৃতকার্য, জিপিএ-৫ পেয়েছে ৫১ জন। জিপিএ-৫ অর্জনকারী ৬১৭ জনের মধ্যে বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী ২৯৭ জন, সাধারণ বিভাগের ৩২০ জন। অর্থাৎ সাধারণ বিভাগ থেকে জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যা বিজ্ঞান বিভাগের তুলনায় ২৩ জন বেশি।  শতাংশের হিসাবে মোট জিপিএ-৫ অর্জনকারীর ৫১ দশমিক ৮৬ শতাংশ সাধারণ বিভাগের এবং ৪৮ দশমিক ১৪ শতাংশ বিজ্ঞান বিভাগের। এই সাফল্যের নেপথ্যের কারণ জানতে চাইলে দারুন্নাজাত সিদ্দীকিয়া কামিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা আবুল খায়ের মুহা. আবু বকর সিদ্দীক বলেন, দ্বীনি পরিবেশ, শিক্ষার্থীদের নিয়মিত অধ্যবসায়, গভর্নিং বডির দক্ষ পরিচালনা ও শিক্ষকদের কর্তব্যনিষ্ঠা এসবই এই সাফল্যের মূল ভিত্তি। আর সবকিছুর ঊর্ধ্বে রয়েছে আল্লাহ তাআলার অশেষ রহমত, যা ছাড়া এই অর্জন সম্ভব হতো না। একই সুরে কথা বলেন প্রতিষ্ঠানের কিতাব বিভাগের উপাধ্যক্ষ মাওলানা ফরিদ বিন আব্দুল আওয়াল। তিনি বলেন, শিক্ষার্থীদের কঠোর পরিশ্রম, শিক্ষকদের আন্তরিক তত্ত্বাবধান ও নিবিড় পরিচর্যা এই ফলাফলের পেছনে বড় ভূমিকা রেখেছে। আর সবার আগে আল্লাহর বিশেষ অনুগ্রহেই আজকের এই সাফল্য অর্জিত হয়েছে। প্রতিষ্ঠানের দুই শীর্ষ শিক্ষকের এই বক্তব্যে ফুটে ওঠে একটি অভিন্ন সুর শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের সম্মিলিত প্রচেষ্টার পাশাপাশি আধ্যাত্মিক অনুপ্রেরণাকেই তারা মনে করছেন এই ধারাবাহিক সাফল্যের প্রকৃত রহস্য। সংশ্লিষ্টদের ভাষ্যে, এই ফলাফল দারুন্নাজাতের দীর্ঘদিনের ধারাবাহিক সাফল্যেরই সম্প্রসারণ। প্রায় এক যুগ ধরে মাদ্রাসা শিক্ষার ফলাফলে দেশের প্রথম বা দ্বিতীয় অবস্থানে থাকার দাবি প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে বরাবরই করা হয়ে আসছে। এবারের ৬১৭ জনের জিপিএ-৫ সেই দাবিকে আরও দৃশ্যমান করে তুলেছে। বড় পরীক্ষার্থীসংখ্যা, প্রায় ৯৮ শতাংশ পাসের হার এবং ৬১৭ জনের জিপিএ-৫—এই তিন সংখ্যাতেই স্পষ্ট হয়ে ওঠে ২০২৬ সালের দাখিল পরীক্ষায় দারুন্নাজাত সিদ্দীকিয়া কামিল মাদ্রাসার সাফল্যের মূল চিত্র। শিক্ষার্থীদের অধ্যবসায়, শিক্ষকদের নিষ্ঠা আর প্রতিষ্ঠানের সুশৃঙ্খল পরিচালনার মিশেলে দীর্ঘদিনের অর্জিত অবস্থানকে আরও সুদৃঢ় করার ইঙ্গিত দিয়েই যেন এবারের ফল সামনে এলো।


দে‌বিদ্বারে গৃহবধূকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগে স্বামী আটক

দে‌বিদ্বারে গৃহবধূকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগে স্বামী আটক

কুমিল্লার দেবিদ্বারে বিয়ে বহির্ভূত সম্পর্ক ও পারিবারিক কলহের জেরে হাসিনা আক্তার (৩৫) নামের এক গৃহবধূকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে তাঁর স্বামী মোসলেহ উদ্দিনের (৪৫) বিরুদ্ধে। আজ সোমবার বিকেলে হত্যার অভিযোগে আটক মোসলেহ উদ্দিনকে আদালতে পাঠিয়েছে পুলিশ। গতকাল রোববার সন্ধ্যায় উপজেলার ফতেহাবাদ ইউনিয়নের সাইচাপাড়া গ্রামের দাইয়ার বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে রাত ১১টায় লাশসহ অভিযুক্ত স্বামী মোসলেহ উদ্দিনকে আটক করে থানায় নিয়ে আসে। নিহত হাসিনা আক্তার ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার গোপালনগর গ্রামের মৃত আবদুল খালেক ভূঁইয়ার মেয়ে। আটক মোসলেহ উদ্দিন সাইচাপাড়া গ্রামের মৃত রেনু মিয়ার ছেলে। তিনি দীর্ঘ সময় কুয়েতে প্রবাসজীবন কাটিয়ে ৬ মাস আগে দেশে ফেরেন। এই দম্পতির সাইমন হোসেন (১৯) ও খাদিজা আক্তার (১৬) নামের দুই সন্তান রয়েছে। নিহতের স্বজনরা জানান, দীর্ঘদিন ধরে মোসলেহ উদ্দিনের বিয়ে বহির্ভূত সম্পর্ক ও পারিবারিক নানা বিষয় নিয়ে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে কলহ চলছিল। এর জেরে প্রায়ই হাসিনা আক্তারের ওপর নির্যাতন চালাতেন মোসলেহ উদ্দিন। ঘটনার দিন দুপুরেও হাসিনা আক্তারকে বেদম মারধর করেন মোসলেহ উদ্দিন। পরে বিকেলে অসুস্থ হয়ে পড়লে প্রতিবেশীরা তাঁকে উদ্ধার করে দেবিদ্বার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। নিহতের মেয়ে খাদিজা ও স্থানীয়দের ভাষ্যমতে, ঘটনার সময় স্কুল থেকে বাড়ি ফিরে খাদিজা তাঁর মাকে আহত অবস্থায় মেঝেতে পড়ে থাকতে দেখেন। এ সময় ঘরের আসবাবপত্রও এলোমেলো ছিল। পরে আশপাশের লোকজনকে ডেকে হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। নিহত হাসিনা আক্তারের ছেলে সায়মন হোসেন অভিযোগ করেন, এক প্রতিবেশীর সঙ্গে তাঁর বাবার সম্পর্ক রয়েছে। এ নিয়ে তাঁর মা প্রতিবাদ করলে তাঁকে প্রায়ই মারধর করা হতো। অভিযুক্ত স্বামী মোসলেহ উদ্দিন দাবি করেন, ‘আমার মেয়ে বলেছে মুগুর দিয়ে পিটিয়ে হত্যা করেছি, এটা ঠিক না। কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে আমি স্ত্রীকে কয়েকটি চড়-থাপ্পড় দেই। এই মারধরে স্ত্রী মারা যেতে পারে না। তবে ময়নাতদন্তের রিপোর্টে যদি আমি মেরেছি এমন প্রমাণিত হয়, যে শাস্তি আসে, আমি তা মাথা পেতে নেব।’ তাঁর বিরুদ্ধে বিয়ে বহির্ভূত সম্পর্কের অভিযোগটি সম্পূর্ণ মিথ্যা বলে দাবি করেন তিনি। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পুলিশ পরিদর্শক শাহাদাত হোসেন জানান, পারিবারিক কলহে স্বামী-স্ত্রীর বিরোধের একপর্যায়ে স্বামী স্ত্রীকে মারধর করেন। নিহতের বাম চোখ, মুখ, ঠোঁট ও হাতে আঘাতের চিহ্ন দেখা গেছে। তবে কী কারণে মৃত্যু হয়েছে, ময়নাতদন্তের রিপোর্ট না আসা পর্যন্ত কিছুই বলা যাচ্ছে না। তদন্ত চলছে। দেবিদ্বার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুজ্জামান জানান, মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় নিহতের ভাই শাহপরান বাদী হয়ে মোসলেহ উদ্দিনকে একমাত্র আসামি করে মামলা দায়ের করেছেন। অভিযুক্ত মোসলেহ উদ্দিনকে কোর্ট হাজতে পাঠানো হয়েছে।


বগুড়ার ৯ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সবাই ফেল, কারণ খুঁজতে ইউএনওদের নির্দেশ

বগুড়ার ৯ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সবাই ফেল, কারণ খুঁজতে ইউএনওদের নির্দেশ

শূন্য পাসের তালিকায় থাকা নয়টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে আটটি দাখিল মাদ্রাসা এবং একটি কারিগরি প্রতিষ্ঠান। ফল বিপর্যয়ের কারণ অনুসন্ধানে সংশ্লিষ্ট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের (ইউএনও) নির্দেশ দিয়েছে জেলা প্রশাসন। আজ সোমবার এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রকাশের পর বগুড়ার এসব প্রতিষ্ঠানের ফলাফল সামনে আসে। জেলা শিক্ষা বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, শূন্য পাসের তালিকায় রয়েছে গাবতলী উপজেলার কামারচট্ট বাঠাতন নেছা আলিম মাদ্রাসা, শিবগঞ্জ উপজেলার বালা বত্রিশ দাখিল মাদ্রাসা, ধাড়িয়া গাংগইট দাখিল মাদ্রাসা ও দুদাহার রহমানিয়া দাখিল মাদ্রাসা। এ ছাড়া শেরপুর উপজেলার কল্যাণী বালিকা দাখিল মাদ্রাসা ও মধ্যভাগ বালিকা দাখিল মাদ্রাসা, ধুনট উপজেলার হাজী কাজেম জোবেদা টেকনিক্যাল বিএম কলেজ এবং রাঙ্গামাটি বালিকা দাখিল মাদ্রাসা এবং সোনাতলা উপজেলার তেকানী চুকাইনগর পিএম দাখিল মাদ্রাসার কোনো পরীক্ষার্থীই এবার পাস করতে পারেনি। গাবতলীর কামারচট্ট বাঠাতন নেছা আলিম মাদ্রাসার সুপার আব্দুল জলিল বলেন, ‘আমার ৫০ বছরের কর্মজীবনে এটি সবচেয়ে দুর্বল ব্যাচ। শিক্ষার্থীদের ভালো ফলের জন্য অনেক চেষ্টা করেছি। এক বা দুটি বিষয়ে ফেল করায় কেউ পাস করতে পারেনি।’ আব্দুল জলিল জানান, ওই মাদ্রাসায় ২১ জন শিক্ষক রয়েছেন। এত শিক্ষক থাকার পরও এমন ফল কেন হলো, সেটি তাঁরাও বুঝতে পারছেন না। শিবগঞ্জের বালা বত্রিশ দাখিল মাদ্রাসার সুপার জুয়েলুর রহমান বলেন, এবার তাঁর প্রতিষ্ঠান থেকে পাঁচজন শিক্ষার্থী দাখিল পরীক্ষায় অংশ নেয়। তাদের কেউ পাস করেনি। তিনি বলেন, প্রতিষ্ঠানটি নন-এমপিওভুক্ত। শিক্ষার্থীদের অনিয়মিত উপস্থিতি ও পড়াশোনায় অনাগ্রহের কারণে ফল খারাপ হয়ে থাকতে পারে। বগুড়ার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) সালমা আক্তার বলেন, নয়টি প্রতিষ্ঠানের ফল বিপর্যয়ের কারণ খুঁজে দেখা হবে। প্রতিষ্ঠানপ্রধানদের সঙ্গে কথা বলে বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে। ইতিমধ্যে সংশ্লিষ্ট ইউএনওদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। সালমা আক্তার বলেন, ‘প্রতিষ্ঠানগুলোতে শিক্ষক সংকট আছে কি না, কিংবা অন্য কোনো সহযোগিতার প্রয়োজন রয়েছে কি না, সেগুলোও দেখা হবে। কারণ চিহ্নিত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’


কসোভো পার্লামেন্টে উত্তেজনা, প্রধানমন্ত্রীকে ডিম ছুড়ে মারলেন সংসদ সদস্য

কসোভো পার্লামেন্টে উত্তেজনা, প্রধানমন্ত্রীকে ডিম ছুড়ে মারলেন সংসদ সদস্য

গভীর রাজনৈতিক সংকটের মুখে পড়েছে কসোভো। দেশটির পার্লামেন্টের অধিবেশনে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। এর জেরে পার্লামেন্টের অধিবেশন স্থগিত করা হয়েছে। চলতি সপ্তাহে অধিবেশন চলাকালে দেশটির অন্তর্বর্তী প্রধানমন্ত্রী আলবিন কুর্তিকে ডিম ছুড়ে মারার পর এ পদক্ষেপ নেওয়া হয়। সম্প্রতি হংকংভিত্তিক ইংরেজি পত্রিকা সাউথ চায়না মর্নিং পোস্টের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।এতে বলা হয়েছে, গত শনিবার পার্লামেন্টে উত্তেজনা চরম আকার ধারণ করে। এ সময় বিরোধীদলীয় এক আইনপ্রণেতা অন্তর্বর্তী প্রধানমন্ত্রীকে ডিম ছুড়ে মারেন। দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক সংকটের মধ্যে আরেকটি আগাম নির্বাচনের আশঙ্কার সময় এমন ঘটনা ঘটেছে। ইউরোপের নবীনতম গণতন্ত্রের এ দেশটিতে গত দুই বছরেরও কম সময়ে তিনটি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। গভীর রাজনৈতিক বিভাজনের কারণে পরপর সংসদ ভেঙে দেওয়া হয়েছে। নতুন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের জন্য বিরোধী দলগুলোর সঙ্গে দীর্ঘ আলোচনার পরও ভোট বিলম্বিত করার চেষ্টার অভিযোগে টিম কাদ্রিজাজ নামের এক সংসদ সদস্য অন্তর্বর্তী প্রধানমন্ত্রীর দিকে ডিম ছুড়ে মারেন। ‘ধিক্কার তোমাকে!’ বলে সংসদের সামনের সারিতে বসে থাকা প্রধানমন্ত্রীর দিকে ডিম ছুড়ে মারেন কাদ্রিজাজ। এ সময় অধিবেশনের প্রেসিডেন্ট সরাসরি সম্প্রচার বন্ধ করার নির্দেশ দেন এবং নিরাপত্তাকর্মীরা প্রধানমন্ত্রীকে সুরক্ষা দেন। এ ঘটনার পর কাদ্রিজাজ বলেন, ডিম ছুড়ে মারার কারণে যদি আমাকে মূল্য দিতে হয়, তাহলে আমি তা দিতে প্রস্তুত রয়েছি। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কসোভোর পার্লামেন্টে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির ঘটনা নতুন নয়। এর আগেও  পার্লামেন্টে কাঁদানে গ্যাস ছুড়ে মারা হয়েছিল। কুর্তির ভেতেভেন্দোসে (ভিভি) দল গত জুনের নির্বাচনে সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে শীর্ষস্থান অধিকার করেছে। যদিও নতুন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের জন্য এখনো দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা প্রয়োজন। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এখন পর্যন্ত কোনো পক্ষই প্রার্থী নিয়ে একমত হতে পারেনি। ফলে কুর্তি এক অচলাবস্থার মধ্যে পড়েছেন। গত শুক্রবার সংসদের স্পিকার নির্বাচনের সাংবিধানিক সময়সীমা শেষ হয়ে যাওয়ায় কসোভোর রাজনৈতিক অঙ্গন আবারও গভীর অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়েছে।  


এসএসসিতে জিপিএ-৫ পেল যমজ বোন

এসএসসিতে জিপিএ-৫ পেল যমজ বোন

একই বিদ্যালয় থেকে একই সময়ে পরীক্ষায় অংশ নিয়ে দুজনের এমন সাফল্যে পরিবার, বিদ্যালয় ও এলাকাজুড়ে আনন্দের সৃষ্টি হয়েছে। নাওমি ও নাওফি সুজানগর মহিলা ডিগ্রি কলেজের সহকারী অধ্যাপক (আইসিটি) জহুর আহমাদ সরকার নিক্সন ও উপজেলার সেলিম রেজা হাবিব ডিগ্রি কলেজের প্রভাষক (ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি) মনিরা পারভীন দম্পতির কন্যা। তাদের বাড়ি সুজানগর পৌরসভার মানিকদীর এলাকায়। বিদ্যালয় ও পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, এবারের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় সুজানগর সরকারি পাইলট মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের বিজ্ঞান শাখা থেকে অংশ নেয় সাইয়িদা জান্নাত নাওমি ও সাইয়িদা জাহান নাওফি। ছোটবেলা থেকেই পড়াশোনার প্রতি তাদের আগ্রহ ও নিয়মিত চর্চা এই সাফল্যের পেছনে বড় ভূমিকা রেখেছে বলে জানান পরিবারের সদস্যরা। নাওমি ও নাওফি বলেন, আমরা একই দিনে পৃথিবীতে এসেছি এবং একসঙ্গে বেড়ে উঠছি। একই বিদ্যালয় থেকে পরীক্ষা দিয়ে দুজনেই ট্যালেন্টপুলে বৃত্তি পাওয়ায় আমরা খুব আনন্দিত। এ সাফল্যের জন্য বাবা-মা ও শিক্ষকদের প্রতি আমরা কৃতজ্ঞ। তাদের উৎসাহ ও সহযোগিতা আমাদের এগিয়ে যেতে অনুপ্রেরণা দিয়েছে। তারা আরও বলেন, ভবিষ্যতে তারা চিকিৎসক হয়ে দেশের সেবা করতে চায়। নিজেদের স্বপ্ন পূরণে সবার কাছে দোয়া ও আশীর্বাদ কামনা করেছে তারা। মা মনিরা পারভীন বলেন, অভিভাবকরা যদি সন্তানদের সময় দেন এবং পড়াশোনার প্রতি উৎসাহিত করেন, তাহলে তারা অবশ্যই ভালো কিছু করতে পারবে। বাবা জহুর আহমাদ সরকার নিক্সন বলেন, আমার প্রত্যাশা, মেয়েরা শিক্ষার ধারাবাহিক সাফল্য ধরে রেখে জীবনে প্রতিষ্ঠিত হবে এবং সমাজের জন্য ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে। তাদের ডাক্তার হওয়ার স্বপ্ন পূরণে সবার কাছে দোয়া চাই। সুজানগর সরকারি পাইলট মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জামিল আক্তার বলেন, নাওমি ও নাওফি পড়াশোনার প্রতি আগ্রহ, নিয়ম-শৃঙ্খলা ও নম্র আচরণে প্রশংসনীয়। তারা শুধু মেধাবী নয়, ভালো মানুষ হিসেবেও নিজেদের গড়ে তুলছে। তাদের এ অর্জনে আমরা শিক্ষকরা গর্বিত। ভবিষ্যতে তারা আরও ভালো করবে বলে আশা করি।


এসএসসিতে দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ডের ১৮ বিদ্যালয়ের সবাই ফেল

এসএসসিতে দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ডের ১৮ বিদ্যালয়ের সবাই ফেল

দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ডে এবারের মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) পরীক্ষার ফলাফলে হতাশাজনক চিত্র ফুটে উঠেছে। বোর্ডটির অধীনে রংপুর বিভাগের আট জেলার মোট ১৮টি বিদ্যালয়ের কোনো শিক্ষার্থীই পাস করতে পারেনি। এরমধ্যে সর্বোচ্চ শূন্যে পাসের বিদ্যালয় পাঁচটিই ঠাকুরগাঁও জেলার। এরপরে কুড়িগ্রামে রয়েছে চারটি বিদ্যালয়, রংপুর, পঞ্চগড় ও গাইবান্ধায় জেলায় রয়েছে দুটি করে এবং দিনাজপুর, লালমনিরহাট ও নীলফামারীতে একটি করে বিদ্যালয় রয়েছে। পাস শূন্য ১৮ বিদ্যালয়ের তালিকায় রংপুরের পীরগঞ্জ উপজেলার কুমারপুর উচ্চ বিদ্যালয় ও ঘাসিপুর উচ্চ বিদ্যালয়, গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলার উত্তর দামোদরপুর কাগজীপাড়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ও পলাশবাড়ী উপজেলার মনোহরপুর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, নীলফামারীর ডোমার উপজেলার আমবাড়ী বহুমুখী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, কুড়িগ্রামের রাজারহাট উপজেলার তালতলা উচ্চ বিদ্যালয়, ব্রাহ্মণপাড়া উচ্চ বিদ্যালয়, ভুরুঙ্গামারী উপজেলার পাথরডুবি আদর্শ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় এবং সদর উপজেলার পূর্ব কুমারপুর আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়। লালমনিরহাটের কালীগঞ্জ উপজেলার এ.এম. রথবাড়ী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, দিনাজপুরের নবাবগঞ্জ উপজেলার গোলাপগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয়, ঠাকুরগাঁও সদরের আকছা আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়, অনভার দিঘী উচ্চ বিদ্যালয়, মাধবপুর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, তওয়ারীগাঁও উচ্চ বিদ্যালয় ও হরিপুর উপজেলার রামপুর ভাটুরিয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ও পঞ্চগড়ের বোদা উপজেলার বলরামহাট মডেল বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় এবং বোদা সরদারপাড়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়। দিনাজপুর মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষাবোর্ডের অধীনে প্রতিষ্ঠানগুলো থেকে একজন শিক্ষার্থীও পাস না করার বিষয়টি শিক্ষা সংশ্লিষ্ট মহলে ব্যাপক উদ্বেগের সৃষ্টি করেছে। অভিভাবক ও স্থানীয় শিক্ষানুরাগীদের মতে, এসব প্রতিষ্ঠানে শিক্ষকতার মান, নিয়মিত ক্লাসের অনুপস্থিতি এবং প্রশাসনিক নজরদারির অভাবই এই বিপর্যয়ের মূল কারণ। এদিকে শিক্ষা বোর্ড কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, শতভাগ অকৃতকার্য হওয়া এসব প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। দিনাজপুর মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষাবোর্ডে এসএসসি পরীক্ষার ফলাফলে পাশের হার কমেছে। চলতি বছর এসএসসি পরীক্ষার ফলাফল তলানিতে গিয়ে পৌঁছেছে। এক বছরের ব্যবধানে এই বোর্ডে পাশের হার কমেছে ৮ দশমিক ৯৮ শতাংশ। চলতি বছর পাশের হার নেমে এসেছে ৫৮ দশমিক ০৫। পাশের হারের পাশাপাশি জিপিএ-৫ কমেছে। পাশাপাশি বেড়েছে শূন্য ফলাফল করা স্কুলের সংখ্যা। প্রকাশিত ফলাফলে দেখা যায়, চলতি বছর এই বোর্ডে পাশের হার দাঁড়িয়েছে ৫৮ দশমিক ০৫ শতাংশে। গত বছর পাশের হার ছিল ৬৭.০৩। গত বছরের তুলনায় চলতি বছর পাশের হার কমেছে ৮ দশমিক ৯৮ শতাংশ। বোর্ডের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষায় মোট পরীক্ষার্থী ছিল ১ লাখ ৮৩ হাজার ৬৯৪ জন। এর মধ্যে পরীক্ষায় অংশ নেয় ১ লাখ ৮০ হাজার ৭৫২ জন। তাদের মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছে ১ লাখ ৪ হাজার ৯২৫ জন। অর্থাৎ ৭৮ হাজার ৭৬৯ জন পরীক্ষার্থী উত্তীর্ণ হতে পারেনি। এ ছাড়া ২ হাজার ৯৪১ জন পরীক্ষার্থী পরীক্ষায় অনুপস্থিত ছিল। ফল বিপর্যয় প্রসঙ্গে জানতে চাইলে দিনাজপুর মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষাবোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ইলিয়াস আহমেদ বলেন, ফলাফল কেন কমেছে, এর কারণ জানতে হলে বিষয়টি খতিয়ে দেখতে হবে। কোথায় সমস্যা হচ্ছে, তা পর্যালোচনা না করে এখনই বলা সম্ভব নয়। আমরা আগে ফলাফল পর্যালোচনা করব। মোটামুটি এবার সব শিক্ষা বোর্ডেই ফলাফল কিছুটা কমেছে।


যশোর বোর্ডে এসএসসিতে শতভাগ পাস ৩৬ স্কুল, ফেল ১১টি

যশোর বোর্ডে এসএসসিতে শতভাগ পাস ৩৬ স্কুল, ফেল ১১টি

 আজ সোমবার প্রকাশিত ফলাফলে এ চিত্র উঠে এসেছে। এবার শতভাগ পাস করেছে ৩৬টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা, গত বছর এই সংখ্যা ছিল ৭৫টি। আর শতভাগ ফেল ১১টি প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা। গত বছর এই সংখ্যা ছিল দুটি। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন যশোর মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষানিয়ন্ত্রক প্রফেসর এস এম হোসেন আলী। যশোর মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এসএসসি পরীক্ষায় এবার ২ হাজার ৫৮১টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ১ লাখ ৩২ হাজার ৯৪০ জন শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেছে। এই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে ৩৬টির সব শিক্ষার্থী উত্তীর্ণ হয়েছে। তবে যশোর বোর্ডে কমেছে শতভাগ উত্তীর্ণ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সংখ্যা। গত বছর ৭৫টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সব শিক্ষার্থী উত্তীর্ণ হয়েছিল। পাশাপাশি গত বছর শতভাগ ফেলের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ছিল মাত্র দুটি। এবার এই সংখ্যা ১১টি। এর মধ্যে চারটি করে প্রতিষ্ঠান যশোরে ও সাতক্ষীরায় এবং দুটি খুলনায় ও একটি বাগেরহাটে। প্রতিষ্ঠানগুলো হচ্ছে—যশোরের মণিরামপুর উপজেলায় হেলাঞ্চি কৃষ্ণবাটি মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয় (পরীক্ষার্থী একজন) ও চান্দুয়া সমসকাটি গার্লস হাইস্কুল (তিনজন), শার্শা উপজেলায় সাড়াতলা জুনিয়র গার্লস হাইস্কুল (দুজন) ও মুক্তিযোদ্ধা জিকেজিএস সেকেন্ডারি গার্লস স্কুল (একজন), সাতক্ষীরা সদর উপজেলায় সাতক্ষীরা নাইসা সেকেন্ডারি স্কুল (সাতজন), আশাশুনি উপজেলায় গোদারা সেকেন্ডারি স্কুল (চারজন), দেবহাটা উপজেলায় বাবুরাবাদ ধাপুখালি সেকেন্ডারি স্কুল (চারজন) ও শ্যামনগর উপজেলায় সাহেবখালি সিদ্দিক গাজী মাধ্যমিক বিদ্যালয় (চারজন), খুলনার ডুমুরিয়া উপজেলায় কাতেঙ্গা মাধ্যমিক বিদ্যালয় (চারজন) ও খালিশপুরে আসমা সরওয়ার ইসলামিক উচ্চবিদ্যালয় (চারজন) এবং বাগেরহাটের শরণখোলা উপজেলায় ডি এন একতা বালিকা উচ্চবিদ্যালয় (দুজন)। গত বছর শতভাগ ফেলের দুটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ছিল—নড়াইলে মুলাদি তালতলা মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয় ও বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জে নাহালখালি মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়। এই স্কুল দুটি থেকে একজন করে ছাত্রী এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়ে ফেল করেছিল। যশোর বোর্ড সূত্র জানায়, ২০২৪ সালে শতভাগ পাস করেছিল ৪২২টি স্কুলের শিক্ষার্থীরা, ২০২৩ সালে শতভাগ পাসের প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ছিল ১৯৩টি। আর ২০২২ সালে শতভাগ উত্তীর্ণ প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ছিল ৫১৩টি। আর ২০২৪ সালে শতভাগ অনুত্তীর্ণ কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান না থাকলেও ২০২৩ সালে যশোর বোর্ডের তিনটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান যশোরের শার্শা উপজেলায় সাড়াতলা নিম্নমাধ্যমিক বিদ্যালয়, সাতক্ষীরার তালা উদয়ন মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও নড়াইলের মুলাদি তালতলা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সব শিক্ষার্থীই অনুত্তীর্ণ হয়েছিল। যশোর শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষানিয়ন্ত্রক অধ্যাপক এস এম হোসেন আলী বলেন, ইংরেজি ও গণিতে দুর্বলতার কারণে এবার পাসের হার কমেছে। খাতা সঠিকভাবে মূল্যায়ন করা হয়েছে এবং কাউকে অতিরিক্ত নম্বর দেওয়া হয়নি। শতভাগ ফেল প্রতিষ্ঠানগুলোর বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখছে শিক্ষা বোর্ড। শূন্য পাস করা ১১টি প্রতিষ্ঠানকে আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হবে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর একাডেমিক দুর্বলতা কিংবা শিক্ষকদের গাফিলতির প্রমাণ পাওয়া গেলে বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। প্রয়োজনে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের স্বীকৃতি বাতিলের বিষয়টিও বিবেচনা করা হবে।


চট্টগ্রাম বোর্ডে এসএসসির ফল ১৯ বছরের মধ্যে সবচেয়ে খারাপ

চট্টগ্রাম বোর্ডে এসএসসির ফল ১৯ বছরের মধ্যে সবচেয়ে খারাপ

চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের তথ্য অনুযায়ী, এবার মোট ১ লাখ ৩০ হাজার ২১৯ জন পরীক্ষার্থী অংশ নেয়। এর মধ্যে পাস করেছে ৭৭ হাজার ৪৫৩ জন। গত বছর পাস করেছিল ১ লাখ ১ হাজার ১৮১ জন। এবার শুধু একটি বিষয়ে অকৃতকার্য হয়েছে ২৮ হাজার ৭৭১ জন, যা মোট পরীক্ষার্থীর ২২ দশমিক ০৯ শতাংশ। বোর্ডের ২০০৭ থেকে ২০২৬ সাল পর্যন্ত ২০ বছরের ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা যায়, ২০০৭ সালে পাসের হার ছিল ৫৭ দশমিক ৯৪ শতাংশ। এরপর ২০০৯ সালে তা নেমেছিল ৬৯ দশমিক ৬১ শতাংশে। ২০২৬ সালের আগে আর কোনো বছর পাসের হার ৬৯ দশমিক ৬১ শতাংশের নিচে নামেনি। ২০২১ সালে বোর্ডের ইতিহাসে সর্বোচ্চ ৯১ দশমিক ১৩ শতাংশ শিক্ষার্থী পাস করে। এবার জিপিএ-৫ পেয়েছে ৯ হাজার ৩৯৮ জন শিক্ষার্থী। গত বছর এ সংখ্যা ছিল ১১ হাজার ৮৪৩। এর আগে ২০২৪ সালে ১০ হাজার ৮২৩ জন, ২০২৩ সালে ১১ হাজার ৪৫০ জন, ২০২২ সালে ১৮ হাজার ৬৬৪ জন এবং ২০২১ সালে ১২ হাজার ৭৯৫ জন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পেয়েছিল। এ ধরনের ফলাফলের বিষয়ে চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক ড. পারভেজ সাজ্জাদ চৌধুরী বলেন, ‘এবারের ফল বিপর্যয়ের কারণ হিসেবে শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার প্রতি অনাগ্রহের বিষয়টি উল্লেখ করা যায়। পড়াশোনা ছেড়ে শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন বিষয়ে আন্দোলনমুখী হয়ে পড়েছে। এর প্রভাব ফলাফলেও পড়েছে।’ চট্টগ্রাম বোর্ডের তথ্য অনুযায়ী, এবার ইংরেজি প্রথমপত্রে পাসের হার ৭২ দশমিক ২৭ শতাংশ এবং গণিতে ৮০ দশমিক ০৫ শতাংশ, যা অন্যান্য বিষয়ের তুলনায় কম। এক বিষয়ে বিপুলসংখ্যক শিক্ষার্থীর অকৃতকার্য হওয়াও সামগ্রিক পাসের হার কমার অন্যতম কারণ হিসেবে দেখা হচ্ছে। তিন পার্বত্য জেলার ফলও সামগ্রিক ফলাফলে বড় প্রভাব ফেলেছে। রাঙামাটিতে এবার পাসের হার ৪১ দশমিক ১৭ শতাংশ, যা ২০২৫ সালে ছিল ৫৬ দশমিক ৫৫ শতাংশ। খাগড়াছড়িতে পাসের হার ৩৪ দশমিক ৯৯ শতাংশ, যা ২০২৫ সালে ছিল ৬০ দশমিক ৭৭ শতাংশ। বান্দরবানে এবার পাসের হার ৪৭ দশমিক ৮৮ শতাংশ, যা ২০২৫ সালে ছিল ৬৩ দশমিক ১২ শতাংশ। চট্টগ্রাম শিক্ষাবোর্ডের উপ-পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক মোহাম্মদ আবদুল মান্নান বলেন, ‘তিন পার্বত্য জেলার ফলাফল সামগ্রিক ফলাফলের উপর সব সময় প্রভাব ফেলে। এবারের প্রভাবটা বেশ বিপর্যয়কর ও বড়।’


ঘুমের মধ্যে ছোবল, সাপসহ রোগী নিয়ে হাসপাতালে স্বজনেরা

ঘুমের মধ্যে ছোবল, সাপসহ রোগী নিয়ে হাসপাতালে স্বজনেরা

ঠাকুরগাঁওয়ের ভূল্লী উপজেলায় ঘুমিয়ে থাকা চৈতী রানী (৫৫) নামের এক নারী সাপের ছোবলে আহত হয়েছেন। তাঁকে উদ্ধার করে পঞ্চগড়ের বোদা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। এ সময় স্বজনেরা সাপটিকেও সঙ্গে নিয়ে হাসপাতালে হাজির হন। আজ সোমবার ভোরে উপজেলার দারাজগাঁও এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, গভীর রাতে ঘুমন্ত অবস্থায় চৈতী রানীর বাঁ পায়ে সাপ ছোবল দেয়। বিষয়টি টের পেয়ে পরিবারের সদস্যরা তাঁকে উদ্ধার করেন। পরে মাছ ধরার কোচ দিয়ে সাপটিকে আটকে ফেলেন তাঁরা। এরপর চৈতী রানীকে চিকিৎসার জন্য বোদা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয়। সঙ্গে সাপটিকেও নিয়ে যান স্বজনেরা। পরে চিকিৎসকেরা সাপটিকে বিষধর হিসেবে শনাক্ত করেন এবং চৈতী রানীকে অ্যান্টিভেনম দেন। বোদা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা মো. লুৎফুল কবীর বলেন, ভোরে একজন সাপে কাটা রোগী হাসপাতালে আসেন। তাঁর সঙ্গে সাপটিকেও নিয়ে আসেন স্বজনেরা। সাপটি বিষধর হিসেবে শনাক্ত হওয়ায় রোগীকে অ্যান্টিভেনম দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে তিনি ভালো আছেন।


গুমের শিকার সোহেলের ছেলে এসএসসিতে উত্তীর্ণ, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের শুভেচ্ছা

গুমের শিকার সোহেলের ছেলে এসএসসিতে উত্তীর্ণ, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের শুভেচ্ছা

২০১৩ সালে গুমের শিকার সূত্রাপুর থানা ছাত্রদল নেতা খালেদ হাসান সোহেলের ছেলে মো. সাদমান শিহাব চলতি বছরের এসএসসি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছে। তার এ সাফল্যে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সোমবার (১০ আগস্ট) এসএসসি পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশিত হলে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান শিহাবের কাছে শুভেচ্ছা উপহার পৌঁছে দিতে তার অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমনকে নির্দেশ দেন। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী আতিকুর রহমান রুমনের সমন্বয়ে ‘আমরা বিএনপি পরিবার’র সদস্য সচিব মোকছেদুল মোমিন মিথুনের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদল পুরান ঢাকার বাংলাবাজার এলাকায় শিহাবের বাসায় যায়। এ সময় প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে শিহাবের হাতে ফুল, মিষ্টি ও গল্পের বই উপহার হিসেবে তুলে দেওয়া হয় এবং তার উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ কামনা করা হয়।  আরও পড়ুনআরও পড়ুনবিদেশে পড়তে যাওয়া শিক্ষার্থীদের সুখবর দিল বাংলাদেশ ব্যাংক এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন ‘আমরা বিএনপি পরিবার’র সদস্য মাসুদ রানা লিটন, মুস্তাকিম বিল্লাহ, ছাত্রদল নেতা আব্দুল্লাহ আল মিসবাহ, উত্তরাঞ্চল ছাত্র-ফোরামের সহ সভাপতি ফারজানা রিমি প্রমুখ। উল্লেখ্য, ২০১৩ সালের ২৮ নভেম্বর রাজধানীর পুরনো কেন্দ্রীয় কারাগার এলাকা থেকে খালেদা হাসান সোহেলকে সাদা পোশাকধারীরা তুলে নিয়ে যায়। এরপর থেকে আজ পর্যন্ত তার কোনো খোঁজ পাওয়া যায়নি।


বাবার মরদেহ বাড়িতে রেখে পরীক্ষায় বসা ঋতু পেলেন জিপিএ-৫, উচ্চশিক্ষা নিয়ে অনিশ্চয়তা

বাবার মরদেহ বাড়িতে রেখে পরীক্ষায় বসা ঋতু পেলেন জিপিএ-৫, উচ্চশিক্ষা নিয়ে অনিশ্চয়তা

তবে পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম বাবাকে হারিয়ে উচ্চ শিক্ষা নিয়ে শঙ্কায় পড়েছে অদম্য মেধাবী মেয়েটি। ঋতু উপজেলার হাকিমপুর ইউনিয়নের হাকিমপুর গ্রামের মৃত কবির হোসেন ও রেহেনা খাতুন দম্পতির ২ মেয়ের মধ্যে ছোট। ঋতুর পরিবার ও স্কুল সূত্রে জানা যায়, ঋতুরা দুই বোন। বড় বোনের বিয়ে হয়ে গেছে। ক্যান্সার আক্রান্ত বাবাকে বাড়িতে রেখে ২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষা শুরু করে ঋতু। পরীক্ষা চলাকালীন সময়ে ঋতুর বাবা কবির হোসেন বেশি অসুস্থ হয়ে পড়লে যশোর ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ১০ মে ঋতুর বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা পরীক্ষা ছিল। সেদিন ভোররাতে ঋতুর বাবা হাসপাতালে মারা যান। মরদেহ বাড়িতে আনার প্রক্রিয়া শুরু হয় সকালেই। অন্যদিকে উপজেলা শহর থেকে ১০ কিলোমিটার দুরের গ্রাম হাকিমপুর থেকে চৌগাছা শহরের ছারা পাইলট বালিকা বিদ্যালয় কেন্দ্রে ঋতুর পরীক্ষা। ঋতুকে পরিবারের পক্ষ থেকে জানতে দেওয়া হয়নি যে তার বাবা মারা গেছেন। ঋতু পরীক্ষা কেন্দ্রে পৌঁছানোর পর মরদেহ নেওয়া হয় বাড়িতে। পরীক্ষা শেষে বাড়িতে গিয়ে ঋতু জানতে পারে বাবা আর বেঁচে নেই। শেষবারের মতো বাবার মুখ দেখে বিদায় দিয়ে পরবর্তী পরীক্ষার প্রস্তুতিতে বসতে হয় তার। বাবা হারানোর শোক নিয়েই পরবর্তী পরীক্ষাগুলো শেষ করে ঋতু। সোমবার রেজাল্টের পর দেখা যায় ঋতু জিপিএ-৫ পেয়েছে। রেজাল্টের পর প্রতিক্রিয়ায় ঋতু জানায়, বাবা বেঁচে থাকলে রেজাল্ট দেখে খুবই খুশি হতেন। সবার কাছে বাবার জন্য দোয়া প্রার্থনার পাশাপাশি বাবার অবর্তমানে নিজের উচ্চশিক্ষা নিয়ে শঙ্কার কথাও জানিয়েছে সে। স্কুলের সিনিয়র সহকারী শিক্ষক শাহানা খাতুন জানান, ঋতু খুবই মেধাবী। ঋতু ভালো করবে এটা শিক্ষকরা প্রত্যাশা করতেন। অসুস্থ বাবা ও পরিবারের দারিদ্রতার বাধা ঋতুর ফলাফলে কোনো বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারেনি। স্কুলের শিক্ষকদের প্রত্যাশা ঋতু ভবিষ্যতেও সাফল্যের স্বাক্ষর রাখবে। দিনমজুর বাবাহারা ঋতুর জন্য সমাজের বিত্তবানদের ঋতুর পাশে দাঁড়ানোর আহবান জানিয়ে তিনি বলেন, কোনো শিক্ষাবৃত্তির ব্যবস্থা করতে পারলে ঋতুর উচ্চশিক্ষা সহজ হবে। চৌগাছা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফারজানা ইসলাম বলেন, এটি খুবই খুশির সংবাদ। উপজেলা প্রশাসন এই অদম্য মেধাবীর পাশে থাকবে। ঋতুর উচ্চশিক্ষার বিষয়ে সর্বোচ্চ সহায়তা করা হবে বলেও জানান তিনি।


রাষ্ট্রবিরোধী অপতৎপরতায় জড়িত ইবির ৪৪ শিক্ষকের বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন জমা

রাষ্ট্রবিরোধী অপতৎপরতায় জড়িত ইবির ৪৪ শিক্ষকের বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন জমা

'মারতে নয়, আমাকে বাঁচাতে এসেছিলেন অভি রহমান'—দাবি ভুক্তভোগীর, অভিযোগ প্রত্যাহার

'মারতে নয়, আমাকে বাঁচাতে এসেছিলেন অভি রহমান'—দাবি ভুক্তভোগীর, অভিযোগ প্রত্যাহার

ঢাবিতে কালো দিবস আজ, ২০০৭ সালের ঘটনার স্মরণে আলোচনা সভা

ঢাবিতে কালো দিবস আজ, ২০০৭ সালের ঘটনার স্মরণে আলোচনা সভা

বর্ণিল আয়োজনে শেষ হলো ‘DUSA Photography Contest 2026’, প্রকাশ পেল বিজয়ীদের নাম

বর্ণিল আয়োজনে শেষ হলো ‘DUSA Photography Contest 2026’, প্রকাশ পেল বিজয়ীদের নাম

ইবি উপাচার্যের সঙ্গে সম্পর্কের টানাপোড়েনে প্রশাসনের কর্মসূচি বর্জন করলো ছাত্রদল

ইবি উপাচার্যের সঙ্গে সম্পর্কের টানাপোড়েনে প্রশাসনের কর্মসূচি বর্জন করলো ছাত্রদল

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের দুই বছর : তারুণ্যের ভাবনায় আগামীর বাংলাদেশ

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের দুই বছর : তারুণ্যের ভাবনায় আগামীর বাংলাদেশ

বাংলা, ইতিহাস ও দর্শনের অনার্স কোর্স বাতিল হচ্ছে

বাংলা, ইতিহাস ও দর্শনের অনার্স কোর্স বাতিল হচ্ছে

ঢাবি টিএসসিতে ৪৯তম বিশেষ বিসিএস  কর্মকর্তাদের গেট টুগেদার

ঢাবি টিএসসিতে ৪৯তম বিশেষ বিসিএস কর্মকর্তাদের গেট টুগেদার

জ্বালানি সাশ্রয়ে ভার্চুয়াল সভা-সেমিনার ও প্রশিক্ষণে জোর দেওয়ার নির্দেশ

জ্বালানি সাশ্রয়ে ভার্চুয়াল সভা-সেমিনার ও প্রশিক্ষণে জোর দেওয়ার নির্দেশ

জাবিতে গাঁজাসহ বহিরাগত আটক, কর্মচারীদের সম্পৃক্ততার দাবি জাকসু সদস্যের

জাবিতে গাঁজাসহ বহিরাগত আটক, কর্মচারীদের সম্পৃক্ততার দাবি জাকসু সদস্যের

তারেক রহমানের কর্মসূচির অংশ হিসেবে শহীদুল্লাহ হলে বৃক্ষরোপণ

তারেক রহমানের কর্মসূচির অংশ হিসেবে শহীদুল্লাহ হলে বৃক্ষরোপণ

ঢাবিতে DUES-এর বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি, সবুজ ক্যাম্পাস গড়ার আহ্বান

ঢাবিতে DUES-এর বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি, সবুজ ক্যাম্পাস গড়ার আহ্বান

বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় নতুন কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক আক্তারুজ্জামান খান

বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় নতুন কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক আক্তারুজ্জামান খান

নজরুল বিশ্ববিদ্যালয় তরুণ কলাম লেখক ফোরামের সভাপতি ইকবাল, সাধারণ সম্পাদক মীম‎

নজরুল বিশ্ববিদ্যালয় তরুণ কলাম লেখক ফোরামের সভাপতি ইকবাল, সাধারণ সম্পাদক মীম‎

জাবির শের-ই-বাংলা হল ডিবেটিং ক্লাবের সভাপতি নাহিয়ান, সম্পাদক মুজাহিদ

জাবির শের-ই-বাংলা হল ডিবেটিং ক্লাবের সভাপতি নাহিয়ান, সম্পাদক মুজাহিদ

ইবিতে তালাবদ্ধ ও প্রক্টোরিয়াল বডির সঙ্গে অসদাচরণ : তথ্য চেয়েছে তদন্ত কমিটি

ইবিতে তালাবদ্ধ ও প্রক্টোরিয়াল বডির সঙ্গে অসদাচরণ : তথ্য চেয়েছে তদন্ত কমিটি

নোবিপ্রবিতে  ‘Sustainability Frontiers’ সেমিনার

নোবিপ্রবিতে ‘Sustainability Frontiers’ সেমিনার

রাষ্ট্রবিরোধী অপতৎপরতায় জড়িত ইবির ৪৪ শিক্ষকের বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন জমা

রাষ্ট্রবিরোধী অপতৎপরতায় জড়িত ইবির ৪৪ শিক্ষকের বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন জমা

ক্যান্সার সচেতনতায় ইবিতে সিসিআরটিবি'র অ্যান্টিক্যান্সার ফল বিতরণ কর্মসূচি

ক্যান্সার সচেতনতায় ইবিতে সিসিআরটিবি'র অ্যান্টিক্যান্সার ফল বিতরণ কর্মসূচি

ঢাবিতে কালো দিবস আজ, ২০০৭ সালের ঘটনার স্মরণে আলোচনা সভা

ঢাবিতে কালো দিবস আজ, ২০০৭ সালের ঘটনার স্মরণে আলোচনা সভা