ঢাকা    শুক্রবার, ০৭ আগস্ট ২০২৬, ২৩ শ্রাবণ ১৪৩৩
The Campus Times online

ইসরায়েলি আগ্রাসনে ধ্বংস হওয়া গাজার একটি আবাসিক এলাকার ধ্বংসস্তূপ থেকে আড়াই বছরেরও বেশি সময় পর উদ্ধার করা হয়েছে ১১২ জনের দেহাবশেষ। নিহতদের মধ্যে অন্তত ৪০ জন শিশু ছিল বলে জানা গেছে। গত মঙ্গলবার উদ্ধার করা এসব দেহাবশেষ ধর্মীয় রীতি অনুযায়ী দাফন করেন স্থানীয়রা।

গাজার ধ্বংসস্তূপ থেকে আড়াই বছর পর উদ্ধার ৪০ শিশুসহ ১১২ জনের লাশ দাফন



গাজার ধ্বংসস্তূপ থেকে আড়াই বছর পর উদ্ধার ৪০ শিশুসহ ১১২ জনের লাশ দাফন
গাজায় উদ্ধার হওয়া ১১২ জনের মরদেহের স্মরণে গণ জানাজা ও দাফন কার্যক্রম (৪ আগস্ট)। নিহতরা ২০২৩ সালে ইসরায়েলি হামলার শুরুতে প্রাণ হারান। ছবি: মাহমুদ আবু হামদা।

২০২৩ সালের নভেম্বরে গাজা সিটির ওই আবাসিক ব্লকটি বিমান হামলায় গুঁড়িয়ে দিয়েছিল ইসরায়েলি বাহিনী। এতে সাবরার বেদুইন বংশোদ্ভূত ফিলিস্তিনি গোত্র ‘আল-হাসায়না’ প্রায় নিশ্চিহ্ন হয়ে যায় বলে জানিয়েছে রয়টার্স।

ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩ সালের ২২ নভেম্বর ইসরায়েলি বিমান হামলায় বৃহত্তর আল-হাসায়না পরিবারের ৩০৮ জন নিহত হন। আবু শারিয়া নামেও পরিচিত এই পরিবারের সদস্যরা গাজা সিটির পুরোনো এলাকা সাবরার একটি অ্যাপার্টমেন্ট ব্লকে অবস্থান করছিলেন। হামলার সময় রাত হওয়ায় ভবনের বাসিন্দারা ঘুমিয়ে ছিলেন।

হামলার পর প্রায় অর্ধেক মরদেহ উদ্ধার করে দাফন করা হলেও ১৫৩ জনের দেহাবশেষ ধ্বংসস্তূপের নিচে রয়ে যায়। প্রায় তিন বছর পর উদ্ধারকারী দলের ৪০ সদস্য টানা ১৭ দিন অভিযান চালিয়ে ধ্বংসস্তূপের নিচ থেকে নিখোঁজ ১১২ জনের দেহাবশেষ উদ্ধার করেন।

গত মঙ্গলবার প্রতিবেশী ও পরিবারের বেঁচে যাওয়া সদস্যরা ধ্বংসস্তূপ সরিয়ে সমতল করা একটি স্থানে জড়ো হন। সেখানে উদ্ধার করা দেহাবশেষ এনে জানাজা শেষে দাফন করা হয়। ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষ এটিকে গাজা যুদ্ধের সবচেয়ে বড় গণজানাজা হিসেবে উল্লেখ করেছে।

জানাজার পর লোকজন লাশবাহী কফিনগুলো কাঁধে তুলে নিয়ে গোরস্তানের দিকে রওনা হয়। কফিনের সামনের অংশগুলো নিহত নারী, পুরুষ ও শিশুদের ছবি দিয়ে সাজানো ছিল।

এদিকে গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলের চলমান সামরিক অভিযানে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৭৩ হাজার ৩৮১ জনে পৌঁছেছে বলে জানিয়েছে গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। গতকাল বুধবার প্রকাশিত সর্বশেষ তথ্যে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় গাজার বিভিন্ন এলাকায় ইসরায়েলি হামলায় দুই ফিলিস্তিনি নিহত এবং একজন আহত হয়েছেন। এ ছাড়া আগের হামলায় আহত আরও দুইজন চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন।

বিষয় : ফিলিস্তিন যুদ্ধ ইসরায়েল গাজা

The Campus Times online

শুক্রবার, ০৭ আগস্ট ২০২৬


গাজার ধ্বংসস্তূপ থেকে আড়াই বছর পর উদ্ধার ৪০ শিশুসহ ১১২ জনের লাশ দাফন

প্রকাশের তারিখ : ০৬ আগস্ট ২০২৬

featured Image

২০২৩ সালের নভেম্বরে গাজা সিটির ওই আবাসিক ব্লকটি বিমান হামলায় গুঁড়িয়ে দিয়েছিল ইসরায়েলি বাহিনী। এতে সাবরার বেদুইন বংশোদ্ভূত ফিলিস্তিনি গোত্র ‘আল-হাসায়না’ প্রায় নিশ্চিহ্ন হয়ে যায় বলে জানিয়েছে রয়টার্স।

ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩ সালের ২২ নভেম্বর ইসরায়েলি বিমান হামলায় বৃহত্তর আল-হাসায়না পরিবারের ৩০৮ জন নিহত হন। আবু শারিয়া নামেও পরিচিত এই পরিবারের সদস্যরা গাজা সিটির পুরোনো এলাকা সাবরার একটি অ্যাপার্টমেন্ট ব্লকে অবস্থান করছিলেন। হামলার সময় রাত হওয়ায় ভবনের বাসিন্দারা ঘুমিয়ে ছিলেন।

হামলার পর প্রায় অর্ধেক মরদেহ উদ্ধার করে দাফন করা হলেও ১৫৩ জনের দেহাবশেষ ধ্বংসস্তূপের নিচে রয়ে যায়। প্রায় তিন বছর পর উদ্ধারকারী দলের ৪০ সদস্য টানা ১৭ দিন অভিযান চালিয়ে ধ্বংসস্তূপের নিচ থেকে নিখোঁজ ১১২ জনের দেহাবশেষ উদ্ধার করেন।

গত মঙ্গলবার প্রতিবেশী ও পরিবারের বেঁচে যাওয়া সদস্যরা ধ্বংসস্তূপ সরিয়ে সমতল করা একটি স্থানে জড়ো হন। সেখানে উদ্ধার করা দেহাবশেষ এনে জানাজা শেষে দাফন করা হয়। ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষ এটিকে গাজা যুদ্ধের সবচেয়ে বড় গণজানাজা হিসেবে উল্লেখ করেছে।

জানাজার পর লোকজন লাশবাহী কফিনগুলো কাঁধে তুলে নিয়ে গোরস্তানের দিকে রওনা হয়। কফিনের সামনের অংশগুলো নিহত নারী, পুরুষ ও শিশুদের ছবি দিয়ে সাজানো ছিল।

এদিকে গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলের চলমান সামরিক অভিযানে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৭৩ হাজার ৩৮১ জনে পৌঁছেছে বলে জানিয়েছে গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। গতকাল বুধবার প্রকাশিত সর্বশেষ তথ্যে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় গাজার বিভিন্ন এলাকায় ইসরায়েলি হামলায় দুই ফিলিস্তিনি নিহত এবং একজন আহত হয়েছেন। এ ছাড়া আগের হামলায় আহত আরও দুইজন চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন।


The Campus Times online

সাধারণ সম্পাদক: মোঃ সেলিম রেজা
প্রকাশক: মোঃ সেলিম রেজা (বিএ, অনার্স, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়)

কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত ক্যাম্পাস টাইমস অনলাইন
গাজার ধ্বংসস্তূপ থেকে আড়াই বছর পর উদ্ধার ৪০ শিশুসহ ১১২ জনের লাশ দাফন
0:00 0:00
1.0x