ঢাকা    বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ৩০ আশ্বিন ১৪৩৩
The Campus Times online

ঢাবির শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের মামলা ও তদন্তের অগ্রগতি প্রকাশের দাবি এইচআরডিএসের



ঢাবির শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের মামলা ও তদন্তের অগ্রগতি প্রকাশের দাবি এইচআরডিএসের

ঢাবি প্রতিনিধি

রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে একাডেমিক কার্যক্রমে অংশগ্রহণে বাধার মুখে থাকা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে চলমান মামলা ও তদন্তের অগ্রগতি প্রকাশের দাবি জানিয়েছে মানবাধিকার সংগঠন হিউম্যান রাইটস ডিফেন্ডারস সোসাইটি (এইচআরডিএস), ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ইউনিট। একই সঙ্গে মামলাগুলোর আইনানুগ নিষ্পত্তি এবং সংশ্লিষ্ট সবার মানবাধিকার ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছে সংগঠনটি।

বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) গণমাধ্যমে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ দাবি জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিটি পাঠান সংগঠনটির ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ইউনিটের দপ্তর সম্পাদক তারিফ আহাম্মেদ তুহিন।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়ার অভিযোগে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্তত ৬৮ জন শিক্ষক পাঠদান থেকে বিরত রয়েছেন। এসব শিক্ষকের বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের তদন্ত ও অভিযোগ নিষ্পত্তির অগ্রগতি নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। কয়েকজন শিক্ষকের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক শাস্তিমূলক ব্যবস্থাও নেওয়া হয়েছে। তবে প্রশাসনিক তদন্ত, বিশ্ববিদ্যালয়ের শাস্তিমূলক ব্যবস্থা এবং ফৌজদারি মামলা পৃথক বিষয় হওয়ায় প্রতিটি ক্ষেত্রে অভিযোগের ধরন, গৃহীত ব্যবস্থা ও বর্তমান অবস্থা স্পষ্ট করা প্রয়োজন।

এ ছাড়া কার্যক্রম নিষিদ্ধ বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট শিক্ষার্থীদের একাংশের একাডেমিক কার্যক্রমে অংশগ্রহণ নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেছে সংগঠনটি। বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, ২০২৫ সালের জানুয়ারি পর্যন্ত বিভাগীয় বয়কটের কারণে ছাত্রলীগের বিভিন্ন পর্যায়ের দুই শতাধিক নেতাকর্মী পরীক্ষায় অংশ নিতে পারেননি। একই বছরের জুলাইয়ে জুলাই আন্দোলনে শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা ও নির্যাতনে জড়িত থাকার অভিযোগে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ১২৮ জনকে সাময়িক বহিষ্কার করে।

এইচআরডিএসের মতে, এসব ঘটনায় সংশ্লিষ্ট শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলা, বিশ্ববিদ্যালয়ের তদন্ত এবং একাডেমিক কার্যক্রমে অংশগ্রহণের পরিস্থিতি পৃথকভাবে পর্যালোচনা করা প্রয়োজন।

সংগঠনটি বলেছে, রাজনৈতিক পরিচয়, মতাদর্শ কিংবা সাংগঠনিক সংশ্লিষ্টতা নির্বিশেষে প্রত্যেক ব্যক্তির আইনের সমান আশ্রয় ও সুরক্ষা পাওয়ার অধিকার রয়েছে। কারও বিরুদ্ধে অপরাধের অভিযোগ থাকলে তা নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রমাণের ভিত্তিতে নিষ্পত্তি করতে হবে। অভিযোগের নিষ্পত্তি না করে দীর্ঘদিন অনিশ্চয়তার মধ্যে রাখা কিংবা আইনগত ভিত্তি ছাড়া একাডেমিক কার্যক্রমে অংশগ্রহণের সুযোগ সীমিত করা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির পেশাগত ও শিক্ষাজীবনে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, জুলাই গণঅভ্যুত্থানে সংঘটিত হামলা, নির্যাতন কিংবা অন্য কোনো অপরাধের অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্ত এবং ভুক্তভোগীদের ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। একই সঙ্গে অভিযুক্ত শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ, ন্যায়সংগত বিচার এবং আইনগত অধিকার নিশ্চিত করাও আইনের শাসনের অপরিহার্য শর্ত। অভিযোগের গুরুত্ব বিবেচনায় যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়ার পাশাপাশি রাজনৈতিক পরিচয়ের ভিত্তিতে নির্বিচার সিদ্ধান্ত গ্রহণ থেকেও বিরত থাকতে হবে।

এ অবস্থায় ছয় দফা দাবি জানিয়েছে এইচআরডিএস। দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে—শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলাগুলোর বর্তমান অবস্থা পর্যালোচনা করে প্রয়োজনীয় তথ্য প্রকাশ, তদন্তাধীন মামলা, অভিযোগপত্র দাখিল হওয়া মামলা ও বিচারাধীন মামলার সংখ্যা স্পষ্ট করা এবং তদন্ত ও বিচারপ্রক্রিয়া দ্রুত নিষ্পত্তি করা।

এ ছাড়া শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে গঠিত তদন্ত কমিটির কার্যক্রম, অগ্রগতি ও সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা; একাডেমিক কার্যক্রমে অংশগ্রহণে বাধার কারণ ও আইনগত ভিত্তি পর্যালোচনা করা; অপরাধের অভিযোগ প্রমাণিত হলে আইন ও প্রাতিষ্ঠানিক বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া এবং অভিযোগ প্রমাণিত না হলে বা বিধিনিষেধ বহাল রাখার আইনগত ভিত্তি না থাকলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের অধিকার পুনঃপ্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেওয়ার দাবি জানিয়েছে সংগঠনটি।

এইচআরডিএস আরও বলেছে, জুলাই গণঅভ্যুত্থানে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি ও ভুক্তভোগীদের ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার পাশাপাশি অভিযুক্তদেরও ন্যায়সংগত বিচার ও আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ দিতে হবে। কোনো পক্ষের অধিকার সুরক্ষা যেন অন্য পক্ষের ন্যায়বিচার পাওয়ার অধিকার ক্ষুণ্ন না করে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বিশ্ববিদ্যালয় হবে জ্ঞানচর্চা, মুক্তবুদ্ধি ও ন্যায়বিচারের ক্ষেত্র। সেখানে রাজনৈতিক পরিচয়ের কারণে কোনো অভিযোগ উপেক্ষা করা যেমন গ্রহণযোগ্য নয়, তেমনি অভিযোগের নিষ্পত্তি ছাড়াই কাউকে অনির্দিষ্টকাল অধিকারবঞ্চিত রাখাও সমর্থনযোগ্য নয়। অপরাধের বিচার হতে হবে প্রমাণ ও আইনের ভিত্তিতে এবং প্রত্যেক ব্যক্তির অধিকার সুরক্ষিত হতে হবে ন্যায়সংগত প্রক্রিয়ার মাধ্যমে।

The Campus Times online

বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬


ঢাবির শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের মামলা ও তদন্তের অগ্রগতি প্রকাশের দাবি এইচআরডিএসের

প্রকাশের তারিখ : ১৫ অক্টোবর ২০২৬

featured Image

ঢাবি প্রতিনিধি

রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে একাডেমিক কার্যক্রমে অংশগ্রহণে বাধার মুখে থাকা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে চলমান মামলা ও তদন্তের অগ্রগতি প্রকাশের দাবি জানিয়েছে মানবাধিকার সংগঠন হিউম্যান রাইটস ডিফেন্ডারস সোসাইটি (এইচআরডিএস), ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ইউনিট। একই সঙ্গে মামলাগুলোর আইনানুগ নিষ্পত্তি এবং সংশ্লিষ্ট সবার মানবাধিকার ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছে সংগঠনটি।

বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) গণমাধ্যমে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ দাবি জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিটি পাঠান সংগঠনটির ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ইউনিটের দপ্তর সম্পাদক তারিফ আহাম্মেদ তুহিন।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়ার অভিযোগে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্তত ৬৮ জন শিক্ষক পাঠদান থেকে বিরত রয়েছেন। এসব শিক্ষকের বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের তদন্ত ও অভিযোগ নিষ্পত্তির অগ্রগতি নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। কয়েকজন শিক্ষকের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক শাস্তিমূলক ব্যবস্থাও নেওয়া হয়েছে। তবে প্রশাসনিক তদন্ত, বিশ্ববিদ্যালয়ের শাস্তিমূলক ব্যবস্থা এবং ফৌজদারি মামলা পৃথক বিষয় হওয়ায় প্রতিটি ক্ষেত্রে অভিযোগের ধরন, গৃহীত ব্যবস্থা ও বর্তমান অবস্থা স্পষ্ট করা প্রয়োজন।

এ ছাড়া কার্যক্রম নিষিদ্ধ বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট শিক্ষার্থীদের একাংশের একাডেমিক কার্যক্রমে অংশগ্রহণ নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেছে সংগঠনটি। বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, ২০২৫ সালের জানুয়ারি পর্যন্ত বিভাগীয় বয়কটের কারণে ছাত্রলীগের বিভিন্ন পর্যায়ের দুই শতাধিক নেতাকর্মী পরীক্ষায় অংশ নিতে পারেননি। একই বছরের জুলাইয়ে জুলাই আন্দোলনে শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা ও নির্যাতনে জড়িত থাকার অভিযোগে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ১২৮ জনকে সাময়িক বহিষ্কার করে।

এইচআরডিএসের মতে, এসব ঘটনায় সংশ্লিষ্ট শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলা, বিশ্ববিদ্যালয়ের তদন্ত এবং একাডেমিক কার্যক্রমে অংশগ্রহণের পরিস্থিতি পৃথকভাবে পর্যালোচনা করা প্রয়োজন।

সংগঠনটি বলেছে, রাজনৈতিক পরিচয়, মতাদর্শ কিংবা সাংগঠনিক সংশ্লিষ্টতা নির্বিশেষে প্রত্যেক ব্যক্তির আইনের সমান আশ্রয় ও সুরক্ষা পাওয়ার অধিকার রয়েছে। কারও বিরুদ্ধে অপরাধের অভিযোগ থাকলে তা নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রমাণের ভিত্তিতে নিষ্পত্তি করতে হবে। অভিযোগের নিষ্পত্তি না করে দীর্ঘদিন অনিশ্চয়তার মধ্যে রাখা কিংবা আইনগত ভিত্তি ছাড়া একাডেমিক কার্যক্রমে অংশগ্রহণের সুযোগ সীমিত করা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির পেশাগত ও শিক্ষাজীবনে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, জুলাই গণঅভ্যুত্থানে সংঘটিত হামলা, নির্যাতন কিংবা অন্য কোনো অপরাধের অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্ত এবং ভুক্তভোগীদের ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। একই সঙ্গে অভিযুক্ত শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ, ন্যায়সংগত বিচার এবং আইনগত অধিকার নিশ্চিত করাও আইনের শাসনের অপরিহার্য শর্ত। অভিযোগের গুরুত্ব বিবেচনায় যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়ার পাশাপাশি রাজনৈতিক পরিচয়ের ভিত্তিতে নির্বিচার সিদ্ধান্ত গ্রহণ থেকেও বিরত থাকতে হবে।

এ অবস্থায় ছয় দফা দাবি জানিয়েছে এইচআরডিএস। দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে—শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলাগুলোর বর্তমান অবস্থা পর্যালোচনা করে প্রয়োজনীয় তথ্য প্রকাশ, তদন্তাধীন মামলা, অভিযোগপত্র দাখিল হওয়া মামলা ও বিচারাধীন মামলার সংখ্যা স্পষ্ট করা এবং তদন্ত ও বিচারপ্রক্রিয়া দ্রুত নিষ্পত্তি করা।

এ ছাড়া শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে গঠিত তদন্ত কমিটির কার্যক্রম, অগ্রগতি ও সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা; একাডেমিক কার্যক্রমে অংশগ্রহণে বাধার কারণ ও আইনগত ভিত্তি পর্যালোচনা করা; অপরাধের অভিযোগ প্রমাণিত হলে আইন ও প্রাতিষ্ঠানিক বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া এবং অভিযোগ প্রমাণিত না হলে বা বিধিনিষেধ বহাল রাখার আইনগত ভিত্তি না থাকলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের অধিকার পুনঃপ্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেওয়ার দাবি জানিয়েছে সংগঠনটি।

এইচআরডিএস আরও বলেছে, জুলাই গণঅভ্যুত্থানে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি ও ভুক্তভোগীদের ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার পাশাপাশি অভিযুক্তদেরও ন্যায়সংগত বিচার ও আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ দিতে হবে। কোনো পক্ষের অধিকার সুরক্ষা যেন অন্য পক্ষের ন্যায়বিচার পাওয়ার অধিকার ক্ষুণ্ন না করে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বিশ্ববিদ্যালয় হবে জ্ঞানচর্চা, মুক্তবুদ্ধি ও ন্যায়বিচারের ক্ষেত্র। সেখানে রাজনৈতিক পরিচয়ের কারণে কোনো অভিযোগ উপেক্ষা করা যেমন গ্রহণযোগ্য নয়, তেমনি অভিযোগের নিষ্পত্তি ছাড়াই কাউকে অনির্দিষ্টকাল অধিকারবঞ্চিত রাখাও সমর্থনযোগ্য নয়। অপরাধের বিচার হতে হবে প্রমাণ ও আইনের ভিত্তিতে এবং প্রত্যেক ব্যক্তির অধিকার সুরক্ষিত হতে হবে ন্যায়সংগত প্রক্রিয়ার মাধ্যমে।



The Campus Times online

সাধারণ সম্পাদক: মোঃ সেলিম রেজা
প্রকাশক: মোঃ সেলিম রেজা (বিএ, অনার্স, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়)

কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত ক্যাম্পাস টাইমস অনলাইন
ঢাবির শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের মামলা ও তদন্তের অগ্রগতি প্রকাশের দাবি এইচআরডিএসের
0:00 0:00
1.0x