ঢাকা    শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ২৩ কার্তিক ১৪৩৩
The Campus Times online

স্বাধীনতার পর যদি জিয়াউর রহমান না আসতেন, তবে বাংলাদেশ আর বাংলাদেশ থাকত না



স্বাধীনতার পর যদি জিয়াউর রহমান না আসতেন, তবে বাংলাদেশ আর বাংলাদেশ থাকত না

বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে (বাকৃবি) জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের তাৎপর্য শীর্ষক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শনিবার (৭ নভেম্বর) সকাল সাড়ে ১০টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদীন মিলনায়তনে জাতীয় দিবস উদযাপন কমিটির উদ্যোগে এ আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। 

জাতীয় দিবস উদযাপন কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. মো. আবদুল আলীমের সভাপতিত্বে এবং অধ্যাপক ড. মো. শহিদুল ইসলামের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রফিকুল ইসলাম সরদার। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার কৃষিবিদ ড. মো. হেলাল উদ্দীন, কৃষি অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মাসুম আহমাদ, মাৎস্যবিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. আলী রেজা ফারুক এবং সোনালী দলের সভাপতি অধ্যাপক ড. মো. হাম্মাদুর রহমান।

এ ছাড়া অনুষ্ঠানে উচ্চশিক্ষা ও গবেষণা কমিটির সমন্বয়ক, কোষাধ্যক্ষ, বিভিন্ন ইনস্টিটিউটের পরিচালক, আবাসিক হলগুলোর প্রভোস্ট, ছাত্রনেতা এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

পবিত্র কোরআন তিলাওয়াতের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের কার্যক্রম শুরু হয়। পরে ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর সংঘটিত ঐতিহাসিক ঘটনাবলির ওপর একটি প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়। এরপর বিভিন্ন ছাত্রনেতা তাদের বক্তব্যে দিবসটির ঐতিহাসিক তাৎপর্য তুলে ধরেন। এ সময় তারা জাতীয় ঐক্য, সংহতি ও দেশপ্রেমের চেতনা তুলে ধরেন।

আলোচনা সভার পরবর্তী পর্বে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকরা তাদের বক্তব্যে ৭ নভেম্বরের ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট, ঘটনাপ্রবাহ ও জাতীয় জীবনে এর গুরুত্ব নিয়ে আলোচনা করেন।

সভাপতির বক্তব্যে অধ্যাপক আবদুল আলীম আক্ষেপ প্রকাশ করে বলেন, দীর্ঘ ১৮ বছর ধরে আমাদের শিক্ষার্থীরা একটি বিশেষ ঐতিহাসিক দিবস ও তার প্রকৃত ইতিহাস থেকে বঞ্চিত ছিল। তবে আজ আমাদের তরুণ সমাজ সুস্থ জাতীয়তাবাদী আদর্শে উজ্জীবিত। তাদের সামনে এই দিবসের সঠিক ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটটি তুলে আনতে হবে।

তিনি আরও বলেন, আমাদের সবসময় 'সবার আগে বাংলাদেশ' এই চেতনায় কাজ করে যেতে হবে। আগামীর দেশ পরিচালনার দায়িত্ব কাঁধে নেওয়ার জন্য শিক্ষার্থীদের এখন থেকেই নিজেদের দেশপ্রেমিক, যোগ্য ও দক্ষ নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলার প্রস্তুতি নিতে হবে।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে বাকৃবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রফিকুল ইসলাম সরদার বলেন, স্বাধীনতার ঘোষক জিয়াউর রহমান বাংলাদেশের জন্য আশীর্বাদ হয়ে এসেছিলেন। তিনি ছিলেন একজন খাঁটি দেশপ্রেমিক। দেশের ক্রান্তিলগ্নে তিনি হাল ধরে বাংলাদেশকে এগিয়ে নিয়ে গেছেন। আজ সকালে একটি টকশোতে এক সেনা কর্মকর্তার বক্তব্যের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, ‘স্বাধীনতার পর যদি জিয়াউর রহমান না আসতেন, তবে বাংলাদেশ আর বাংলাদেশ থাকত না।’ তিনি আরও বলেন, জিয়া পরিবারের উত্তরসূরি হিসেবে তারেক রহমানও এখন দেশ পরিচালনার দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি কৃষি নিয়ে চিন্তাভাবনা করেন এবং কৃষির উন্নয়ন নিয়ে স্বপ্ন দেখেন। তার সেই স্বপ্ন বাস্তবায়নে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় যেন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে, সে লক্ষ্যে আমাদের সবাইকে সচেষ্ট থাকতে হবে।

উল্লেখ্য, জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে একটি রচনা প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়েছে। প্রতিযোগিতায় বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করতে পারবেন। আগ্রহীদের আগামী ৯ নভেম্বরের মধ্যে রচনা লিখে ছাত্রবিষয়ক উপদেষ্টার কার্যালয়ে জমা দিতে হবে।

The Campus Times online

শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬


স্বাধীনতার পর যদি জিয়াউর রহমান না আসতেন, তবে বাংলাদেশ আর বাংলাদেশ থাকত না

প্রকাশের তারিখ : ০৭ নভেম্বর ২০২৬

featured Image

বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে (বাকৃবি) জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের তাৎপর্য শীর্ষক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শনিবার (৭ নভেম্বর) সকাল সাড়ে ১০টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদীন মিলনায়তনে জাতীয় দিবস উদযাপন কমিটির উদ্যোগে এ আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। 

জাতীয় দিবস উদযাপন কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. মো. আবদুল আলীমের সভাপতিত্বে এবং অধ্যাপক ড. মো. শহিদুল ইসলামের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রফিকুল ইসলাম সরদার। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার কৃষিবিদ ড. মো. হেলাল উদ্দীন, কৃষি অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মাসুম আহমাদ, মাৎস্যবিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. আলী রেজা ফারুক এবং সোনালী দলের সভাপতি অধ্যাপক ড. মো. হাম্মাদুর রহমান।

এ ছাড়া অনুষ্ঠানে উচ্চশিক্ষা ও গবেষণা কমিটির সমন্বয়ক, কোষাধ্যক্ষ, বিভিন্ন ইনস্টিটিউটের পরিচালক, আবাসিক হলগুলোর প্রভোস্ট, ছাত্রনেতা এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

পবিত্র কোরআন তিলাওয়াতের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের কার্যক্রম শুরু হয়। পরে ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর সংঘটিত ঐতিহাসিক ঘটনাবলির ওপর একটি প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়। এরপর বিভিন্ন ছাত্রনেতা তাদের বক্তব্যে দিবসটির ঐতিহাসিক তাৎপর্য তুলে ধরেন। এ সময় তারা জাতীয় ঐক্য, সংহতি ও দেশপ্রেমের চেতনা তুলে ধরেন।

আলোচনা সভার পরবর্তী পর্বে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকরা তাদের বক্তব্যে ৭ নভেম্বরের ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট, ঘটনাপ্রবাহ ও জাতীয় জীবনে এর গুরুত্ব নিয়ে আলোচনা করেন।

সভাপতির বক্তব্যে অধ্যাপক আবদুল আলীম আক্ষেপ প্রকাশ করে বলেন, দীর্ঘ ১৮ বছর ধরে আমাদের শিক্ষার্থীরা একটি বিশেষ ঐতিহাসিক দিবস ও তার প্রকৃত ইতিহাস থেকে বঞ্চিত ছিল। তবে আজ আমাদের তরুণ সমাজ সুস্থ জাতীয়তাবাদী আদর্শে উজ্জীবিত। তাদের সামনে এই দিবসের সঠিক ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটটি তুলে আনতে হবে।

তিনি আরও বলেন, আমাদের সবসময় 'সবার আগে বাংলাদেশ' এই চেতনায় কাজ করে যেতে হবে। আগামীর দেশ পরিচালনার দায়িত্ব কাঁধে নেওয়ার জন্য শিক্ষার্থীদের এখন থেকেই নিজেদের দেশপ্রেমিক, যোগ্য ও দক্ষ নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলার প্রস্তুতি নিতে হবে।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে বাকৃবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রফিকুল ইসলাম সরদার বলেন, স্বাধীনতার ঘোষক জিয়াউর রহমান বাংলাদেশের জন্য আশীর্বাদ হয়ে এসেছিলেন। তিনি ছিলেন একজন খাঁটি দেশপ্রেমিক। দেশের ক্রান্তিলগ্নে তিনি হাল ধরে বাংলাদেশকে এগিয়ে নিয়ে গেছেন। আজ সকালে একটি টকশোতে এক সেনা কর্মকর্তার বক্তব্যের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, ‘স্বাধীনতার পর যদি জিয়াউর রহমান না আসতেন, তবে বাংলাদেশ আর বাংলাদেশ থাকত না।’ তিনি আরও বলেন, জিয়া পরিবারের উত্তরসূরি হিসেবে তারেক রহমানও এখন দেশ পরিচালনার দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি কৃষি নিয়ে চিন্তাভাবনা করেন এবং কৃষির উন্নয়ন নিয়ে স্বপ্ন দেখেন। তার সেই স্বপ্ন বাস্তবায়নে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় যেন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে, সে লক্ষ্যে আমাদের সবাইকে সচেষ্ট থাকতে হবে।

উল্লেখ্য, জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে একটি রচনা প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়েছে। প্রতিযোগিতায় বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করতে পারবেন। আগ্রহীদের আগামী ৯ নভেম্বরের মধ্যে রচনা লিখে ছাত্রবিষয়ক উপদেষ্টার কার্যালয়ে জমা দিতে হবে।



The Campus Times online

সাধারণ সম্পাদক: মোঃ সেলিম রেজা
প্রকাশক: মোঃ সেলিম রেজা (বিএ, অনার্স, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়)

কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত ক্যাম্পাস টাইমস অনলাইন
স্বাধীনতার পর যদি জিয়াউর রহমান না আসতেন, তবে বাংলাদেশ আর বাংলাদেশ থাকত না
0:00 0:00
1.0x