ঢাকা    বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬, ৪ আষাঢ় ১৪৩৩
The Campus Times online

চট্টগ্রামের পটিয়ায় অপহরণের দুই দিন পর পাঁচ বছর বয়সী শিশু মো. জায়হানের বস্তাবন্দী মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। মুক্তিপণের দাবিতে লেখা একটি চিরকুট পাওয়ার ২৪ ঘণ্টা না পেরোতেই তার মরদেহ উদ্ধার হওয়ায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

‘পুলিশের কাছে গেলে লাশ পাবি’—চিরকুটের ২৪ ঘণ্টা না পেরোতেই অপহৃত শিশুর বস্তাবন্দী মরদেহ উদ্ধার



‘পুলিশের কাছে গেলে লাশ পাবি’—চিরকুটের ২৪ ঘণ্টা না পেরোতেই অপহৃত শিশুর বস্তাবন্দী মরদেহ উদ্ধার
নিহত মো. জায়হান। ছবি: সংগৃহীত

চট্টগ্রামের পটিয়ায় অপহরণের দুই দিন পর পাঁচ বছর বয়সী শিশু মো. জায়হানের বস্তাবন্দী মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। মুক্তিপণের দাবিতে লেখা একটি চিরকুট পাওয়ার ২৪ ঘণ্টা না পেরোতেই তার মরদেহ উদ্ধার হওয়ায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৯ জুন) ভোররাত সাড়ে ৩টার দিকে পটিয়া পৌরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ডের দক্ষিণ গোবিন্দারখীল এলাকার নিজ বাড়ির পাশের একটি ময়লার ভাগাড় থেকে শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

নিহত জায়হান ওই এলাকার শাহজাহানের ছেলে। অপহরণের পর মুক্তিপণের দাবির একটি চিরকুট পাওয়া যায়। পরে সেই চিরকুটের সূত্র ধরে অভিযান চালিয়ে ঘটনায় জড়িত সন্দেহে পাঁচজনকে আটক করেছে পুলিশ।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার (১৭ জুন) দুপুরে বাড়ির সামনে খেলাধুলার সময় নিখোঁজ হয় জায়হান। পরিবারের সদস্যরা সম্ভাব্য সব জায়গায় খোঁজাখুঁজি করেও তার কোনো সন্ধান পাননি। পরদিন বিকেলে শাহজাহানের শয়নকক্ষের বিছানার ওপর একটি হাতে লেখা চিঠি পাওয়া যায়।

চিঠিতে লেখা ছিল, ‘তোর ছেলে আমাদের কাছে আছে। ছেলেকে পেতে চাইলে যেটা বলছি সেটা শুন। আধা ঘণ্টার মধ্যে তিন লাখ টাকা এবং তোর পরিবারের যেকোনো একজনের মোবাইল আনলক করে একটি ব্যাগে ভরে বাড়ির সামনের রাস্তার পাশের ভাঙা দোকানের ভেতর রেখে দিবি।’

এ ছাড়া চিঠিতে হুমকি দিয়ে আরও লেখা হয়, ‘কাউকে কিছু বলবি না। পুলিশকে জানালে ছেলের লাশ পাবি।’

চিঠির বিষয়টি জানাজানি হলে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে সেটি আলামত হিসেবে জব্দ করে এবং তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় তদন্ত শুরু করে।

স্বজনদের অভিযোগ, অর্থ আদায়ের উদ্দেশ্যে পরিকল্পিতভাবে জায়হানকে অপহরণ করা হয়। পরে ধরা পড়ে যাওয়ার আশঙ্কায় তাকে হত্যা করা হয়। হত্যার পর মরদেহ বস্তায় ভরে বাড়ির পাশের ময়লার ভাগাড়ে ফেলে রাখা হয়। তাদের দাবি, ঘটনার পর অভিযুক্ত প্রতিবেশীরাও শিশুটিকে খোঁজার নামে পরিবারের সঙ্গে ছিলেন, যাতে সন্দেহ এড়ানো যায়।

পটিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জিয়াউল হক জানান, শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহটি চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে পাঁচজনকে আটক করা হয়েছে। তাদের জিজ্ঞাসাবাদ চলছে। তদন্তের স্বার্থে এ মুহূর্তে বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা যাচ্ছে না।

বিষয় : মরদেহ পুলিশ উদ্ধার চট্টগ্রাম বিভাগ

The Campus Times online

বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬


‘পুলিশের কাছে গেলে লাশ পাবি’—চিরকুটের ২৪ ঘণ্টা না পেরোতেই অপহৃত শিশুর বস্তাবন্দী মরদেহ উদ্ধার

প্রকাশের তারিখ : ১৮ জুন ২০২৬

featured Image

চট্টগ্রামের পটিয়ায় অপহরণের দুই দিন পর পাঁচ বছর বয়সী শিশু মো. জায়হানের বস্তাবন্দী মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। মুক্তিপণের দাবিতে লেখা একটি চিরকুট পাওয়ার ২৪ ঘণ্টা না পেরোতেই তার মরদেহ উদ্ধার হওয়ায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৯ জুন) ভোররাত সাড়ে ৩টার দিকে পটিয়া পৌরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ডের দক্ষিণ গোবিন্দারখীল এলাকার নিজ বাড়ির পাশের একটি ময়লার ভাগাড় থেকে শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

নিহত জায়হান ওই এলাকার শাহজাহানের ছেলে। অপহরণের পর মুক্তিপণের দাবির একটি চিরকুট পাওয়া যায়। পরে সেই চিরকুটের সূত্র ধরে অভিযান চালিয়ে ঘটনায় জড়িত সন্দেহে পাঁচজনকে আটক করেছে পুলিশ।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার (১৭ জুন) দুপুরে বাড়ির সামনে খেলাধুলার সময় নিখোঁজ হয় জায়হান। পরিবারের সদস্যরা সম্ভাব্য সব জায়গায় খোঁজাখুঁজি করেও তার কোনো সন্ধান পাননি। পরদিন বিকেলে শাহজাহানের শয়নকক্ষের বিছানার ওপর একটি হাতে লেখা চিঠি পাওয়া যায়।

চিঠিতে লেখা ছিল, ‘তোর ছেলে আমাদের কাছে আছে। ছেলেকে পেতে চাইলে যেটা বলছি সেটা শুন। আধা ঘণ্টার মধ্যে তিন লাখ টাকা এবং তোর পরিবারের যেকোনো একজনের মোবাইল আনলক করে একটি ব্যাগে ভরে বাড়ির সামনের রাস্তার পাশের ভাঙা দোকানের ভেতর রেখে দিবি।’

এ ছাড়া চিঠিতে হুমকি দিয়ে আরও লেখা হয়, ‘কাউকে কিছু বলবি না। পুলিশকে জানালে ছেলের লাশ পাবি।’

চিঠির বিষয়টি জানাজানি হলে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে সেটি আলামত হিসেবে জব্দ করে এবং তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় তদন্ত শুরু করে।

স্বজনদের অভিযোগ, অর্থ আদায়ের উদ্দেশ্যে পরিকল্পিতভাবে জায়হানকে অপহরণ করা হয়। পরে ধরা পড়ে যাওয়ার আশঙ্কায় তাকে হত্যা করা হয়। হত্যার পর মরদেহ বস্তায় ভরে বাড়ির পাশের ময়লার ভাগাড়ে ফেলে রাখা হয়। তাদের দাবি, ঘটনার পর অভিযুক্ত প্রতিবেশীরাও শিশুটিকে খোঁজার নামে পরিবারের সঙ্গে ছিলেন, যাতে সন্দেহ এড়ানো যায়।

পটিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জিয়াউল হক জানান, শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহটি চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে পাঁচজনকে আটক করা হয়েছে। তাদের জিজ্ঞাসাবাদ চলছে। তদন্তের স্বার্থে এ মুহূর্তে বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা যাচ্ছে না।


The Campus Times online

সাধারণ সম্পাদক: মোঃ সেলিম রেজা
প্রকাশক: মোঃ সেলিম রেজা (বিএ, অনার্স, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়)

কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত ক্যাম্পাস টাইমস অনলাইন
‘পুলিশের কাছে গেলে লাশ পাবি’—চিরকুটের ২৪ ঘণ্টা না পেরোতেই অপহৃত শিশুর বস্তাবন্দী মরদেহ উদ্ধার
0:00 0:00
1.0x