ঢাকা    মঙ্গলবার, ০২ জুন ২০২৬, ১৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
The Campus Times online

শিশুদের আশার আলো নাঈম



শিশুদের আশার আলো নাঈম
সাধারণ মানুষকে সচেতন করছেন নাঈম। ছবি: সংগৃহীত

শিশু সুরক্ষা, মানবতা আর সাহসিকতার এক উজ্জ্বল নাম মাহমুদুর রহমান নাঈম। মাত্র ২১ বছর বয়সে গাজীপুরের টঙ্গীর ঘনবসতিপূর্ণ শিল্পাঞ্চল থেকে উঠে এসে তিনি সমাজ পরিবর্তনের এক অনন্য উদাহরণ তৈরি করেছেন। বাল্যবিবাহ, শিশু পাচার, শিশুশ্রম ও যৌন সহিংসতার মতো কঠিন বাস্তবতার বিরুদ্ধে তাঁর নিরলস লড়াই তাঁকে স্থানীয় গণ্ডি পেরিয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও পরিচিত করেছে।

নাঈমের এই সংগ্রামী অধ্যায়ের সূচনা ২০২৪ সালে। টঙ্গীর ১৩ বছর বয়সী কিশোরী নিখোঁজ হওয়ার খবর পেয়ে তিনি দ্রুত তাঁর পরিবারের পাশে দাঁড়ান। থানায় সাধারণ ডায়েরি করা থেকে শুরু করে জাতীয় শিশু সহায়তা হেল্পলাইন ১০৯৮-এ যোগাযোগ করেন। প্রশাসনের সমন্বিত প্রচেষ্টায় ২৯ দিনের দীর্ঘ অনুসন্ধানের পর মেয়েটিকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়। অপরাধী গ্রেপ্তার হয়ে আদালতের মাধ্যমে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড পায়। সেই অভিজ্ঞতার কথা বলতে গিয়ে নাঈম বলেন, ‘মনে হয়েছিল, আমার নিজের বোনকে ফিরে পেলাম।’

তবে নাঈমের পথচলার শুরুটা ছিল ভিন্ন এক বাস্তবতায়। ছোটবেলায় মা-বাবাকে হারিয়ে নাঈম বড় হয়েছেন নানির আশ্রয়ে। ব্যক্তিগত সংগ্রামের পাশাপাশি তিনি এগিয়ে নিয়েছেন নিজের শিক্ষাজীবনও। টঙ্গীর আহসান উল্লাহ মাস্টার স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে এসএসসি এবং সাহাজউদ্দিন সরকার স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে এইচএসসি সম্পন্ন করেন। বর্তমানে তিনি টঙ্গী সরকারি কলেজের সমাজবিজ্ঞান বিভাগে অধ্যয়নরত।

দুই ভাই এবং এক বোনের মধ্যে নাঈম ছোট। চার বছর আগে মাকে হারানোর পর নানির স্নেহে তাঁর বেড়ে ওঠা। বর্তমানে তিনি গাজীপুরের টঙ্গীর এরশাদ নগরের ৪৯ নম্বর ওয়ার্ডে নানির সঙ্গে বসবাস করছেন। প্রতিকূল পরিবেশে বেড়ে উঠলেও দৃঢ় মনোবল, অধ্যবসায় এবং সমাজের প্রতি দায়বদ্ধতাই তাঁকে আজকের এই অবস্থানে পৌঁছে দিয়েছে।

শৈশবে নাঈম ছিলেন লাজুক ও অন্তর্মুখী। জনসমক্ষে কথা বলতে ভয় পেতেন। কিন্তু সমবয়সী কয়েকজন কিশোরের একটি শিশু ফোরামের সভায় অংশ নেওয়ার পর তাঁর জীবনে আসে বড় ধরনের পরিবর্তন। সেখান থেকে তিনি শিশু অধিকার সম্পর্কে জানতে পারেন এবং উপলব্ধি করেন, তিনিও তো একসময় সেই অধিকার থেকে বঞ্চিত ছিলেন।

এরপর আর থেমে থাকেননি। শিশু অধিকার, শিশু সুরক্ষা, শিশু সাংবাদিকতা, নেতৃত্ব এবং আন্তর্জাতিক অ্যাডভোকেসি বিষয়ে বিভিন্ন প্রশিক্ষণের মাধ্যমে নাঈম নিজেকে গড়ে তোলেন একজন দক্ষ সংগঠক ও প্রশিক্ষক হিসেবে। বর্তমানে তিনি একটি আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থার অধীনে টঙ্গী এরিয়া প্রোগ্রামের ইয়ুথ ফোরামের ভাইস প্রেসিডেন্ট এবং গ্লোবাল চেঞ্জ অ্যাম্বাসেডর হিসেবে কাজ করছেন।

২০২১ থেকে ২০২৬ সালের মধ্যে নাঈমের অর্জন সত্যিই বিস্ময়কর। এ সময়ে তিনি ১৩৮টি বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে বিশেষ ভূমিকা রেখেছেন। যৌন হয়রানির শিকার ১৫ জন শিশুর ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে সহায়তা করেছেন। ১৮টি ধর্ষণ মামলায় অপরাধীদের গ্রেপ্তারে সহযোগিতা করেছেন এবং অন্তত ১১ জন শিশুকে পাচারের হাত থেকে উদ্ধার করেছেন। তাঁর কাজ প্রমাণ করে, ইচ্ছা ও সাহস থাকলে একজন মানুষও বড় পরিবর্তন আনতে পারে।

মাঠপর্যায়ের কাজের পাশাপাশি সচেতনতা তৈরিতেও রয়েছে নাঈমের গুরুত্বপূর্ণ অবদান।

তাঁর নেতৃত্বে টঙ্গী এবং আশপাশের ৩০টির বেশি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সচেতনতামূলক সভা, উঠান বৈঠক, কর্মশালা ও গোলটেবিল আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এসব কার্যক্রমের মাধ্যমে ৩ লাখের বেশি শিক্ষার্থী শিশু অধিকার ও সুরক্ষা বিষয়ে প্রশিক্ষণ পেয়েছে। এ ছাড়া সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাঁর পরিচালিত বিভিন্ন প্রচারণা প্রায় ৪ লাখ মানুষের কাছে পৌঁছেছে।

নাঈমের উদ্যোগে পরিচালিত ফেসবুকভিত্তিক প্রচারণার মধ্যে রয়েছে শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয় প্রতিষ্ঠার দাবি, শিশুশ্রম প্রতিরোধ, প্রজনন স্বাস্থ্যসেবা, বায়ুদূষণ নিয়ন্ত্রণ এবং শিশু অধিকার বাস্তবায়নে গোলটেবিল আলোচনা ‘আমরা বলতে চাই, আমাদের কথা শুনুন।’ এসব উদ্যোগ তরুণদের মধ্যে সচেতনতা তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।

নাঈমের অসাধারণ কাজ আন্তর্জাতিক বিভিন্ন পর্যায়েও স্বীকৃতি পেয়েছে। তিনি ওয়ার্ল্ড ভিশন ইন্টারন্যাশনাল থেকে ‘ইন্টারন্যাশনাল লিডার’ উপাধি অর্জন করেছেন। বিভিন্ন দেশ থেকে শিশু ও যুব অ্যাডভোকেট হিসেবে সম্মাননা পেয়েছেন। লন্ডনের লিগ্যাসি প্রজেক্ট তাঁকে ‘গ্লোবাল অ্যাম্বাসেডর’ হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে। এ ছাড়া জাতিসংঘসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক প্ল্যাটফর্মে অংশ নিয়ে তিনি শিশু অধিকার বিষয়ে নিজের অভিজ্ঞতা তুলে ধরেছেন।

তবে নাঈমের পথচলা কখনো সহজ ছিল না। বিভিন্ন সময় সন্ত্রাসী এবং অপরাধীদের হুমকির মুখোমুখি হতে হয়েছে তাঁকে। তবু তিনি থেমে যাননি; বরং প্রতিটি বাধা তাঁকে আরও দৃঢ় করেছে। এখন তিনি পুলিশ, জেলা প্রশাসন এবং মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে সমন্বয়ের মধ্য দিয়ে কাজ করছেন, যেখানে একসময় তাঁদের সামনে দাঁড়াতেই তিনি ভয় পেতেন।

ভবিষ্যৎ নিয়ে নাঈমের স্বপ্ন—সহিংসতামুক্ত, বাল্যবিবাহ ও শিশুশ্রমমুক্ত বাংলাদেশ গড়ে তোলা। তিনি এমন একটি শিশুবান্ধব সমাজ দেখতে চান, যেখানে প্রতিটি শিশুর অধিকার, শিক্ষা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত হবে।

বিষয় : ক্যাম্পাস ছাপা সংস্করণ শিক্ষা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান

The Campus Times online

মঙ্গলবার, ০২ জুন ২০২৬


শিশুদের আশার আলো নাঈম

প্রকাশের তারিখ : ১৭ মে ২০২৬

featured Image

শিশু সুরক্ষা, মানবতা আর সাহসিকতার এক উজ্জ্বল নাম মাহমুদুর রহমান নাঈম। মাত্র ২১ বছর বয়সে গাজীপুরের টঙ্গীর ঘনবসতিপূর্ণ শিল্পাঞ্চল থেকে উঠে এসে তিনি সমাজ পরিবর্তনের এক অনন্য উদাহরণ তৈরি করেছেন। বাল্যবিবাহ, শিশু পাচার, শিশুশ্রম ও যৌন সহিংসতার মতো কঠিন বাস্তবতার বিরুদ্ধে তাঁর নিরলস লড়াই তাঁকে স্থানীয় গণ্ডি পেরিয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও পরিচিত করেছে।

নাঈমের এই সংগ্রামী অধ্যায়ের সূচনা ২০২৪ সালে। টঙ্গীর ১৩ বছর বয়সী কিশোরী নিখোঁজ হওয়ার খবর পেয়ে তিনি দ্রুত তাঁর পরিবারের পাশে দাঁড়ান। থানায় সাধারণ ডায়েরি করা থেকে শুরু করে জাতীয় শিশু সহায়তা হেল্পলাইন ১০৯৮-এ যোগাযোগ করেন। প্রশাসনের সমন্বিত প্রচেষ্টায় ২৯ দিনের দীর্ঘ অনুসন্ধানের পর মেয়েটিকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়। অপরাধী গ্রেপ্তার হয়ে আদালতের মাধ্যমে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড পায়। সেই অভিজ্ঞতার কথা বলতে গিয়ে নাঈম বলেন, ‘মনে হয়েছিল, আমার নিজের বোনকে ফিরে পেলাম।’

তবে নাঈমের পথচলার শুরুটা ছিল ভিন্ন এক বাস্তবতায়। ছোটবেলায় মা-বাবাকে হারিয়ে নাঈম বড় হয়েছেন নানির আশ্রয়ে। ব্যক্তিগত সংগ্রামের পাশাপাশি তিনি এগিয়ে নিয়েছেন নিজের শিক্ষাজীবনও। টঙ্গীর আহসান উল্লাহ মাস্টার স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে এসএসসি এবং সাহাজউদ্দিন সরকার স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে এইচএসসি সম্পন্ন করেন। বর্তমানে তিনি টঙ্গী সরকারি কলেজের সমাজবিজ্ঞান বিভাগে অধ্যয়নরত।

দুই ভাই এবং এক বোনের মধ্যে নাঈম ছোট। চার বছর আগে মাকে হারানোর পর নানির স্নেহে তাঁর বেড়ে ওঠা। বর্তমানে তিনি গাজীপুরের টঙ্গীর এরশাদ নগরের ৪৯ নম্বর ওয়ার্ডে নানির সঙ্গে বসবাস করছেন। প্রতিকূল পরিবেশে বেড়ে উঠলেও দৃঢ় মনোবল, অধ্যবসায় এবং সমাজের প্রতি দায়বদ্ধতাই তাঁকে আজকের এই অবস্থানে পৌঁছে দিয়েছে।

শৈশবে নাঈম ছিলেন লাজুক ও অন্তর্মুখী। জনসমক্ষে কথা বলতে ভয় পেতেন। কিন্তু সমবয়সী কয়েকজন কিশোরের একটি শিশু ফোরামের সভায় অংশ নেওয়ার পর তাঁর জীবনে আসে বড় ধরনের পরিবর্তন। সেখান থেকে তিনি শিশু অধিকার সম্পর্কে জানতে পারেন এবং উপলব্ধি করেন, তিনিও তো একসময় সেই অধিকার থেকে বঞ্চিত ছিলেন।

এরপর আর থেমে থাকেননি। শিশু অধিকার, শিশু সুরক্ষা, শিশু সাংবাদিকতা, নেতৃত্ব এবং আন্তর্জাতিক অ্যাডভোকেসি বিষয়ে বিভিন্ন প্রশিক্ষণের মাধ্যমে নাঈম নিজেকে গড়ে তোলেন একজন দক্ষ সংগঠক ও প্রশিক্ষক হিসেবে। বর্তমানে তিনি একটি আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থার অধীনে টঙ্গী এরিয়া প্রোগ্রামের ইয়ুথ ফোরামের ভাইস প্রেসিডেন্ট এবং গ্লোবাল চেঞ্জ অ্যাম্বাসেডর হিসেবে কাজ করছেন।

২০২১ থেকে ২০২৬ সালের মধ্যে নাঈমের অর্জন সত্যিই বিস্ময়কর। এ সময়ে তিনি ১৩৮টি বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে বিশেষ ভূমিকা রেখেছেন। যৌন হয়রানির শিকার ১৫ জন শিশুর ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে সহায়তা করেছেন। ১৮টি ধর্ষণ মামলায় অপরাধীদের গ্রেপ্তারে সহযোগিতা করেছেন এবং অন্তত ১১ জন শিশুকে পাচারের হাত থেকে উদ্ধার করেছেন। তাঁর কাজ প্রমাণ করে, ইচ্ছা ও সাহস থাকলে একজন মানুষও বড় পরিবর্তন আনতে পারে।

মাঠপর্যায়ের কাজের পাশাপাশি সচেতনতা তৈরিতেও রয়েছে নাঈমের গুরুত্বপূর্ণ অবদান।

তাঁর নেতৃত্বে টঙ্গী এবং আশপাশের ৩০টির বেশি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সচেতনতামূলক সভা, উঠান বৈঠক, কর্মশালা ও গোলটেবিল আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এসব কার্যক্রমের মাধ্যমে ৩ লাখের বেশি শিক্ষার্থী শিশু অধিকার ও সুরক্ষা বিষয়ে প্রশিক্ষণ পেয়েছে। এ ছাড়া সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাঁর পরিচালিত বিভিন্ন প্রচারণা প্রায় ৪ লাখ মানুষের কাছে পৌঁছেছে।

নাঈমের উদ্যোগে পরিচালিত ফেসবুকভিত্তিক প্রচারণার মধ্যে রয়েছে শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয় প্রতিষ্ঠার দাবি, শিশুশ্রম প্রতিরোধ, প্রজনন স্বাস্থ্যসেবা, বায়ুদূষণ নিয়ন্ত্রণ এবং শিশু অধিকার বাস্তবায়নে গোলটেবিল আলোচনা ‘আমরা বলতে চাই, আমাদের কথা শুনুন।’ এসব উদ্যোগ তরুণদের মধ্যে সচেতনতা তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।

নাঈমের অসাধারণ কাজ আন্তর্জাতিক বিভিন্ন পর্যায়েও স্বীকৃতি পেয়েছে। তিনি ওয়ার্ল্ড ভিশন ইন্টারন্যাশনাল থেকে ‘ইন্টারন্যাশনাল লিডার’ উপাধি অর্জন করেছেন। বিভিন্ন দেশ থেকে শিশু ও যুব অ্যাডভোকেট হিসেবে সম্মাননা পেয়েছেন। লন্ডনের লিগ্যাসি প্রজেক্ট তাঁকে ‘গ্লোবাল অ্যাম্বাসেডর’ হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে। এ ছাড়া জাতিসংঘসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক প্ল্যাটফর্মে অংশ নিয়ে তিনি শিশু অধিকার বিষয়ে নিজের অভিজ্ঞতা তুলে ধরেছেন।

তবে নাঈমের পথচলা কখনো সহজ ছিল না। বিভিন্ন সময় সন্ত্রাসী এবং অপরাধীদের হুমকির মুখোমুখি হতে হয়েছে তাঁকে। তবু তিনি থেমে যাননি; বরং প্রতিটি বাধা তাঁকে আরও দৃঢ় করেছে। এখন তিনি পুলিশ, জেলা প্রশাসন এবং মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে সমন্বয়ের মধ্য দিয়ে কাজ করছেন, যেখানে একসময় তাঁদের সামনে দাঁড়াতেই তিনি ভয় পেতেন।

ভবিষ্যৎ নিয়ে নাঈমের স্বপ্ন—সহিংসতামুক্ত, বাল্যবিবাহ ও শিশুশ্রমমুক্ত বাংলাদেশ গড়ে তোলা। তিনি এমন একটি শিশুবান্ধব সমাজ দেখতে চান, যেখানে প্রতিটি শিশুর অধিকার, শিক্ষা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত হবে।


The Campus Times online

সাধারণ সম্পাদক: মোঃ সেলিম রেজা
প্রকাশক: মোঃ সেলিম রেজা (বিএ, অনার্স, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়)

কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত ক্যাম্পাস টাইমস অনলাইন
শিশুদের আশার আলো নাঈম
0:00 0:00
1.0x