বিশ্বকাপের শেষ বত্রিশের ম্যাচে আর্জেন্টিনা ও কেপ ভার্দের লড়াই ঘিরে বোনসাম দাবি করেছিলেন, বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের হারিয়ে বড় অঘটন ঘটাবে কেপ ভার্দে। তবে মাঠের বাস্তবতায় দেখা যায় ভিন্ন চিত্র। আকাশি-নীলদের বিপক্ষে কেপ ভার্দে দারুণ লড়াই করলেও জিততে পারেনি।
নির্ধারিত ৯০ মিনিটে ১-১ সমতায় শেষ হয় ম্যাচ। অতিরিক্ত সময়েও দুই দল পাল্টাপাল্টি আক্রমণে একে অপরকে কঠিন পরীক্ষা নেয়। শেষ পর্যন্ত প্রতিপক্ষের এক আত্মঘাতী গোলে ৩-২ ব্যবধানে জয় তুলে নেয় লিওনেল মেসির আর্জেন্টিনা। ফলে ঘানার তান্ত্রিক কোয়াকু বোনসামের ভবিষ্যদ্বাণী ভুল প্রমাণিত হয়।
এর আগেও একাধিক ভবিষ্যদ্বাণী করে আলোচনায় ছিলেন কোয়াকু বোনসাম। তিনি দাবি করেছিলেন, ২০২৬ বিশ্বকাপের শিরোপা উঠবে পর্তুগাল ও ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর হাতে। যদিও পর্তুগাল এখনো টুর্নামেন্টে টিকে আছে। তবে সামনে আরও কঠিন পরীক্ষার অপেক্ষায় রয়েছে দলটি।
তিনি আরও দাবি করেছিলেন, ইংল্যান্ড ও ঘানার ম্যাচে হ্যারি কেইন তার ‘কালো জাদুর প্রভাবে’ গোল করতে পারবেন না। কাকতালীয়ভাবে সেই ম্যাচে কেইন গোল পাননি। পরে পানামার বিপক্ষে ম্যাচের আগে তিনি সেই জাদু তুলে নেওয়ার কথা জানান, যেখানে পরবর্তীতে কেইন গোল করেন।
আগের নানা ঘটনার জেরে আর্জেন্টিনা-কেপ ভার্দে ম্যাচের আগে কোয়াকু বোনসামের ভবিষ্যদ্বাণী নিয়ে ব্যাপক আলোচনা তৈরি হয়েছিল। ম্যাচের শুরুতে কেপ ভার্দে লড়াকু পারফরম্যান্স দেখিয়ে উত্তেজনা ছড়ালেও শেষ পর্যন্ত আর্জেন্টিনার দৃঢ়তায় ফল নিজেদের পক্ষে নিয়ে যায় মেসির দল। ফলে ভেস্তে যায় ঘানার এই তান্ত্রিকের আলোচিত পূর্বাভাস।
অন্যদিকে, পূর্ব তিমুরের প্রেসিডেন্ট জোসে ম্যানুয়েল রামোস-হোর্তাও একই ম্যাচ নিয়ে ভবিষ্যদ্বাণী করেছিলেন যে, আর্জেন্টিনা হেরে যাবে। তবে তার সেই অনুমানও শেষ পর্যন্ত বাস্তবে রূপ নেয়নি।