শনিবার (৪ জুলাই) দুপুরে এ তথ্য নিশ্চিত করেন নিহত যুবকের চাচা মো. বেলাল হোসেন।
নিহত হানিফের পরিবারের সদস্যরা জানান, প্রায় ছয় বছর আগে জীবিকার সন্ধানে সৌদি আরবে পারি জমান হানিফ। সেখানে তিনি মক্কার একটি হাসপাতালে ক্লিনারের কাজ করতেন। কয়েক দিন আগে তার দাদি মারা যাওয়ায় দাদীর নামে ওমরা আদায় করতে যান হানিফ। ওমরা শেষে তিন বাংলাদেশি সহকর্মীকে সঙ্গে নিয়ে কর্মস্থলে ফেরার পথে দুর্ঘটনার শিকার হন। আরও পড়ুনআরও পড়ুনমাধবপুরে এলপিজি গ্যাসের দাম কমলেও সুফল পাচ্ছেন না ভোক্তারা
হানিফের চাচা বেলাল হোসেন জানান, বিপরীত দিক থেকে আসা একটি গাড়ির সঙ্গে তাদের গাড়ির সংঘর্ষ হয়। এরপর সবাই গাড়ি থেকে নেমে সড়কে দাঁড়ালে পেছন দিক থেকে আসা আরেকটি গাড়ি তাদেরকে চাপা দেয়। এ সময় তিনজন সড়কের আইল্যান্ডে উঠে প্রাণে বাঁচলেও ঘটনাস্থলেই হানিফের মৃত্যু হয়।
তিনি আরও বলেন, দুর্ঘটনার পরপরই আমরা মৃত্যুর খবর পাই। তার কর্মস্থলের সুপারভাইজারের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে। তারা প্রয়োজনীয় সহযোগিতার আশ্বাসও দিয়েছেন।
স্বজনরা জানান, দুই ভাই ও চার বোনের মধ্যে হানিফ ছিলেন পরিবারে সবার বড়। এক মাস পর দেশে ফিরে বিয়ে করার কথা ছিল। এ জন্য পরিবারের সদস্যরা পাত্রীও দেখছিলেন। কিন্তু সেই অপেক্ষা এখন পরিণত হয়েছে বিষাদে।
তার মৃত্যুতে পরিবারে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। বাড়িতে চলছে শোকের মাতম। লাশ দ্রুত দেশে আনার ব্যবস্থা করতে সরকারের কাছে দাবি জানিয়েছেন নিহত হানিফের আত্মীয়স্বজনেরা।