নিহত রাজিব আহমেদ রুবেল নগরীর আর কে মিশন রোড এলাকার মৃত আব্দুল হামিদের ছেলে। ৩৬ বাড়ি কলোনি এলাকায় একটি ভাড়া বাসায় বসবাস করতেন তিনি।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, নিহত রাজিব আহমেদ রুবেল আকুয়া ৩৬ বাড়ি কলোনির বাসিন্দা ইসমাইল হোসেনের স্ত্রী পারুল আক্তারের বাসায় প্রায় এক মাস আগে থেকে ভাড়াটে হিসেবে বসবাস করছিলেন। সেখানে নিজের বন্ধুদের নিয়ে থাকতেন তিনি। বন্ধুরা সবাই আপন ভাই। গত শুক্রবার তাঁদের মাকে ধর্ষণ করেন রুবেল। পরে গতকাল ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে ভর্তি করা হয় ওই নারীকে। হত্যাকাণ্ডের বিষয়টি স্থানীয় বাসিন্দারা বুঝতে পেরে জাতীয় জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯-এ কল দেন। পরে পুলিশ এসে মরদেহ উদ্ধার করে। মরদেহের মাথার পাশে একটি মদের বোতলও পায় পুলিশ।
ময়মনসিংহ সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আসাদুজ্জামান শাকিল বলেন, ‘গতকাল শনিবার এক নারী ধর্ষণের অভিযোগ এনে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে ভর্তি হন। যত দূর জানতে পেরেছি, ধর্ষণের শিকার ওই নারীর চার ছেলে তাঁকে (ধর্ষক) গলা কেটে হত্যা করেছে।’
আসাদুজ্জামান শাকিল বলেন, আজ দুপুরে ময়মনসিংহ পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) নজরুল ইসলাম ওই নারী ও তাঁর দুই ছেলেকে হাসপাতাল থেকে নিয়ে গেছেন।
ময়মনসিংহ পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) পুলিশ সুপার মো. মিজানুর রহমান বলেন, ‘বিষয়টি তদন্ত করছি। তদন্ত শেষে বিস্তারিত বলা যাবে।’
ময়মনসিংহের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ কামরুল হাসান বলেন, ‘আমরা কিছু তথ্য পেয়েছি এবং হত্যাকাণ্ডের রহস্য উন্মোচনে কাজ শুরু করেছি। মো. রনি মিয়া (২৭) ও স্বজল (৩৫) নামের দুজনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।’