তবে যুক্তরাষ্ট্রের হামলায় তেহরান থেকে মাশহাদে যাওয়ার রেলপথ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ফলে যাত্রীবাহী ট্রেন চলাচল স্থগিত করেছে কর্তৃপক্ষ। ঘটনাস্থলে কারিগরি ও প্রকৌশলী দল পাঠানো হয়েছে। যত দ্রুত সম্ভব রুটটি পুনরায় চালুর চেষ্টা করছেন তারা। পথে আটকে পড়া যাত্রীদের মাশহাদে পৌঁছানোর জন্য নেওয়া হয়েছে বিকল্প ব্যবস্থা।
মেহর নিউজ এজেন্সি জানিয়েছে, ইরাক থেকে মরদেহ মাশহাদে নেওয়ার প্রক্রিয়ায় কিছুটা দেরি হয়েছে। এ কারণে, দাফনের আগের জানাজা ও শোকমিছিল সকাল ৮টায় শুরুর কথা থাকলেও তা পিছিয়ে দুপুর ২টায় নেওয়া হয়েছে। শহীদ নেতাকে দাফন করা হবে ইমাম রেজা (আ.)-এর মাজারে।
এর আগে খামেনির মরদেহ ইরাকের নাজাফে ইমাম আলী (আ.)-এর মাজারে নেওয়া হলে সেখানে প্রায় ৩৮ লাখ মানুষের সমাগম হয়।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি শুরু হওয়া যুদ্ধের প্রথম দিনে আলী খামেনি ও তাঁর পরিবারের কয়েক সদস্য নিহত হন। মাঝে যুদ্ধবিরতি ও সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর হলেও হরমুজ প্রণালি ঘিরে উত্তেজনার কারণে ফের সংঘাত শুরু হয়েছে।