ঢাকা    শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬, ২৭ আষাঢ় ১৪৩৩
The Campus Times online

ষষ্ঠ বিশ্বকাপ শিরোপার স্বপ্ন নিয়ে টুর্নামেন্টে নামলেও শেষ ষোলোতেই থেমে গেছে ব্রাজিলের অভিযান। নরওয়ের কাছে ২-০ গোলে হেরে বিদায় নেওয়ায় বিশ্বকাপ জয়ের জন্য সেলেসাওদের অপেক্ষা আরও দীর্ঘ হলো। এই হতাশাজনক পরিণতির পর সমর্থকদের কাছে ক্ষমা চেয়েছেন দলের অন্যতম তারকা ভিনিসিয়ুস জুনিয়র।

বিশ্বকাপ থেকে ব্রাজিলের বিদায়ে ক্ষমা চাইলেন ভিনিসিয়ুস



বিশ্বকাপ থেকে ব্রাজিলের বিদায়ে ক্ষমা চাইলেন ভিনিসিয়ুস
ভিনিসিয়ুস জুনিয়র। ছবি: সংগৃহীত

এবারের আসরে শুরু থেকেই চোটের ধাক্কায় বিপর্যস্ত ছিল ব্রাজিল। টুর্নামেন্ট শুরুর আগেই স্কোয়াড থেকে ছিটকে যান আক্রমণভাগের গুরুত্বপূর্ণ দুই ফুটবলার রদ্রিগো ও এস্তেভাও। পরে প্রতিযোগিতা চলাকালে ইনজুরিতে পড়েন রাফিনিয়া ও লুকাস পাকেতাও। ফলে আক্রমণভাগের বড় দায়িত্ব এসে পড়ে ভিনিসিয়ুসের কাঁধে।

রিয়াল মাদ্রিদের এই ফরোয়ার্ড ব্যক্তিগতভাবে প্রত্যাশা পূরণ করেছেন। পাঁচ ম্যাচে চার গোলের পাশাপাশি একটি অ্যাসিস্টও করেন তিনি। তবে শেষ ষোলোর নকআউট ম্যাচে আর্লিং হলান্ডের জোড়া গোলের সামনে অসহায় হয়ে পড়ে ব্রাজিল। সেই পরাজয়ের পর চার দিন নীরব থাকার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিজের অনুভূতি প্রকাশ করেন ভিনিসিয়ুস।

ইনস্টাগ্রামে দেওয়া এক আবেগঘন বার্তায় তিনি লিখেছেন, ‘বিশ্বকাপের আরেকটা হতাশার গল্প লেখার পর কী লিখব, তা আবারও ভাবছি। সবাইকে আমাকে সমর্থন করতে ও আমাদের স্বপ্নকে আগলে রাখতে দেখেছি। তাই এখন চুপ করে থাকাটা অন্যায় হবে। তবে পুরো বিষয়টি ভেবে দেখার জন্য আমার কয়েকটা দিন দরকার ছিল।’

সমর্থকদের উদ্দেশে তিনি আরও বলেন, ‘জাতীয় দলের জার্সি পরা আমার জীবনের সবচেয়ে বড় গর্বের বিষয়। আমি জানি আমি কতটা প্রস্তুতি নিয়েছিলাম, কতটা মনোযোগী ছিলাম এবং আপনাদের ও আমার পরিবারের জন্য বিশ্বকাপ জিততে চেয়েছিলাম। আমি অনেক বেশি হতাশ। আরও অনেক দূর যাওয়ার মতো শক্তিশালী দল আমাদের ছিল, কিন্তু আমরা পারিনি। আমি আপনাদের সবার কাছে ক্ষমা চাইছি। আবারও দলকে বিশ্বসেরা বানানোর জন্য আমি লড়াই করে যাব।’

বিষয় : ব্রাজিল ফুটবল দল ভিনিসিয়ুস জুনিয়র

The Campus Times online

শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬


বিশ্বকাপ থেকে ব্রাজিলের বিদায়ে ক্ষমা চাইলেন ভিনিসিয়ুস

প্রকাশের তারিখ : ১১ জুলাই ২০২৬

featured Image

এবারের আসরে শুরু থেকেই চোটের ধাক্কায় বিপর্যস্ত ছিল ব্রাজিল। টুর্নামেন্ট শুরুর আগেই স্কোয়াড থেকে ছিটকে যান আক্রমণভাগের গুরুত্বপূর্ণ দুই ফুটবলার রদ্রিগো ও এস্তেভাও। পরে প্রতিযোগিতা চলাকালে ইনজুরিতে পড়েন রাফিনিয়া ও লুকাস পাকেতাও। ফলে আক্রমণভাগের বড় দায়িত্ব এসে পড়ে ভিনিসিয়ুসের কাঁধে।

রিয়াল মাদ্রিদের এই ফরোয়ার্ড ব্যক্তিগতভাবে প্রত্যাশা পূরণ করেছেন। পাঁচ ম্যাচে চার গোলের পাশাপাশি একটি অ্যাসিস্টও করেন তিনি। তবে শেষ ষোলোর নকআউট ম্যাচে আর্লিং হলান্ডের জোড়া গোলের সামনে অসহায় হয়ে পড়ে ব্রাজিল। সেই পরাজয়ের পর চার দিন নীরব থাকার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিজের অনুভূতি প্রকাশ করেন ভিনিসিয়ুস।

ইনস্টাগ্রামে দেওয়া এক আবেগঘন বার্তায় তিনি লিখেছেন, ‘বিশ্বকাপের আরেকটা হতাশার গল্প লেখার পর কী লিখব, তা আবারও ভাবছি। সবাইকে আমাকে সমর্থন করতে ও আমাদের স্বপ্নকে আগলে রাখতে দেখেছি। তাই এখন চুপ করে থাকাটা অন্যায় হবে। তবে পুরো বিষয়টি ভেবে দেখার জন্য আমার কয়েকটা দিন দরকার ছিল।’

সমর্থকদের উদ্দেশে তিনি আরও বলেন, ‘জাতীয় দলের জার্সি পরা আমার জীবনের সবচেয়ে বড় গর্বের বিষয়। আমি জানি আমি কতটা প্রস্তুতি নিয়েছিলাম, কতটা মনোযোগী ছিলাম এবং আপনাদের ও আমার পরিবারের জন্য বিশ্বকাপ জিততে চেয়েছিলাম। আমি অনেক বেশি হতাশ। আরও অনেক দূর যাওয়ার মতো শক্তিশালী দল আমাদের ছিল, কিন্তু আমরা পারিনি। আমি আপনাদের সবার কাছে ক্ষমা চাইছি। আবারও দলকে বিশ্বসেরা বানানোর জন্য আমি লড়াই করে যাব।’


The Campus Times online

সাধারণ সম্পাদক: মোঃ সেলিম রেজা
প্রকাশক: মোঃ সেলিম রেজা (বিএ, অনার্স, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়)

কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত ক্যাম্পাস টাইমস অনলাইন
বিশ্বকাপ থেকে ব্রাজিলের বিদায়ে ক্ষমা চাইলেন ভিনিসিয়ুস
0:00 0:00
1.0x