ঢাকা    বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬, ১ শ্রাবণ ১৪৩৩
The Campus Times online

ভারতের কর্ণাটকের ধারওয়াড়ে নিজ ফ্ল্যাট থেকে এক চিকিৎসকের রক্তাক্ত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। একই ঘটনায় ছুরিকাঘাতে গুরুতর আহত অবস্থায় তার আট বছর বয়সি ছেলেকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এ ঘটনায় নিহত চিকিৎসকের স্ত্রী, যিনি নিজেও একজন চিকিৎসক, তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য হেফাজতে নিয়েছে পুলিশ।

রক্তের মধ্যে পড়ে ছিল চিকিৎসকের লাশ, পাশের ঘরে মোবাইল ফোনে ব্যস্ত স্ত্রী



রক্তের মধ্যে পড়ে ছিল চিকিৎসকের লাশ, পাশের ঘরে মোবাইল ফোনে ব্যস্ত স্ত্রী
ফাইল ছবি

বুধবার (১৬ জুলাই) ধারওয়াড়ের বারাকোট্রি এলাকার র্যাঙ্কো স্টেলো অ্যাপার্টমেন্টে এ ঘটনা ঘটে।

পুলিশ জানায়, নিহত চিকিৎসকের নাম কিরণ হোন্নান্নাভার (৪৫)। তিনি একটি বেসরকারি হাসপাতালে অ্যানেস্থেসিওলজিস্ট হিসেবে কর্মরত ছিলেন। তার লাশে একাধিক ছুরিকাঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে।

ধারওয়াড়ের পুলিশ কমিশনার এন. শশিকুমার জানান, ঘটনাস্থলে পৌঁছে পুলিশ চিকিৎসকের আট বছর বয়সি ছেলেকে গুরুতর আহত কিন্তু জীবিত অবস্থায় উদ্ধার করে। পরে তাকে দ্রুত হাসপাতালে নেওয়া হয়। বর্তমানে শিশুটির অবস্থা সংকটাপন্ন।

তিনি আরও জানান, নিহত চিকিৎসকের স্ত্রী প্রিয়াঙ্কাকে ঘটনাস্থলে মানসিকভাবে বিপর্যস্ত অবস্থায় পাওয়া যায়। তবে তার বক্তব্য ছিল অসংলগ্ন। এ কারণে তাকে হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।

পুলিশের প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, মঙ্গলবার সন্ধ্যা থেকেই চিকিৎসক কিরণের মোবাইল ফোনে আসা কলগুলোর উত্তর দিচ্ছিলেন তার স্ত্রী। প্রতিবারই তিনি কিরণের অবস্থান সম্পর্কে ভিন্ন ভিন্ন তথ্য দেন। এতে তদন্তকারীদের সন্দেহ হয়, হত্যাকাণ্ডটি সম্ভবত মঙ্গলবারই সংঘটিত হয়েছিল।

নিহতের পরিবারের দায়ের করা অভিযোগে বলা হয়েছে, পারিবারিক কলহের জেরেই এ মর্মান্তিক ঘটনা ঘটতে পারে।

পুলিশের নির্ভরযোগ্য সূত্র জানায়, ঘটনাস্থলে পৌঁছে তারা দেখতে পান, এক কক্ষে চিকিৎসক কিরণের লাশ রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে আছে, অন্যদিকে গুরুতর আহত ছেলে জীবন-মৃত্যুর সঙ্গে লড়ছে। এ সময় অভিযুক্ত স্ত্রীকে পাশের একটি কক্ষে বসে মোবাইল ফোন ব্যবহার করতে দেখা যায়।

ঘটনার প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটনে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

বিষয় : ভারত কুপিয়ে হত্যা

The Campus Times online

বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬


রক্তের মধ্যে পড়ে ছিল চিকিৎসকের লাশ, পাশের ঘরে মোবাইল ফোনে ব্যস্ত স্ত্রী

প্রকাশের তারিখ : ১৬ জুলাই ২০২৬

featured Image

বুধবার (১৬ জুলাই) ধারওয়াড়ের বারাকোট্রি এলাকার র্যাঙ্কো স্টেলো অ্যাপার্টমেন্টে এ ঘটনা ঘটে।

পুলিশ জানায়, নিহত চিকিৎসকের নাম কিরণ হোন্নান্নাভার (৪৫)। তিনি একটি বেসরকারি হাসপাতালে অ্যানেস্থেসিওলজিস্ট হিসেবে কর্মরত ছিলেন। তার লাশে একাধিক ছুরিকাঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে।

ধারওয়াড়ের পুলিশ কমিশনার এন. শশিকুমার জানান, ঘটনাস্থলে পৌঁছে পুলিশ চিকিৎসকের আট বছর বয়সি ছেলেকে গুরুতর আহত কিন্তু জীবিত অবস্থায় উদ্ধার করে। পরে তাকে দ্রুত হাসপাতালে নেওয়া হয়। বর্তমানে শিশুটির অবস্থা সংকটাপন্ন।

তিনি আরও জানান, নিহত চিকিৎসকের স্ত্রী প্রিয়াঙ্কাকে ঘটনাস্থলে মানসিকভাবে বিপর্যস্ত অবস্থায় পাওয়া যায়। তবে তার বক্তব্য ছিল অসংলগ্ন। এ কারণে তাকে হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।

পুলিশের প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, মঙ্গলবার সন্ধ্যা থেকেই চিকিৎসক কিরণের মোবাইল ফোনে আসা কলগুলোর উত্তর দিচ্ছিলেন তার স্ত্রী। প্রতিবারই তিনি কিরণের অবস্থান সম্পর্কে ভিন্ন ভিন্ন তথ্য দেন। এতে তদন্তকারীদের সন্দেহ হয়, হত্যাকাণ্ডটি সম্ভবত মঙ্গলবারই সংঘটিত হয়েছিল।

নিহতের পরিবারের দায়ের করা অভিযোগে বলা হয়েছে, পারিবারিক কলহের জেরেই এ মর্মান্তিক ঘটনা ঘটতে পারে।

পুলিশের নির্ভরযোগ্য সূত্র জানায়, ঘটনাস্থলে পৌঁছে তারা দেখতে পান, এক কক্ষে চিকিৎসক কিরণের লাশ রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে আছে, অন্যদিকে গুরুতর আহত ছেলে জীবন-মৃত্যুর সঙ্গে লড়ছে। এ সময় অভিযুক্ত স্ত্রীকে পাশের একটি কক্ষে বসে মোবাইল ফোন ব্যবহার করতে দেখা যায়।

ঘটনার প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটনে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।


The Campus Times online

সাধারণ সম্পাদক: মোঃ সেলিম রেজা
প্রকাশক: মোঃ সেলিম রেজা (বিএ, অনার্স, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়)

কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত ক্যাম্পাস টাইমস অনলাইন
রক্তের মধ্যে পড়ে ছিল চিকিৎসকের লাশ, পাশের ঘরে মোবাইল ফোনে ব্যস্ত স্ত্রী
0:00 0:00
1.0x