ঢাকা    শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬, ৩০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
The Campus Times online

আমরা তেল বিক্রি করতে না পারলে এই অঞ্চলের কেউই পারবে না: ইরান



আমরা তেল বিক্রি করতে না পারলে এই অঞ্চলের কেউই পারবে না: ইরান
ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার শান্তি চুক্তি পুরোপুরি ভেঙে পড়ায় পুরো পরিস্থিতি একটি বড় যুদ্ধের দিকে যাচ্ছে। তেহরানের একজন গবেষক আলী আকবর দারেইনি আল জাজিরাকে এই তথ্য জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, কাগজে-কলমে এখন কোনো শান্তি চুক্তি নেই, বরং ভেতরে ভেতরে ইতোমধ্যেই একটি ছোটখাটো যুদ্ধ শুরু হয়ে গেছে। মার্কিন সেনারা বারবার নিয়ম ভাঙার কারণে পরিস্থিতি দিন দিন আরও খারাপের দিকে যাচ্ছে।

এই গবেষক জানান, পারস্য উপসাগর দিয়ে জাহাজ চলাচলের ক্ষেত্রে ইরান তিনটি সহজ নিয়ম দিয়েছে। প্রথমত, জাহাজগুলোকে ইরানের দেখানো নির্দিষ্ট পথ (লারাক দ্বীপের উত্তর দিক দিয়ে ঢুকে দক্ষিণ দিক দিয়ে বের হওয়া) ব্যবহার করতে হবে। দ্বিতীয়ত, ইরানের দেওয়া সেবার জন্য নির্দিষ্ট ফি দিতে হবে। আর তৃতীয়ত, জাহাজে এমন কোনো মালামাল বা অস্ত্র থাকা চলবে না যা ইরানের নিরাপত্তার জন্য হুমকি তৈরি করে।

আরও পড়ুনআরও পড়ুনবিশ্ববাজারে কমল জ্বালানি তেলের দাম

বর্তমানে এই নিয়মগুলো মেনে প্রতিদিন ২০ থেকে ৩০টি জাহাজ ওই এলাকা দিয়ে যাতায়াত করছে। কিন্তু ইরান যাতে এই নিয়মগুলো চালু রাখতে না পারে, সেজন্য যুক্তরাষ্ট্র ইচ্ছা করে ঝামেলা তৈরি করছে। আর এ কারণেই দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা দিন দিন বাড়ছে।

ইরান সাফ জানিয়ে দিয়েছে, মার্কিন সেনাদের এই দাদাগিরি তারা কোনোভাবেই মুখ বুজে সহ্য করবে না। এর জন্য যদি বড় কোনো যুদ্ধও বেঁধে যায়, ইরান তার জন্য প্রস্তুত। ইরানের অবস্থান খুবই পরিষ্কার—আমেরিকার নিষেধাজ্ঞার কারণে ইরান যদি নিজের তেল বিক্রি করতে না পারে, তবে তারা এই অঞ্চলের অন্য কোনো দেশকেও তেল বিক্রি বা রপ্তানি করতে দেবে না।

সূত্র: আল-জাজিরা।

বিষয় : যুক্তরাষ্ট্র জ্বালানি তেল ইরানে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের যৌথ হামলা হরমুজ প্রণালি মধ্যপ্রাচ্য

The Campus Times online

শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬


আমরা তেল বিক্রি করতে না পারলে এই অঞ্চলের কেউই পারবে না: ইরান

প্রকাশের তারিখ : ০৬ জুন ২০২৬

featured Image

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার শান্তি চুক্তি পুরোপুরি ভেঙে পড়ায় পুরো পরিস্থিতি একটি বড় যুদ্ধের দিকে যাচ্ছে। তেহরানের একজন গবেষক আলী আকবর দারেইনি আল জাজিরাকে এই তথ্য জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, কাগজে-কলমে এখন কোনো শান্তি চুক্তি নেই, বরং ভেতরে ভেতরে ইতোমধ্যেই একটি ছোটখাটো যুদ্ধ শুরু হয়ে গেছে। মার্কিন সেনারা বারবার নিয়ম ভাঙার কারণে পরিস্থিতি দিন দিন আরও খারাপের দিকে যাচ্ছে।

এই গবেষক জানান, পারস্য উপসাগর দিয়ে জাহাজ চলাচলের ক্ষেত্রে ইরান তিনটি সহজ নিয়ম দিয়েছে। প্রথমত, জাহাজগুলোকে ইরানের দেখানো নির্দিষ্ট পথ (লারাক দ্বীপের উত্তর দিক দিয়ে ঢুকে দক্ষিণ দিক দিয়ে বের হওয়া) ব্যবহার করতে হবে। দ্বিতীয়ত, ইরানের দেওয়া সেবার জন্য নির্দিষ্ট ফি দিতে হবে। আর তৃতীয়ত, জাহাজে এমন কোনো মালামাল বা অস্ত্র থাকা চলবে না যা ইরানের নিরাপত্তার জন্য হুমকি তৈরি করে।

আরও পড়ুনআরও পড়ুনবিশ্ববাজারে কমল জ্বালানি তেলের দাম

বর্তমানে এই নিয়মগুলো মেনে প্রতিদিন ২০ থেকে ৩০টি জাহাজ ওই এলাকা দিয়ে যাতায়াত করছে। কিন্তু ইরান যাতে এই নিয়মগুলো চালু রাখতে না পারে, সেজন্য যুক্তরাষ্ট্র ইচ্ছা করে ঝামেলা তৈরি করছে। আর এ কারণেই দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা দিন দিন বাড়ছে।

ইরান সাফ জানিয়ে দিয়েছে, মার্কিন সেনাদের এই দাদাগিরি তারা কোনোভাবেই মুখ বুজে সহ্য করবে না। এর জন্য যদি বড় কোনো যুদ্ধও বেঁধে যায়, ইরান তার জন্য প্রস্তুত। ইরানের অবস্থান খুবই পরিষ্কার—আমেরিকার নিষেধাজ্ঞার কারণে ইরান যদি নিজের তেল বিক্রি করতে না পারে, তবে তারা এই অঞ্চলের অন্য কোনো দেশকেও তেল বিক্রি বা রপ্তানি করতে দেবে না।

সূত্র: আল-জাজিরা।


The Campus Times online

সাধারণ সম্পাদক: মোঃ সেলিম রেজা
প্রকাশক: মোঃ সেলিম রেজা (বিএ, অনার্স, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়)

কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত ক্যাম্পাস টাইমস অনলাইন
আমরা তেল বিক্রি করতে না পারলে এই অঞ্চলের কেউই পারবে না: ইরান
0:00 0:00
1.0x