ঢাকা    সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩
The Campus Times online

ক্যাম্পাসকে নিরাপদ ও শিক্ষার পরিবেশ অক্ষুণ্ন রাখতে প্রশাসন সবসময় সচেতন— ইবি উপাচার্য



ক্যাম্পাসকে নিরাপদ ও শিক্ষার পরিবেশ অক্ষুণ্ন রাখতে প্রশাসন সবসময় সচেতন— ইবি উপাচার্য
ক্যাম্পাসকে নিরাপদ ও শিক্ষার পরিবেশ অক্ষুণ্ন রাখতে প্রশাসন সবসময় সচেতন— ইবি উপাচার্য

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) শাখা শিবিরের এক নেতাকে ছাত্রদল সদস্যের থাপ্পড় দেওয়ার পর  ক্যাম্পাস উত্তপ্ত হওয়ার ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে এম মতিনুর রহমান বলেন, ‘প্রশাসন সবসময় কঠোর ও সচেতন রয়েছে। তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়ার কারণে অনেক অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা এড়ানো সম্ভব হয়েছে। সাধারণ শিক্ষার্থীদের আতঙ্কিত হওয়ার কোনো কারণ নেই। ক্যাম্পাসকে নিরাপদ ও শিক্ষার পরিবেশ অক্ষুণ্ন রাখতে প্রশাসন সবসময় সচেতন রয়েছে।’ রবিবার (৬ সেপ্টেম্বর) সাংবাদিকদের কাছে এমন মন্তব্য করেন তিনি। 

তিনি আরও বলেন, গতকালের ঘটনার তদন্তে কমিটি গঠন করা হয়েছে এবং তাদের ৭২ ঘণ্টা সময় দেওয়া হয়েছে। তদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পর জড়িতদের বিষয়ে প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ক্যাম্পাস ও হলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসন প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিয়েছে। বৈধ পরিচয়পত্র বা হল কর্তৃপক্ষের অনুমোদন ছাড়া কেউ হলে অবস্থান করতে পারবে না। একই সঙ্গে ক্যাম্পাসে বহিরাগত প্রবেশ নিয়ন্ত্রণে পুলিশ ও প্রক্টরিয়াল বডি কাজ করছে।

জানা যায়, শনিবার দুপুর ২টায় শিবির নেতা কাজী জুহায়ের হলের করিডোর দিয়ে যাওয়ার সময় একটি কক্ষ থেকে বের হয়ে ছাত্রদল সদস্য আলিনূর রহমান তাকে থাপ্পড় দেন। ঘটনার পর শিবিরের নেতাকর্মীরা অভিযুক্ত ছাত্রদল কর্মীকে তার কক্ষ থেকে বের করে আনতে গিয়ে কক্ষটির জানালা ভাঙচুর করে। পরে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর, ছাত্র-উপদেষ্টা ও হল প্রভোস্টের উপস্থিতিতে বিষয়টি সমাধানের জন্য উভয় পক্ষ আলোচনায় বসে।

আলোচনার এক পর্যায়ে অভিযুক্ত ছাত্রদল কর্মীকে সভাস্থলে আনতে যায় প্রক্টরিয়াল বডি। সেখানে শিবির নেতা-কর্মীরা উত্তেজনা সৃষ্টি করায় সভাস্থল থেকে বের হয়ে যায় ছাত্রদলের নেতারা। এসময় ছাত্রদল কর্মীদের সাথে শিবিরের নেতাকর্মীদের কথা-কাটাকাটি ও ধাক্কাধাক্কির ঘটনা ঘটে। পরে পুলিশের উপস্থিতিতে অভিযুক্তকে পুনরায় উদ্ধার করতে গেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরের গাড়ির কাচ ভাঙচুর করে শিবির নেতা-কর্মীরা। 

এরপর ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটক আটকে সেখানে অবস্থান নেন। পরে সেখানে রামদা, বাশের লাটি, ইট পাটকেলসহ স্থানীয় বিএনপি ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা উপস্থিত হন। একইসাথে পাইপ ও অন্যান্য লাঠিসোঠা নিয়ে জিয়া মোড়ে অবস্থান নেয় শিবিরের নেতাকর্মীরা।

এদিকে ছাত্রদলের অবস্থানকৃত প্রধান ফটকে স্থানীয় জামায়াতের কয়েক নেতাকর্মী উপস্থিত হলে তাদের উপর হামলা করে বিএনপি ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা। এতে জামায়াতের দুই কর্মী শহীদুল ও বাবলু আহত হন। এ ঘটনায় ক্যাম্পাসে অতিরিক্ত পুলিশ ও র‍্যাব মোতায়েন করা হয়। এদিকে, উভয় পক্ষকে নিয়ে রাতে পুনরায় আলোচনায় বসে প্রক্টরিয়াল বডি। এ সময় তদন্ত কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত হয়। পরে, জিয়া হলের দুইজন ছাত্রের মধ্যে সংঘঠিত ঘটনা তদন্তের জন্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে এম মতিনুর রহমান ৩ সদস্যের কমিটি গঠন করেন।

The Campus Times online

সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬


ক্যাম্পাসকে নিরাপদ ও শিক্ষার পরিবেশ অক্ষুণ্ন রাখতে প্রশাসন সবসময় সচেতন— ইবি উপাচার্য

প্রকাশের তারিখ : ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

featured Image

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) শাখা শিবিরের এক নেতাকে ছাত্রদল সদস্যের থাপ্পড় দেওয়ার পর  ক্যাম্পাস উত্তপ্ত হওয়ার ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে এম মতিনুর রহমান বলেন, ‘প্রশাসন সবসময় কঠোর ও সচেতন রয়েছে। তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়ার কারণে অনেক অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা এড়ানো সম্ভব হয়েছে। সাধারণ শিক্ষার্থীদের আতঙ্কিত হওয়ার কোনো কারণ নেই। ক্যাম্পাসকে নিরাপদ ও শিক্ষার পরিবেশ অক্ষুণ্ন রাখতে প্রশাসন সবসময় সচেতন রয়েছে।’ রবিবার (৬ সেপ্টেম্বর) সাংবাদিকদের কাছে এমন মন্তব্য করেন তিনি। 

তিনি আরও বলেন, গতকালের ঘটনার তদন্তে কমিটি গঠন করা হয়েছে এবং তাদের ৭২ ঘণ্টা সময় দেওয়া হয়েছে। তদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পর জড়িতদের বিষয়ে প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ক্যাম্পাস ও হলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসন প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিয়েছে। বৈধ পরিচয়পত্র বা হল কর্তৃপক্ষের অনুমোদন ছাড়া কেউ হলে অবস্থান করতে পারবে না। একই সঙ্গে ক্যাম্পাসে বহিরাগত প্রবেশ নিয়ন্ত্রণে পুলিশ ও প্রক্টরিয়াল বডি কাজ করছে।

জানা যায়, শনিবার দুপুর ২টায় শিবির নেতা কাজী জুহায়ের হলের করিডোর দিয়ে যাওয়ার সময় একটি কক্ষ থেকে বের হয়ে ছাত্রদল সদস্য আলিনূর রহমান তাকে থাপ্পড় দেন। ঘটনার পর শিবিরের নেতাকর্মীরা অভিযুক্ত ছাত্রদল কর্মীকে তার কক্ষ থেকে বের করে আনতে গিয়ে কক্ষটির জানালা ভাঙচুর করে। পরে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর, ছাত্র-উপদেষ্টা ও হল প্রভোস্টের উপস্থিতিতে বিষয়টি সমাধানের জন্য উভয় পক্ষ আলোচনায় বসে।

আলোচনার এক পর্যায়ে অভিযুক্ত ছাত্রদল কর্মীকে সভাস্থলে আনতে যায় প্রক্টরিয়াল বডি। সেখানে শিবির নেতা-কর্মীরা উত্তেজনা সৃষ্টি করায় সভাস্থল থেকে বের হয়ে যায় ছাত্রদলের নেতারা। এসময় ছাত্রদল কর্মীদের সাথে শিবিরের নেতাকর্মীদের কথা-কাটাকাটি ও ধাক্কাধাক্কির ঘটনা ঘটে। পরে পুলিশের উপস্থিতিতে অভিযুক্তকে পুনরায় উদ্ধার করতে গেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরের গাড়ির কাচ ভাঙচুর করে শিবির নেতা-কর্মীরা। 

এরপর ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটক আটকে সেখানে অবস্থান নেন। পরে সেখানে রামদা, বাশের লাটি, ইট পাটকেলসহ স্থানীয় বিএনপি ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা উপস্থিত হন। একইসাথে পাইপ ও অন্যান্য লাঠিসোঠা নিয়ে জিয়া মোড়ে অবস্থান নেয় শিবিরের নেতাকর্মীরা।

এদিকে ছাত্রদলের অবস্থানকৃত প্রধান ফটকে স্থানীয় জামায়াতের কয়েক নেতাকর্মী উপস্থিত হলে তাদের উপর হামলা করে বিএনপি ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা। এতে জামায়াতের দুই কর্মী শহীদুল ও বাবলু আহত হন। এ ঘটনায় ক্যাম্পাসে অতিরিক্ত পুলিশ ও র‍্যাব মোতায়েন করা হয়। এদিকে, উভয় পক্ষকে নিয়ে রাতে পুনরায় আলোচনায় বসে প্রক্টরিয়াল বডি। এ সময় তদন্ত কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত হয়। পরে, জিয়া হলের দুইজন ছাত্রের মধ্যে সংঘঠিত ঘটনা তদন্তের জন্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে এম মতিনুর রহমান ৩ সদস্যের কমিটি গঠন করেন।


The Campus Times online

সাধারণ সম্পাদক: মোঃ সেলিম রেজা
প্রকাশক: মোঃ সেলিম রেজা (বিএ, অনার্স, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়)

কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত ক্যাম্পাস টাইমস অনলাইন
ক্যাম্পাসকে নিরাপদ ও শিক্ষার পরিবেশ অক্ষুণ্ন রাখতে প্রশাসন সবসময় সচেতন— ইবি উপাচার্য
0:00 0:00
1.0x