ঢাকা    শুক্রবার, ২৬ জুন ২০২৬, ১২ আষাঢ় ১৪৩৩
The Campus Times online

ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে হিলি স্থলবন্দর দিয়ে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য দিন দিন কমে যাওয়ায় উদ্বেগ বাড়ছে ব্যবসায়ী, পরিবহণশ্রমিক এবং এ খাতের সঙ্গে সংশ্লিষ্টদের মধ্যে। বাণিজ্যের পরিমাণ কমে যাওয়ায় যেমন ব্যবসায়ীদের আয় কমছে, তেমনি সরকারি রাজস্ব আদায়েও এর প্রভাব পড়ছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য আবার আগের অবস্থায় ফিরিয়ে আনতে দ্রুত উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা।

ভারতের সঙ্গে বাণিজ্য কমেছে বাংলাদেশের, উদ্বেগে ব্যবসায়ীরা



ভারতের সঙ্গে বাণিজ্য কমেছে বাংলাদেশের, উদ্বেগে ব্যবসায়ীরা

পশ্চিমবঙ্গের দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার হিলি সীমান্ত দিয়ে বৈধভাবে ভারত ও বাংলাদেশের নাগরিকদের যাতায়াতের পাশাপাশি পণ্য আমদানি ও রপ্তানিও পরিচালিত হয়। তবে এই স্থলবন্দর দিয়ে আমদানির তুলনায় রপ্তানির পরিমাণই বেশি।

বাণিজ্যের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের দাবি, কয়েক বছর আগেও প্রতিদিন এই সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে গড়ে আড়াইশ থেকে ৩০০ পণ্যবাহী ট্রাক প্রবেশ করত। কিন্তু গত দুই বছরে সেই সংখ্যা ধারাবাহিকভাবে কমে বর্তমানে দৈনিক মাত্র ১৫ থেকে ২০টি ট্রাকে নেমে এসেছে। এতে ব্যবসায়ীদের আয়ের পাশাপাশি পরিবহণশ্রমিক, চালক, বহনকর্মী এবং অন্যান্য সংশ্লিষ্ট পেশাজীবীদের জীবনজীবিকাও চাপে পড়েছে। 

রপ্তানি বাণিজ্যের সঙ্গে যুক্ত ব্যবসায়ী ধীরাজ অধিকারীর মতে, বাংলাদেশে কিছু পণ্যের চাহিদা কমে যাওয়া এর একটি কারণ হলেও সীমান্তের অবকাঠামোগত সীমাবদ্ধতাও বড় সমস্যা। 

তিনি বলেন, আধুনিক সমন্বিত সীমান্ত পরীক্ষাকেন্দ্র নির্মাণের পরিকল্পনা বহু আগেই নেওয়া হলেও তা এখনো বাস্তবায়িত হয়নি।

তার ভাষায়, সমন্বিত সীমান্ত পরীক্ষাকেন্দ্র চালু হলে পণ্য ওঠানামার কাজ আরও দ্রুত হবে। আধুনিক স্ক্যানিং ব্যবস্থার মাধ্যমে পরীক্ষা-নিরীক্ষা সম্পন্ন করা সম্ভব হবে। এতে সময় কম লাগবে, ব্যয়ও কমবে এবং দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্যিক কার্যক্রম আরও সহজ ও গতিশীল হবে। 

ব্যবসায়ীদের মতে, ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে বাণিজ্য সম্প্রসারণে সীমান্ত অবকাঠামোর উন্নয়ন এখন সময়ের দাবি। তারা এ বিষয়ে রাজ্য ও কেন্দ্রীয় সরকারের দ্রুত ও সমন্বিত উদ্যোগ কামনা করেছেন। 

সংশ্লিষ্টদের আশা, প্রয়োজনীয় অবকাঠামো উন্নয়ন এবং বাণিজ্যবান্ধব নীতি গ্রহণ করা হলে হিলি সীমান্ত দিয়ে দুই দেশের বাণিজ্য আবারও আগের গতি ফিরে পাবে। এতে ব্যবসা, কর্মসংস্থান এবং সরকারি রাজস্ব আদায়ও উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়বে।

বিষয় : ভারত বাংলাদেশ ব্যবসা

The Campus Times online

শুক্রবার, ২৬ জুন ২০২৬


ভারতের সঙ্গে বাণিজ্য কমেছে বাংলাদেশের, উদ্বেগে ব্যবসায়ীরা

প্রকাশের তারিখ : ২৬ জুন ২০২৬

featured Image

পশ্চিমবঙ্গের দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার হিলি সীমান্ত দিয়ে বৈধভাবে ভারত ও বাংলাদেশের নাগরিকদের যাতায়াতের পাশাপাশি পণ্য আমদানি ও রপ্তানিও পরিচালিত হয়। তবে এই স্থলবন্দর দিয়ে আমদানির তুলনায় রপ্তানির পরিমাণই বেশি।

বাণিজ্যের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের দাবি, কয়েক বছর আগেও প্রতিদিন এই সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে গড়ে আড়াইশ থেকে ৩০০ পণ্যবাহী ট্রাক প্রবেশ করত। কিন্তু গত দুই বছরে সেই সংখ্যা ধারাবাহিকভাবে কমে বর্তমানে দৈনিক মাত্র ১৫ থেকে ২০টি ট্রাকে নেমে এসেছে। এতে ব্যবসায়ীদের আয়ের পাশাপাশি পরিবহণশ্রমিক, চালক, বহনকর্মী এবং অন্যান্য সংশ্লিষ্ট পেশাজীবীদের জীবনজীবিকাও চাপে পড়েছে। 

রপ্তানি বাণিজ্যের সঙ্গে যুক্ত ব্যবসায়ী ধীরাজ অধিকারীর মতে, বাংলাদেশে কিছু পণ্যের চাহিদা কমে যাওয়া এর একটি কারণ হলেও সীমান্তের অবকাঠামোগত সীমাবদ্ধতাও বড় সমস্যা। 

তিনি বলেন, আধুনিক সমন্বিত সীমান্ত পরীক্ষাকেন্দ্র নির্মাণের পরিকল্পনা বহু আগেই নেওয়া হলেও তা এখনো বাস্তবায়িত হয়নি।

তার ভাষায়, সমন্বিত সীমান্ত পরীক্ষাকেন্দ্র চালু হলে পণ্য ওঠানামার কাজ আরও দ্রুত হবে। আধুনিক স্ক্যানিং ব্যবস্থার মাধ্যমে পরীক্ষা-নিরীক্ষা সম্পন্ন করা সম্ভব হবে। এতে সময় কম লাগবে, ব্যয়ও কমবে এবং দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্যিক কার্যক্রম আরও সহজ ও গতিশীল হবে। 

ব্যবসায়ীদের মতে, ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে বাণিজ্য সম্প্রসারণে সীমান্ত অবকাঠামোর উন্নয়ন এখন সময়ের দাবি। তারা এ বিষয়ে রাজ্য ও কেন্দ্রীয় সরকারের দ্রুত ও সমন্বিত উদ্যোগ কামনা করেছেন। 

সংশ্লিষ্টদের আশা, প্রয়োজনীয় অবকাঠামো উন্নয়ন এবং বাণিজ্যবান্ধব নীতি গ্রহণ করা হলে হিলি সীমান্ত দিয়ে দুই দেশের বাণিজ্য আবারও আগের গতি ফিরে পাবে। এতে ব্যবসা, কর্মসংস্থান এবং সরকারি রাজস্ব আদায়ও উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়বে।


The Campus Times online

সাধারণ সম্পাদক: মোঃ সেলিম রেজা
প্রকাশক: মোঃ সেলিম রেজা (বিএ, অনার্স, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়)

কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত ক্যাম্পাস টাইমস অনলাইন
ভারতের সঙ্গে বাণিজ্য কমেছে বাংলাদেশের, উদ্বেগে ব্যবসায়ীরা
0:00 0:00
1.0x