ঢাকা    সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬, ১২ শ্রাবণ ১৪৩৩
The Campus Times online

'মারতে নয়, আমাকে বাঁচাতে এসেছিলেন অভি রহমান'—দাবি ভুক্তভোগীর, অভিযোগ প্রত্যাহার



'মারতে নয়, আমাকে বাঁচাতে এসেছিলেন অভি রহমান'—দাবি ভুক্তভোগীর, অভিযোগ প্রত্যাহার

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফুলার রোড ও ভিসি চত্বরকে কেন্দ্র করে সম্প্রতি আলোচিত ঘটনায় নতুন মোড় এসেছে। ঘটনায় আহত হয়ে শাহবাগ থানায় অভিযোগ দায়ের করা আব্দুর রহমান সাজিদ অভিযোগ প্রত্যাহার করেছেন। একই সঙ্গে তিনি দাবি করেছেন, নৃবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী অভি রহমান এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত ছিলেন না; বরং আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে চিকিৎসার ব্যবস্থা করেছিলেন।

এক সংবাদ সম্মেলনে আব্দুর রহমান সাজিদ বলেন, গত ১৭ জুলাই রাতে তার ও তার বন্ধু ফারদিনের সঙ্গে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২৫–২৬ শিক্ষাবর্ষের কয়েকজন শিক্ষার্থীর মারামারির ঘটনা ঘটে। এতে তিনি আহত হন। পরে একজন ভুক্তভোগী হিসেবে তিনি শাহবাগ থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেন।

সাজিদের দাবি, অভিযোগে তিনি কেবল মারধরের বিষয়টি উল্লেখ করেছিলেন। সেখানে ছিনতাই কিংবা কোনো রাজনৈতিক সংগঠনের বিরুদ্ধে অভিযোগ ছিল না। তবে অভিযোগ দায়েরের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও কয়েকটি অনলাইন প্ল্যাটফর্মে ঘটনাটিকে ভিন্নভাবে উপস্থাপন করা হয় এবং বিভিন্ন ব্যক্তি ও সংগঠনের নাম জড়িয়ে প্রচারণা চালানো হয়।

সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, "মারতে নয়, আমাকে বাঁচাতে এসেছিলেন অভি রহমান। তিনি ঘটনাস্থলে এসে আমাকে উদ্ধার করেন এবং চিকিৎসার জন্য রিকশায় তুলে দেন। পরে আমি জানতে পারি, তাকে এবং আরও কয়েকজনকে এ ঘটনার সঙ্গে জড়িয়ে প্রচারণা চালানো হয়েছে। বিষয়টি জানার পর আমি অভিযোগ প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নিই।"

তিনি আরও বলেন, অভিযোগ দায়েরের সময় উপস্থিত কয়েকজনের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে কিছু নাম অভিযোগপত্রে যুক্ত হয়েছিল। পরে তিনি জানতে পারেন, তাদের মধ্যে কয়েকজন ঘটনাস্থলে উপস্থিতই ছিলেন না। একই সঙ্গে যারা তাকে উদ্ধার করেছিলেন, তাদেরও অভিযুক্ত হিসেবে প্রচার করা হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত অভি রহমান বলেন, ঘটনার সময় তিনি শহীদুল্লাহ হলের নাইট ক্যান্টিনে রাতের খাবার খাচ্ছিলেন। বন্ধু ইরতেজা ইরাজের ফোন পেয়ে তিনি ঘটনাস্থলে যান এবং আহত সাজিদকে উদ্ধার করে রিকশায় তুলে দেন।

অভি রহমানের ভাষ্য, "আমি একজন আহত শিক্ষার্থীকে মানবিক কারণে সাহায্য করেছি। কিন্তু পরদিন থেকেই বিভিন্ন ফটোকার্ড ও সংবাদে আমাকে অভিযুক্ত হিসেবে উপস্থাপন করা হয়। পরে ভুক্তভোগী নিজেই স্পষ্ট করেছেন যে, আমি তাকে উদ্ধার করেছি এবং ঘটনার সঙ্গে আমার কোনো সম্পৃক্ততা ছিল না।"

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত অন্য বক্তারাও দাবি করেন, একটি সাধারণ মারামারির ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়িয়ে নির্দোষ ব্যক্তিদের সামাজিক ও রাজনৈতিকভাবে হেয়প্রতিপন্ন করার চেষ্টা করা হয়েছে।

The Campus Times online

সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬


'মারতে নয়, আমাকে বাঁচাতে এসেছিলেন অভি রহমান'—দাবি ভুক্তভোগীর, অভিযোগ প্রত্যাহার

প্রকাশের তারিখ : ২৭ জুলাই ২০২৬

featured Image

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফুলার রোড ও ভিসি চত্বরকে কেন্দ্র করে সম্প্রতি আলোচিত ঘটনায় নতুন মোড় এসেছে। ঘটনায় আহত হয়ে শাহবাগ থানায় অভিযোগ দায়ের করা আব্দুর রহমান সাজিদ অভিযোগ প্রত্যাহার করেছেন। একই সঙ্গে তিনি দাবি করেছেন, নৃবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী অভি রহমান এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত ছিলেন না; বরং আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে চিকিৎসার ব্যবস্থা করেছিলেন।

এক সংবাদ সম্মেলনে আব্দুর রহমান সাজিদ বলেন, গত ১৭ জুলাই রাতে তার ও তার বন্ধু ফারদিনের সঙ্গে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২৫–২৬ শিক্ষাবর্ষের কয়েকজন শিক্ষার্থীর মারামারির ঘটনা ঘটে। এতে তিনি আহত হন। পরে একজন ভুক্তভোগী হিসেবে তিনি শাহবাগ থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেন।

সাজিদের দাবি, অভিযোগে তিনি কেবল মারধরের বিষয়টি উল্লেখ করেছিলেন। সেখানে ছিনতাই কিংবা কোনো রাজনৈতিক সংগঠনের বিরুদ্ধে অভিযোগ ছিল না। তবে অভিযোগ দায়েরের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও কয়েকটি অনলাইন প্ল্যাটফর্মে ঘটনাটিকে ভিন্নভাবে উপস্থাপন করা হয় এবং বিভিন্ন ব্যক্তি ও সংগঠনের নাম জড়িয়ে প্রচারণা চালানো হয়।

সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, "মারতে নয়, আমাকে বাঁচাতে এসেছিলেন অভি রহমান। তিনি ঘটনাস্থলে এসে আমাকে উদ্ধার করেন এবং চিকিৎসার জন্য রিকশায় তুলে দেন। পরে আমি জানতে পারি, তাকে এবং আরও কয়েকজনকে এ ঘটনার সঙ্গে জড়িয়ে প্রচারণা চালানো হয়েছে। বিষয়টি জানার পর আমি অভিযোগ প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নিই।"

তিনি আরও বলেন, অভিযোগ দায়েরের সময় উপস্থিত কয়েকজনের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে কিছু নাম অভিযোগপত্রে যুক্ত হয়েছিল। পরে তিনি জানতে পারেন, তাদের মধ্যে কয়েকজন ঘটনাস্থলে উপস্থিতই ছিলেন না। একই সঙ্গে যারা তাকে উদ্ধার করেছিলেন, তাদেরও অভিযুক্ত হিসেবে প্রচার করা হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত অভি রহমান বলেন, ঘটনার সময় তিনি শহীদুল্লাহ হলের নাইট ক্যান্টিনে রাতের খাবার খাচ্ছিলেন। বন্ধু ইরতেজা ইরাজের ফোন পেয়ে তিনি ঘটনাস্থলে যান এবং আহত সাজিদকে উদ্ধার করে রিকশায় তুলে দেন।

অভি রহমানের ভাষ্য, "আমি একজন আহত শিক্ষার্থীকে মানবিক কারণে সাহায্য করেছি। কিন্তু পরদিন থেকেই বিভিন্ন ফটোকার্ড ও সংবাদে আমাকে অভিযুক্ত হিসেবে উপস্থাপন করা হয়। পরে ভুক্তভোগী নিজেই স্পষ্ট করেছেন যে, আমি তাকে উদ্ধার করেছি এবং ঘটনার সঙ্গে আমার কোনো সম্পৃক্ততা ছিল না।"

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত অন্য বক্তারাও দাবি করেন, একটি সাধারণ মারামারির ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়িয়ে নির্দোষ ব্যক্তিদের সামাজিক ও রাজনৈতিকভাবে হেয়প্রতিপন্ন করার চেষ্টা করা হয়েছে।


The Campus Times online

সাধারণ সম্পাদক: মোঃ সেলিম রেজা
প্রকাশক: মোঃ সেলিম রেজা (বিএ, অনার্স, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়)

কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত ক্যাম্পাস টাইমস অনলাইন
'মারতে নয়, আমাকে বাঁচাতে এসেছিলেন অভি রহমান'—দাবি ভুক্তভোগীর, অভিযোগ প্রত্যাহার
0:00 0:00
1.0x