ঢাকা    বৃহস্পতিবার, ০৬ আগস্ট ২০২৬, ২১ শ্রাবণ ১৪৩৩
The Campus Times online

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের দুই বছর : তারুণ্যের ভাবনায় আগামীর বাংলাদেশ



জুলাই গণঅভ্যুত্থানের দুই বছর : তারুণ্যের ভাবনায় আগামীর বাংলাদেশ

​রক্তাক্ত পথ পেরিয়ে ছাত্র-জনতার অভূতপূর্ব গণঅভ্যুত্থানের পর দেখতে দেখতে কেটে গেছে দুটি বছর। ২০২৪-এর জুলাইয়ে স্বৈরাচার ও বৈষম্যের শৃঙ্খল ভেঙে নতুন ভোরের সূর্য ছিনিয়ে এনেছিল যে তরুণ সমাজ, আজ দুই বছর পর তাঁদের চোখেই রচিত হচ্ছে আগামীর বাংলাদেশ বিনির্মাণের স্বপ্ন।

​এই দুই বছরে রাষ্ট্র সংস্কারের নানা পথপরিক্রমায় বারবার সামনে এসেছে একটিই প্রশ্ন—কেমন বাংলাদেশ চেয়েছিল জুলাইয়ের শহীদ ও লড়াকু তরুণেরা? জুলাই অভ্যুত্থানের দুই বছর পূর্তির সেই মাহেন্দ্রক্ষণে চেতনা ও প্রত্যাশার প্রতিধ্বনি জানাতে দ্য ক্যাম্পাস টাইমস এর মুখোমুখি হয়েছিলেন পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (পাবিপ্রবি) তরুণ শিক্ষার্থীরা। তাদের ভাবনায়  উঠে এসেছে দুর্নীতি ও বৈষম্যমুক্ত সমাজ গঠন, মেধা ও দক্ষতার সঠিক মূল্যায়ন, বাকস্বাধীনতা এবং তরুণদের হাত ধরে একটি স্বনির্ভর ও আধুনিক বাংলাদেশ গড়ার দৃঢ় অঙ্গীকার।

২০২১-২০২২ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী রুমেল খান বলেন- " জুলাই অভ্যুত্থানের দুই বছর পূর্তি আমাদের শুধু একটি ঐতিহাসিক ঘটনার কথা স্মরণ করিয়ে দেয় না, বরং ভবিষ্যৎ বাংলাদেশ গঠনে আমাদের দায়িত্ব ও অঙ্গীকারের কথাও নতুন করে মনে করিয়ে দেয়। এই অভ্যুত্থান ছিল ন্যায়বিচার, গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ, জবাবদিহিতা এবং মানুষের মৌলিক অধিকার প্রতিষ্ঠার প্রত্যাশার প্রতিফলন। সেই প্রত্যাশাকে বাস্তবে রূপ দেওয়ার সবচেয়ে বড় শক্তি আজকের তরুণ প্রজন্ম। শিক্ষা, সততা, দক্ষতা, মানবিকতা ও দেশপ্রেমকে ধারণ করে একটি বৈষম্যহীন, দুর্নীতিমুক্ত, উদ্ভাবনী ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তোলাই হওয়া উচিত আমাদের সম্মিলিত লক্ষ্য। একই সঙ্গে আইনের শাসন, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা এবং সুশাসনের সংস্কৃতি প্রতিষ্ঠায় তরুণদের সক্রিয় ও দায়িত্বশীল ভূমিকা অপরিহার্য।" তিনি দ্য ক্যাম্পাস টাইমসকে আরো বলেন,"শহীদদের আত্মত্যাগের প্রকৃত মর্যাদা তখনই প্রতিষ্ঠিত হবে, যখন আমরা ব্যক্তিস্বার্থের ঊর্ধ্বে উঠে দেশ ও মানুষের কল্যাণে কাজ করব এবং আগামী প্রজন্মের জন্য একটি নিরাপদ, ন্যায়ভিত্তিক ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ রেখে যেতে পারব।"

২০২৩-২০২৪ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী গাইরুল ইসলাম শাকিল বলেন- "২০২৪ সালের জুলাই অভ্যুত্থান ছিল বাংলাদেশের ইতিহাসে তরুণ প্রজন্মের গণতন্ত্র, ন্যায়বিচার ও অধিকার প্রতিষ্ঠার এক স্মরণীয় অধ্যায়। এই আন্দোলনের চেতনায় আমরা দুর্নীতিমুক্ত, বৈষম্যহীন ও মানবিক বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়ে অঙ্গীকারবদ্ধ। আইনের শাসন, জবাবদিহিতা, বাকস্বাধীনতা এবং সকল নাগরিকের সমান অধিকার নিশ্চিত করাই আমাদের লক্ষ্য। মেধার মূল্যায়ন, কর্মসংস্থান ও প্রযুক্তিনির্ভর উন্নয়নের মাধ্যমে তরুণরাই আগামীর বাংলাদেশকে এগিয়ে নেবে।" তিনি শহীদদের আত্মত্যাগের আদর্শ ধারণ করে একটি সমৃদ্ধ, ন্যায়ভিত্তিক ও আধুনিক বাংলাদেশ গড়তে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ থাকার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।

২০২৪-২০২৫ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী লামিয়া জাহান ওহি জানান -" জুলাই অভ্যুত্থান আমাদের মনে করিয়ে দেয় যে ইতিহাসের প্রতিটি বড় পরিবর্তনের পেছনে তরুণদের সাহস ও স্বপ্ন কাজ করে। দুই বছর পর আমি এমন একটি বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখি, যেখানে ন্যায়বিচার, জবাবদিহি ও মানবিকতা রাষ্ট্র পরিচালনার মূল ভিত্তি হবে। শিক্ষা শুধু চাকরির জন্য নয়, একজন দায়িত্বশীল নাগরিক গড়ে তোলার মাধ্যম হবে। তরুণরা উদ্ভাবন, প্রযুক্তি ও সৃজনশীলতার মাধ্যমে দেশকে এগিয়ে নেবে। ভিন্ন মতকে সম্মান করে ঐক্যের বাংলাদেশ গড়াই হবে আমাদের সবচেয়ে বড় শক্তি। আজকের সঠিক সিদ্ধান্ত ও দায়িত্বশীল তারুণ্যই আগামীর সুন্দর, সমৃদ্ধ ও মর্যাদাপূর্ণ বাংলাদেশের পথ তৈরি করবে।"

২০২৪-২০২৫ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী নাঈম আলী শেখ বলেন - "জুলাই অভ্যুত্থানের দুই বছর পূর্ণ হতে যাচ্ছে। এই দুই বছরে আমরা অনেক কিছু দেখেছি, অনেক কিছু শিখেছি। সেদিন তরুণরা রাস্তায় নেমেছিল ন্যায়বিচার আর সমতার দাবিতে, কোনো ভয় না করেই। তাদের সাহস আমাদের দেখিয়েছে, পরিবর্তন সম্ভব যদি মানুষ একসাথে দাঁড়ায়। আজকের তরুণরা চায় এমন একটা বাংলাদেশ, যেখানে সবার জন্য সমান সুযোগ থাকবে, দুর্নীতি থাকবে না, আর মানুষ কথা বলতে পারবে ভয় ছাড়াই। এই স্বপ্ন সত্যি করতে এখনও অনেক পথ বাকি, কিন্তু শুরুটা হয়েছে ভালোভাবেই।" জুলাইয়ের চেতনা যেন হারিয়ে না যায় প্রতিদিনের কর্মে বেচে থাকুক সেই প্রত্যাশা করেন তিনি।

রসায়ন বিভাগের শিক্ষার্থী আরাফাত শরীফ বলেন- "২০২৪ এ কোটা বৈষম্যের বিরুদ্ধে আন্দোলন রূপ নেয় স্বৈরাচার পতনের আন্দোলনে,দেশের সর্বস্তরের ছাত্র-ছাত্রী আমজনতার আন্দোলনে স্বৈরাচারের পতন হলো। দেশকে নিয়ে সবাই নতুন স্বপ্ন দেখা শুরু করলো,নতুন বাংলাদেশ গড়তে হবে।নাগরিকের মৌলিক অধিকার, সামাজিক ন্যায়বিচার এবং বাকস্বাধীনতা নিশ্চিত করার মাধ্যমে একটি বৈষম্যহীন গণতান্ত্রিক সমাজ প্রতিষ্ঠা করাই এখন যুবসমাজের মূল লক্ষ্য। মেধা, সততা ও প্রযুক্তিনির্ভর আধুনিক চিন্তাভাবনাকে কাজে লাগিয়ে তরুণরা দেশকে একটি সমৃদ্ধ ও স্বনির্ভর অর্থনীতির দিকে এগিয়ে নিতে হবে। এভাবেই একদিন আমরা গড়বো সেই নতুন বাংলাদেশ।"

The Campus Times online

বৃহস্পতিবার, ০৬ আগস্ট ২০২৬


জুলাই গণঅভ্যুত্থানের দুই বছর : তারুণ্যের ভাবনায় আগামীর বাংলাদেশ

প্রকাশের তারিখ : ০৫ আগস্ট ২০২৬

featured Image

​রক্তাক্ত পথ পেরিয়ে ছাত্র-জনতার অভূতপূর্ব গণঅভ্যুত্থানের পর দেখতে দেখতে কেটে গেছে দুটি বছর। ২০২৪-এর জুলাইয়ে স্বৈরাচার ও বৈষম্যের শৃঙ্খল ভেঙে নতুন ভোরের সূর্য ছিনিয়ে এনেছিল যে তরুণ সমাজ, আজ দুই বছর পর তাঁদের চোখেই রচিত হচ্ছে আগামীর বাংলাদেশ বিনির্মাণের স্বপ্ন।

​এই দুই বছরে রাষ্ট্র সংস্কারের নানা পথপরিক্রমায় বারবার সামনে এসেছে একটিই প্রশ্ন—কেমন বাংলাদেশ চেয়েছিল জুলাইয়ের শহীদ ও লড়াকু তরুণেরা? জুলাই অভ্যুত্থানের দুই বছর পূর্তির সেই মাহেন্দ্রক্ষণে চেতনা ও প্রত্যাশার প্রতিধ্বনি জানাতে দ্য ক্যাম্পাস টাইমস এর মুখোমুখি হয়েছিলেন পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (পাবিপ্রবি) তরুণ শিক্ষার্থীরা। তাদের ভাবনায়  উঠে এসেছে দুর্নীতি ও বৈষম্যমুক্ত সমাজ গঠন, মেধা ও দক্ষতার সঠিক মূল্যায়ন, বাকস্বাধীনতা এবং তরুণদের হাত ধরে একটি স্বনির্ভর ও আধুনিক বাংলাদেশ গড়ার দৃঢ় অঙ্গীকার।

২০২১-২০২২ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী রুমেল খান বলেন- " জুলাই অভ্যুত্থানের দুই বছর পূর্তি আমাদের শুধু একটি ঐতিহাসিক ঘটনার কথা স্মরণ করিয়ে দেয় না, বরং ভবিষ্যৎ বাংলাদেশ গঠনে আমাদের দায়িত্ব ও অঙ্গীকারের কথাও নতুন করে মনে করিয়ে দেয়। এই অভ্যুত্থান ছিল ন্যায়বিচার, গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ, জবাবদিহিতা এবং মানুষের মৌলিক অধিকার প্রতিষ্ঠার প্রত্যাশার প্রতিফলন। সেই প্রত্যাশাকে বাস্তবে রূপ দেওয়ার সবচেয়ে বড় শক্তি আজকের তরুণ প্রজন্ম। শিক্ষা, সততা, দক্ষতা, মানবিকতা ও দেশপ্রেমকে ধারণ করে একটি বৈষম্যহীন, দুর্নীতিমুক্ত, উদ্ভাবনী ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তোলাই হওয়া উচিত আমাদের সম্মিলিত লক্ষ্য। একই সঙ্গে আইনের শাসন, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা এবং সুশাসনের সংস্কৃতি প্রতিষ্ঠায় তরুণদের সক্রিয় ও দায়িত্বশীল ভূমিকা অপরিহার্য।" তিনি দ্য ক্যাম্পাস টাইমসকে আরো বলেন,"শহীদদের আত্মত্যাগের প্রকৃত মর্যাদা তখনই প্রতিষ্ঠিত হবে, যখন আমরা ব্যক্তিস্বার্থের ঊর্ধ্বে উঠে দেশ ও মানুষের কল্যাণে কাজ করব এবং আগামী প্রজন্মের জন্য একটি নিরাপদ, ন্যায়ভিত্তিক ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ রেখে যেতে পারব।"

২০২৩-২০২৪ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী গাইরুল ইসলাম শাকিল বলেন- "২০২৪ সালের জুলাই অভ্যুত্থান ছিল বাংলাদেশের ইতিহাসে তরুণ প্রজন্মের গণতন্ত্র, ন্যায়বিচার ও অধিকার প্রতিষ্ঠার এক স্মরণীয় অধ্যায়। এই আন্দোলনের চেতনায় আমরা দুর্নীতিমুক্ত, বৈষম্যহীন ও মানবিক বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়ে অঙ্গীকারবদ্ধ। আইনের শাসন, জবাবদিহিতা, বাকস্বাধীনতা এবং সকল নাগরিকের সমান অধিকার নিশ্চিত করাই আমাদের লক্ষ্য। মেধার মূল্যায়ন, কর্মসংস্থান ও প্রযুক্তিনির্ভর উন্নয়নের মাধ্যমে তরুণরাই আগামীর বাংলাদেশকে এগিয়ে নেবে।" তিনি শহীদদের আত্মত্যাগের আদর্শ ধারণ করে একটি সমৃদ্ধ, ন্যায়ভিত্তিক ও আধুনিক বাংলাদেশ গড়তে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ থাকার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।

২০২৪-২০২৫ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী লামিয়া জাহান ওহি জানান -" জুলাই অভ্যুত্থান আমাদের মনে করিয়ে দেয় যে ইতিহাসের প্রতিটি বড় পরিবর্তনের পেছনে তরুণদের সাহস ও স্বপ্ন কাজ করে। দুই বছর পর আমি এমন একটি বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখি, যেখানে ন্যায়বিচার, জবাবদিহি ও মানবিকতা রাষ্ট্র পরিচালনার মূল ভিত্তি হবে। শিক্ষা শুধু চাকরির জন্য নয়, একজন দায়িত্বশীল নাগরিক গড়ে তোলার মাধ্যম হবে। তরুণরা উদ্ভাবন, প্রযুক্তি ও সৃজনশীলতার মাধ্যমে দেশকে এগিয়ে নেবে। ভিন্ন মতকে সম্মান করে ঐক্যের বাংলাদেশ গড়াই হবে আমাদের সবচেয়ে বড় শক্তি। আজকের সঠিক সিদ্ধান্ত ও দায়িত্বশীল তারুণ্যই আগামীর সুন্দর, সমৃদ্ধ ও মর্যাদাপূর্ণ বাংলাদেশের পথ তৈরি করবে।"

২০২৪-২০২৫ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী নাঈম আলী শেখ বলেন - "জুলাই অভ্যুত্থানের দুই বছর পূর্ণ হতে যাচ্ছে। এই দুই বছরে আমরা অনেক কিছু দেখেছি, অনেক কিছু শিখেছি। সেদিন তরুণরা রাস্তায় নেমেছিল ন্যায়বিচার আর সমতার দাবিতে, কোনো ভয় না করেই। তাদের সাহস আমাদের দেখিয়েছে, পরিবর্তন সম্ভব যদি মানুষ একসাথে দাঁড়ায়। আজকের তরুণরা চায় এমন একটা বাংলাদেশ, যেখানে সবার জন্য সমান সুযোগ থাকবে, দুর্নীতি থাকবে না, আর মানুষ কথা বলতে পারবে ভয় ছাড়াই। এই স্বপ্ন সত্যি করতে এখনও অনেক পথ বাকি, কিন্তু শুরুটা হয়েছে ভালোভাবেই।" জুলাইয়ের চেতনা যেন হারিয়ে না যায় প্রতিদিনের কর্মে বেচে থাকুক সেই প্রত্যাশা করেন তিনি।

রসায়ন বিভাগের শিক্ষার্থী আরাফাত শরীফ বলেন- "২০২৪ এ কোটা বৈষম্যের বিরুদ্ধে আন্দোলন রূপ নেয় স্বৈরাচার পতনের আন্দোলনে,দেশের সর্বস্তরের ছাত্র-ছাত্রী আমজনতার আন্দোলনে স্বৈরাচারের পতন হলো। দেশকে নিয়ে সবাই নতুন স্বপ্ন দেখা শুরু করলো,নতুন বাংলাদেশ গড়তে হবে।নাগরিকের মৌলিক অধিকার, সামাজিক ন্যায়বিচার এবং বাকস্বাধীনতা নিশ্চিত করার মাধ্যমে একটি বৈষম্যহীন গণতান্ত্রিক সমাজ প্রতিষ্ঠা করাই এখন যুবসমাজের মূল লক্ষ্য। মেধা, সততা ও প্রযুক্তিনির্ভর আধুনিক চিন্তাভাবনাকে কাজে লাগিয়ে তরুণরা দেশকে একটি সমৃদ্ধ ও স্বনির্ভর অর্থনীতির দিকে এগিয়ে নিতে হবে। এভাবেই একদিন আমরা গড়বো সেই নতুন বাংলাদেশ।"


The Campus Times online

সাধারণ সম্পাদক: মোঃ সেলিম রেজা
প্রকাশক: মোঃ সেলিম রেজা (বিএ, অনার্স, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়)

কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত ক্যাম্পাস টাইমস অনলাইন
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের দুই বছর : তারুণ্যের ভাবনায় আগামীর বাংলাদেশ
0:00 0:00
1.0x