রাজশাহী অঞ্চল নৌপুলিশের পুলিশ সুপার (এসপি) মোহাম্মদ বিল্লাল হোসেন জানান, বৃহস্পতিবার বেলা ১১টায় কুষ্টিয়ার বাংলাবাজার পাকশী সেতুসংলগ্ন পদ্মা নদী থেকে নৌকার মাঝি কাওসার আলীর লাশ উদ্ধার করা হয়। পরে দুপুরের দিকে রাজশাহীর পবা উপজেলার সাতবাড়িয়া চর এলাকা থেকে তার ছেলে জিয়ারুল ইসলামের লাশ উদ্ধার করে নৌপুলিশ। লাশ দুটি পানিতে ভেসে উঠেছিল।
রাজশাহী নৌপুলিশ সূত্র জানায়, ২৮ জুলাই নৌকাডুবির পর দুদিন নৌপুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল যৌথভাবে পদ্মার বিভিন্ন এলাকায় ব্যাপক তল্লাশি চালায়। পদ্মায় প্রবল স্রোতের কারণে লাশ দুটি দুর্ঘটনাস্থল থেকে অনেক ভাটিতে ভেসে চলে যায়। উদ্ধার শেষে বিকালে লাশ দুটি পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। তাদেরকে পারিবারিক গোরস্থানে দাফন করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, ২৮ জুলাই দুপুরের দিকে রাজশাহী নগরীর সামনে চর মাঝারদিয়াড় থেকে ঝাউগাছ বোঝাই ইঞ্জিনচালিক একখানি নৌকা পদ্মা পাড়ি দিয়ে নগরীর বড়কুঠি ঘাটের দিকে আসছিল। প্রবল স্রোত আর উত্তাল ঢেউয়ের কবলে পড়ে নৌকাখানি মাঝ নদীতে ডুবে যায়। আট যাত্রীর মধ্যে ঘটনার পরপরই ৬ জনকে উদ্ধার করা সম্ভব হলেও নৌকার মাঝি কাউসার আলী ও তার ছেলে জিয়ারুল ইসলাম তলিয়ে যায়।