গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়ার পর আজ শুক্রবার সকালে বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটি এ সিদ্ধান্ত নেয়।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, জলিলুর রহমান অফিস সহকারী হলেও তিনি বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের বাসায় গিয়ে ইংরেজি বিষয়ে প্রাইভেট পড়াতেন। পরে এক শিক্ষার্থীর সঙ্গে তাঁর অনৈতিক সম্পর্ক গড়ে ওঠে এবং তাঁদের অন্তরঙ্গ ভিডিও ছড়িয়ে পড়ে।
স্থানীয় সূত্র আরও জানায়, এর আগেও কয়েকবার তাঁর বিরুদ্ধে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে অনৈতিক কর্মকাণ্ডের অভিযোগ উঠেছিল।
কুয়াকাটা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি জহিরুল ইসলাম মিরন বলেন, জলিলুর রহমানের বিরুদ্ধে অনৈতিক কর্মকাণ্ডের গুঞ্জন শোনার পর গত সোমবার ৪ সদস্যবিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। তদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর তাঁকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।
জহিরুল ইসলাম মিরন আরও বলেন, শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে ওই শিক্ষার্থীকে প্রায় ৩ মাস আগে টিসি দেওয়া হয়েছে।