ঢাকা    মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ১৯ কার্তিক ১৪৩৩
The Campus Times online

হারিয়ে যাওয়া শিল্পের পুনর্জাগরণে বেরোবি শিক্ষার্থীদের অনন্য উদ্যোগ



হারিয়ে যাওয়া শিল্পের পুনর্জাগরণে বেরোবি শিক্ষার্থীদের অনন্য উদ্যোগ

বাংলার ঐতিহ্যবাহী মৃৎশিল্প আজ প্লাস্টিক ও আধুনিক পণ্যের ভিড়ে হারিয়ে যেতে বসেছে। একসময় গ্রামীণ মেলা ও উৎসবের অন্যতম আকর্ষণ ছিল মাটির তৈরি খেলনা, পুতুল, হাঁড়ি-পাতিলসহ নানা শৈল্পিক সামগ্রী। কিন্তু সময়ের পরিবর্তনে এই শিল্পের কদর কমে যাওয়ায় সংকটে পড়েছেন মৃৎশিল্পীরা।

 এমন পরিস্থিতিতে হারিয়ে যাওয়া এই শিল্পকে নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতে উদ্যোগ নিয়েছেন বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) একদল শিক্ষার্থী। তাদের উদ্যোগে গড়ে ওঠা কারুকুঞ্জ  প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে রংপুর জেলার বদরগঞ্জ উপজেলার মুমিনপুর কুমারপাড়ার মৃৎশিল্পীদের নিয়ে কাজ শুরু হয়েছে।

 উদ্যোক্তারা জানান, মাটির শিল্প শুধু একটি পেশা নয়, এটি বাংলার শত বছরের ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির অংশ। অথচ বর্তমানে প্লাস্টিক ও ফাইবারের তৈরি পণ্যের কারণে মাটির সামগ্রীর চাহিদা কমে যাওয়ায় অনেক কারিগর পেশা পরিবর্তন করতে বাধ্য হচ্ছেন।

 কারুকুঞ্জের লক্ষ্য হলো মৃৎশিল্পীদের তৈরি পণ্য সংগ্রহ, প্রচার ও বাজারজাতকরণের মাধ্যমে তাদের ন্যায্য মূল্য নিশ্চিত করা এবং এই হারিয়ে যেতে বসা শিল্পকে নতুনভাবে মানুষের সামনে তুলে ধরা। পাশাপাশি শিল্পীদের জীবনসংগ্রামের গল্পও মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

 উদ্যোক্তাদের বিশ্বাস, সমাজের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সহযোগিতা ও সচেতনতা বাড়লে মুমিনপুর কুমারপাড়ার ঐতিহ্যবাহী মৃৎশিল্প আবারও নতুন প্রাণ ফিরে পাবে। তাদের এই উদ্যোগ শুধু একটি শিল্পকে টিকিয়ে রাখার প্রচেষ্টা নয়, বরং বাংলার ঐতিহ্য ও সংস্কৃতি সংরক্ষণের একটি ইতিবাচক পদক্ষেপ।

The Campus Times online

মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬


হারিয়ে যাওয়া শিল্পের পুনর্জাগরণে বেরোবি শিক্ষার্থীদের অনন্য উদ্যোগ

প্রকাশের তারিখ : ০৩ আগস্ট ২০২৬

featured Image

বাংলার ঐতিহ্যবাহী মৃৎশিল্প আজ প্লাস্টিক ও আধুনিক পণ্যের ভিড়ে হারিয়ে যেতে বসেছে। একসময় গ্রামীণ মেলা ও উৎসবের অন্যতম আকর্ষণ ছিল মাটির তৈরি খেলনা, পুতুল, হাঁড়ি-পাতিলসহ নানা শৈল্পিক সামগ্রী। কিন্তু সময়ের পরিবর্তনে এই শিল্পের কদর কমে যাওয়ায় সংকটে পড়েছেন মৃৎশিল্পীরা।

 এমন পরিস্থিতিতে হারিয়ে যাওয়া এই শিল্পকে নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতে উদ্যোগ নিয়েছেন বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) একদল শিক্ষার্থী। তাদের উদ্যোগে গড়ে ওঠা কারুকুঞ্জ  প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে রংপুর জেলার বদরগঞ্জ উপজেলার মুমিনপুর কুমারপাড়ার মৃৎশিল্পীদের নিয়ে কাজ শুরু হয়েছে।

 উদ্যোক্তারা জানান, মাটির শিল্প শুধু একটি পেশা নয়, এটি বাংলার শত বছরের ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির অংশ। অথচ বর্তমানে প্লাস্টিক ও ফাইবারের তৈরি পণ্যের কারণে মাটির সামগ্রীর চাহিদা কমে যাওয়ায় অনেক কারিগর পেশা পরিবর্তন করতে বাধ্য হচ্ছেন।

 কারুকুঞ্জের লক্ষ্য হলো মৃৎশিল্পীদের তৈরি পণ্য সংগ্রহ, প্রচার ও বাজারজাতকরণের মাধ্যমে তাদের ন্যায্য মূল্য নিশ্চিত করা এবং এই হারিয়ে যেতে বসা শিল্পকে নতুনভাবে মানুষের সামনে তুলে ধরা। পাশাপাশি শিল্পীদের জীবনসংগ্রামের গল্পও মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

 উদ্যোক্তাদের বিশ্বাস, সমাজের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সহযোগিতা ও সচেতনতা বাড়লে মুমিনপুর কুমারপাড়ার ঐতিহ্যবাহী মৃৎশিল্প আবারও নতুন প্রাণ ফিরে পাবে। তাদের এই উদ্যোগ শুধু একটি শিল্পকে টিকিয়ে রাখার প্রচেষ্টা নয়, বরং বাংলার ঐতিহ্য ও সংস্কৃতি সংরক্ষণের একটি ইতিবাচক পদক্ষেপ।


The Campus Times online

সাধারণ সম্পাদক: মোঃ সেলিম রেজা
প্রকাশক: মোঃ সেলিম রেজা (বিএ, অনার্স, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়)

কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত ক্যাম্পাস টাইমস অনলাইন
হারিয়ে যাওয়া শিল্পের পুনর্জাগরণে বেরোবি শিক্ষার্থীদের অনন্য উদ্যোগ
0:00 0:00
1.0x