তিনি পোস্টে লিখেন, ‘জামায়াত আমিরের পিএস পরিচয়দানকারী ও বুয়েট শিবিরের সাবেক সভাপতি জুবায়ের নামের একজন ব্যক্তি শহীদ ওসমান হাদীকে ঢাকা -৮ আসনে নির্বাচন না করার জন্য বারংবার নিষেধ করে।’
তিনি আরও লিখেন, ‘শহীদ ওসমান হাদীকে বলা হয়, ঢাকা-৮ আসনে সাদিক কাইয়ুম নির্বাচন করবে, এখানে নির্বাচন না করে অন্য আসনে নির্বাচন করার জন্য। কিন্তু শহীদ ওসমান হাদী স্পষ্ট জানিয়ে দেয় ৫০০ ভোট পেলেও সে ঢাকা-৮ আসনেই নির্বাচন করবে। ওসমান হাদী হত্যাকাণ্ডের পরে বিতর্ক সৃষ্টি হবে, এজন্য আর সাদিক কাইয়ুমকে নমিনেশন দেয় নি জামায়াত। এমন তথ্যই আমার কাছে এসেছে।’
তিনি পোস্টে আরও উল্লেখ করেন, ‘জুবায়ের সম্পর্কে যতোটুকু তথ্য পেয়েছি, সে আমেরিকায় থাকত। গণঅভ্যুত্থানের পরে বাংলাদেশে ফিরে এসে একটা প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক হিসেবে জয়েন করে। জামায়াতের নির্বাচন পরিচালনা কমিটিতেও সে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে ছিল।’
রাশেদ খাঁন সুষ্ঠু তদন্তের দাবি জানিয়ে লেখেন, ‘আমি তার কথায় বলছি, যার সম্পর্কে কিছুদিন আগে শহীদ ওসমান হাদীর ভাই ফেসবুকে পোস্ট করেছিলেন। আমি তাকে মোটেও সন্দেহের চোখে দেখছি না। কিন্তু তদন্তের স্বার্থেই জুবায়ের সম্পর্কে প্রশাসনের জানা দরকার। জুবায়ের কি এখনো দেশে আছে নাকি আবারও আমেরিকায় ব্যাক করেছে?কে এই জুবায়ের? তার আদ্যোপান্ত বের হওয়া সময়ের দাবি।’